বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জের, থানায় চাঁদাবাজীর অভিযোগ করল আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য বকশীগঞ্জে রহস্য উদঘাটন করলেন ওসি, জিজ্ঞাসাবাদে জানালো সে বাংলাদেশী বকশীগঞ্জে এসডিজি নীতিমালা বাস্তবায়ন ও প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে জনতার হাতে আটক ভারতীয় নাগরিককে উদ্ধার করল পুলিশ বকশীগঞ্জে কর্মরত পুলিশ কনেস্টবল নিজামের অর্থে ১ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার বকশীগঞ্জে দিনমজুর সেজে গণধর্ষন মামলার আসামী গ্রেফতার করল পুলিশ বকশীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই ইউনিটের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত বকশীগঞ্জে শ্বশুর ও দেবরের নির্যাতনে মৃত্যু শয্যায় গৃহবধু বকশীগঞ্জে নারীসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক ৬ দফা দিবসে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জে ঘাট নিয়ে দুই চেয়ারম্যানের রশি টানাটানি

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৬ জুন, ২০২১
  • ৭৪১ জন সংবাদটি পড়ছেন




স্টাফ রিপোর্টারঃ জামালপুরের বকশীগঞ্জে নদীর ঘাট নিয়ে দুই ইউনিয়নের সীমানায় নৌকার ঘাট নিয়ে নিলক্ষিয়া ও মেরুরচর ইউনিয়নের দুই চেয়ারম্যানের মধ্যে রশি টানাটানি শুরু হয়েছে।

এর মধ্যে একই জায়গায় দুটি ঘাট বসানোর ঘটনা ঘটেছে। বিরাজ করছে উত্তেজনা।

উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ তালুকদার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনমুন জাহানের নিকট দেওয়া হয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

স্থানীয়রা জানায় গোমেরচরের শেষ মাথায় অবস্থিত দশানী নদীতে এর আগেও নিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এই ঘাটটি নিলামের মাধ্যমে ডাকা হলেও এতদিন মানবিক কারণে ঢনাই নামক এক দরিদ্র ব্যক্তিকে বিনা টাকায় দেওয়া হত। সে এই ঘাট দিয়ে আয় করে সংসার চালিয়ে থাকে। ঢনাইয়ের পর এই ঘাটের দায়িত্ব পায় তার ছেলে।


কিন্তু হঠাৎ করেই মেরুরচর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান এই ঘাটটি নিজেদের বলে দাবি করে। এর মধ্যে সাহার আলী নামক এক ব্যক্তির নামে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বন্দোবস্ত করে দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে।

এই নিয়ে ঢনাইয়ের পরিবারের লোকজন বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ দিয়েছে। সোমবার উভয় পক্ষের মাঝে সমঝোতার কথা রয়েছে।

নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম সাত্তার জানান, এই ঘাটটি দীর্ঘদিন যাবত নিলক্ষিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ন্ত্রন করত। মৌজা অনুযায়ী এই ঘাটটি নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের মধ্যে অবস্থিত। কি কারণে মেরুরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দাবী করে এটি বোধগম্য নয়।

এ দিকে মেরুরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম জেহাদ এই ঘাটটি মেরুরচর ইউনিয়নের মধ্যে পড়েছে বলে দাবি করেন। তবে টাকা পয়সার ব্যাপারে কিছু জানেন না বলে জানান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুনমুন জাহান লিজা জানান, এই বিষয়ে দুই চেয়ারম্যানকে এক সাথে বসে বিষয়টি সমাধানের জন্য বলা হয়েছে। আশাকরছি দ্রুতই এই বিষয়টি সমাধান হবে।

 

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102