শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :

নারী শক্তির জয় সুনিশ্চিত

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৬৭ জন সংবাদটি পড়ছেন
আজ কিসের এতো ভয়?নারীদের দমিয়ে রাখার চেষ্টা? শিক্ষিত সমাজের আবর্জনা তোমরা,যারা নারীদের ঘর থেকে বের হতে দেখলেই হিংস্বাত্নক হয়ে পড়ো।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বকশীগঞ্জ উপজেলার ২টি ইউনিয়ন থেকে দুই জন নারী আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন কিনেছেন। এরা হলেন বকশীগঞ্জ উপজেলা যুব মহিলালীগের সভাপতি জহুরা বেগম ও জেলা যুব মহিলা লীগের সদস্য মেহেজাবিন বিনতে হাসিব অরিন। জহুরা কিনেছেন ১ নং ধানুয়া কামালপুর ইউনিয়ন ও অরিন কিনেছেন ৬নং নিলক্ষিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ গ্রহনের জন্য।
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তৃনমুলের নারী নেতৃত্বে সৃষ্ঠির যে সংগ্রাম চালু করেছেন এরাই হচ্ছেন সেই সংগ্রামের ফসল।
এই দুই নারী নিয়ে জনৈক শারমিন শারমিন নামে এক মহিলা এক স্ট্যাটাস দেন।
অবিকল সেই স্ট্যাটাসটি পাঠকের সামনে….
আমরা নারী, আমরাই পারি। নারীর জয়ে সকলের জয়।
বকশীগঞ্জ উপজেলার ১ নং ধানুয়া কামাল পুর ও ৬ নং নিলহ্মীয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী দুইজন নারী প্রার্থী।
একজন জহুরা বেগম বকশীগঞ্জ উপজেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি ও আর একজন জেলা যুব মহিলা লীগের সম্মানিত সদস্য মেহজাবিন বিনতে হাসিব।
তাদের দুজনেই সকলের দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন।
কেনো করবেন না সমর্থন বলতে পারেন???
নারী মা,নারী বোন,নারী স্রী,নারী মেয়ে।
এই প্রত্যেকটা সম্পর্কই কিন্তু খুব মধুর এবং একমাত্র সুসংবদ্ধ।
একটা নারী জন্ম থেকেই ছাড় দিতে দিতে বড় হয়।ছাড় দেওয়া নৈতিক দায়িত্ব এটা এই নিষ্ঠুর পুরুষ শাসিত সমাজ একটা নারীকে শিখিয়েই ছাড়ে এবং অভ্যাসে পরিণত করে।
এই একচোখা পানা ব্যবস্থার মধ্য থেকে যারা হাজারোও নারীদের জন্য নিজেদের অধিকার চেয়ে মাথা তুলতে চাইছে তাদের কেনো সমর্থন দেবেন না।
ধিক্কার জানাই সেই সমস্ত কুলাঙ্গার কাপুরুষের দল দের ।যারা মেয়েদের নারীদের পদোন্নতি,নারীদের জয়ে হিংসা করে, ঈর্ষান্বিত হয়ে স্থান,কাল এবং কি তাদের ঘরেও যে নারীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য, বিশেষ করে তাদের যে কোনো নারীর গর্ভে জন্ম হয়েছে সেটা ভুলে নারীদের নামে কুৎসা রটায়।
ধিক্কার জানাই সেই ঘৃনণীত কাপুরুষদের প্রতি যারা নিজেদের সহকর্মীকে সহকর্মী বা ছোট,বড় বোন না ভেবে নোংরা চোখে তাকায় আর দোষ দেয় তাদের কর্ম জীবনকে।
আজকের সমাজের পুরুষদের মানসিকতা এতোটাই নিচে নেমে গেছে যে,নিজের ঔরোশজাত মেয়েকে বা সহোদর বোনকে নিয়ে কোথাও বের হলেও পুরুষেরাই কটুক্তি করে।
একটা মেয়ে তার কর্মদক্ষতার জোরে কোথাও পদোন্নতি হলে বা কোথাও নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেলে কাপুরুষের দল নিজের অবস্থান ভুলে ঐ নারীকে সমাজে ছোট করতে, বাজে প্রমাণ করতে নিজে যে কোথায় পৌঁছে যায় তার হিসাব রাখেনা।
আমার কথাগুলো যার বা যেই লোকেদের গাঁয়ে লাগবে তারাই প্রকৃত কাপুরুষ।
মনুষ্যত্বহীন কাপুরুষের দল সাবধান হয়ে যাও।নারীদেরকে বারবার চরিত্রহীন,বাজে,নষ্টা এসব অহেতুক প্রমাণ করার বৃথা চেষ্টা বন্ধ করো।
আজ কিসের এতো ভয়? নারীদের দমিয়ে রাখার চেষ্টা? শিক্ষিত সমাজের আবর্জনা তোমরা,যারা নারীদের ঘর থেকে বের হতে দেখলেই হিংস্বাত্নক হয়ে পড়ো।
নারীরা কোনো ভাবেই পুরুষের প্রতিদ্বন্দী নয়।
ভন্ড হয়ে সাহেবের মুখোশ পড়ে ঘুরে না বেরিয়ে নারীদেরকে নোংরা চোখে না দেখে নিজেদের মানসিকতার পরিবর্তনের চেষ্টা করো,এখনোও সময় আছে। মাইক ধরলেই বলবা সহযোদ্ধা,নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তির অভাব নাই,সুযোগ পেলেই বলবা নষ্টা,চরিত্রহীন। এটা কেমন মুখোশ।
নিজে দায়িত্ব নিয়ে সবার কাছে বদনাম করার আগে স্ব স্ব অবস্থান টা স্মরণ করো।
কাপুরুষদের দল হুঁশিয়ার নারী শক্তির বিরুদ্ধে যেওনা। নারীকে অসম্মান করোনা।সময় কিন্তু ঘণিয়ে এসেছে,লেজ গুটিয়ে পালাবার।
যেই দেশের প্রধান মন্ত্রী নারী সেই দেশের নারীদের অসম্মান করে তারই আদর্শের জয়গান বুকে ধারণ না করে মুখে আওড়ে যাবে তা আর হবেনা।
আমরা মুক্তিযোদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, আমরা মুজিবের আদর্শ নিয়ে চলতে ভালোবাসি তাহলে কেনো এই অন্যায় অবিচার।
নারীরা সম্মান পাবার যোগ্য, সে যেই অবস্থানেই থাকুক। কাপুরুষের দল সাবধান! সাবধান! সাবধান!
সর্বস্তরের নারীরা একত্রিত হয়ে আমরা নিজেদের আত্মসম্মান রহ্মার জন্য পথে নামতে আর অপশক্তির বিষ দাঁত ভাঙ্গতে বিন্দু পরিমাণ দ্বিধা বোধ করবো না।
নারী শক্তির জয় সুনিশ্চিত।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102