শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২, ০২:১৬ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English

নির্বাচনঃ সহিংসতার দায় কার?

স্টাফ রিপোর্টার, বকশীগঞ্জ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৪৬৮ জন সংবাদটি পড়ছেন

গোলাম রাব্বানী নাদিম

৫ জানুয়ারী বকশীগঞ্জসহ সারা দেশে ৭০৭ ইউনিয়নে সম্পন্ন হল ৫ ধাপের নির্বাচন।

কতটুকু সুষ্ঠু পরিবেশে হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই দিন বকশীগঞ্জের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অঘটনটা ঘটে গেছে মেরুরচর ইউনিয়নের মেরুরচর হাসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে।

১০জন পুলিশ আহত। সহিংস এ ঘটনায় প্রায় ২ শতাধিক রাউন্ড গুলি ছুড়া হয়েছে। টিয়ারসেল, এতদিন শুধু টেলিভিশনের পর্দায় দেখে এলেও নিজের চোখে দেখেছে মেরুরচর বাসী। ২৭টি টিয়ারসেল ছোড়া হয়। যদি ২টি মাত্র কার্যকর হয়েছে বাকী গুলো সব অকার্যকর থেকেছে। এতগুলো গুলি ৭১ সালের ৯ মাসেও হয়নি মেরুরচর গ্রামে।

একটি নির্বাচনে বারবার পুলিশই লক্ষ্য বস্তুতে পরিণত হয়। কিন্তু কেন?

একজন প্রার্থী হওয়াতে অনেক কিছুই সামনে চলে এসেছে। একটি নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে শুধু কি পুলিশের দায়িত্ব?

একটি নির্বাচনে সম্পৃক্ত থাকে, নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রিটানিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার। এর পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ও ভোটারও থাকেন ।

উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পাশাপাশি  নির্বাহী ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনে তদারকি করেন।

আইন শৃঙ্খলা বাহিনী র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি, আনসারের সদস্যগণ থাকেন সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহন নিশ্চিত করতে ও শৃঙ্খলা রক্ষার্থে।

র‌্যাব ও বিজিবি কোন কেন্দ্রেই মোতায়েন থাকে না, এরা ভ্রাম্যমান বা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসাবে পুলিশকে সহযোগিতা করেন।

একটি কেন্দ্রে যত বেশি ভোটার হোক না কেন এখানে মাত্র ৫টি পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আনসার ১৫ থেকে ২৫জন। সাথে থাকে কিছু গ্রাম পুলিশের সদস্য।

৩ থেকে ৪ হাজার হাজার ভোটারদের মধ্যে এ কয়েকজন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য অতি নগণ্য। পুরো ১মাসের বেশি সময় ধরে রাতদিন পরিশ্রম করে প্রার্থীরা অঢেল অর্থ ব্যায় করে যখন দেখা যায়  ভোটাররা ভোট দিতে পারছে না, বা অন্য প্রার্থী অবৈধভাবে বিজয় ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে তখন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ও তার সমর্থকরা বেপোরোয়া হওয়াটা অস্বাভাবিক কোন ঘটনা নয়।

জনপ্রতিনিধি নির্ধারন করবে ভোটাররা। ভোটের মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারিত হলে তা হবে স্বাভাবিক। কিন্তু জনপ্রতিনিধির ফলাফল নির্ধারন করে নির্বাচন আয়োজন করলে এরকম ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

মেরুরচর হাসেন আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি মুল লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় পুলিশ। হামলা হয় এতে ১০ পুলিশ আহত হয়। ভাঙচুর করা পুলিশে গাড়ী যা কোনভাবে কাম্য হতে পারে না।

এসব সহিংসতা ও পরবর্তি এই পরিস্থিতির দায় নিবে কে???

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102