সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English

করোনাকালীন সময় মানুষের পাশে প্রবাসী বাংলাদেশি শারমিন রহমান এবং শেখ আরিফ রাব্বানি জামি

জিহাদ আহমেদ, সরিষাবাড়ি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ১৫৩ জন সংবাদটি পড়ছেন

মানবিকতা এখন মানুষের মধ্যে তেমন দেখা যায় না। সবাই নিজের জন্য সব কিছু করা নিয়েই ব্যস্ত থাকেন। এমন মানুষের ভিড়ে এখনো কিছু মানুষ আছেন, যারা নিজের পাশাপাশি অন্য মানুষদের নিয়েও ভাবেন। তেমনি দুইজন মানুষ শারমিন রহমান এবং শেখ আরিফ রাব্বানি জামি।

এদেশে না থেকেও নিজের মাটির টানে এদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। করোনায় পৃথিবীর সব দেশের মতো বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাপনে,স্বাভাবিক চলাফেরায় বিপর্যয় নেমে এসেছে।

মানুষের সবকিছুকে আটকানো সম্ভব হলেও ক্ষুধাকে তো আর আটকে রাখা যায় না। বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের সহযোগিতায়, নিজ দেশের বন্ধু বান্ধবীদের সহায়তায় ও ব্যক্তিগত উদ্দ্যোগে সিরাজগঞ্জ, পাবনা, টাংগাইল, নওগাঁ, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ফেনী এবং পটুয়াখালীতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিয়েছেন। এছাড়াও গ্রামের প্রান্তিক ও অসহায় পরিবার কে স্বাবলম্বী করে তোলার জন্য ১৯ টি সেলাই মেশিন ও ৬টি ছাগল উপহার দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া কাজ চলছে আরও অনেক মানুষজনকে স্বাবলম্বী করার। করোনাকালীন সময়ে তাদের মালয়েশিয়ান কোম্পানি জ্যাশ ইন্টারন্যাশনাল এর পক্ষ থেকে ৬৫ জন কে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন দেশের বিভিন্ন জায়গায়। তাছাড়া ২১৫ টি বাংলাদেশি পরিবারের পাশে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে দাঁড়িয়েছেন দেশে এবং মালয়েশিয়ায়।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমন বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে মানুষের মাঝে সচেতনতাও কমে গিয়েছে। জনসচেতনতা তৈরীতে মাইকিং কর্মসূচি ও পথচারীদের মাঝে মাস্ক বিতরনেরও আয়োজন করেছেন। অত্যন্ত কর্মব্যস্ত সময়ের মাঝে, মানবিক কাজকর্মের জন্য সময় বের করা খুব কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। যাদের কিছুটা হলেও সামর্থ্য আছে তাদের সবারই মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত বলে উনারা মনে করেন।

“এটা আমাদের দায়িত্ব। সবকিছু অন্যরা করবে অথবা কর্তৃপক্ষের কাঁধে ফেলে রেখে নিজের দায় এড়ানো উচিত না। কে কি করছে কে কি করছে না তা বাদ দিয়ে নিজেদের জায়গা থেকে যতটুকু পারা যায় এগিয়ে আসা উচিত। ”

আরো বলেন, “এমন অনেকে আছেন যারা সামনে আসতে চান না, আমাদের পেছন থেকে সাপোর্ট করে যাচ্ছেন। তাদের জন্যই সবকিছু করা সম্ভব হচ্ছে সামনে আরো অনেক কাজ বাকি।”

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102