শুক্রবার, ০৭ মে ২০২১, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :

হাই কোর্টেও বিফল বাবুল চিশতী, থাকতে হচ্ছে কারাগারেই

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৭ জুলাই, ২০১৮
  • ১১০৯ জন সংবাদটি পড়ছেন

অনলাইন ডেস্কঃ নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে হাই কোর্টে গিয়েও বিফল হলেন ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতীর আইনজীবীরা। সুত্র ঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম ও বিডিনিউজ

ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় তার জামিন প্রশ্নে এর আগে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছে হাই কোর্ট।

বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাই কোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এ রায় দেয়।




আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

আদেশের পরে খুরশীদ আলম খান বলেন, “রুল শুনানি শেষে বিচারকরা বলেছেন, গ্র্যাভিটি অব দ্য অফেন্স (অপরাধের মাত্রা) বিবেচনা করে আদালত তার জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন।”

দুদকের এ আইনজীবী বলেন, বাবুল চিশতীর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং এবং অর্থ স্থানান্তরের ‘সুষ্পষ্ট অভিযোগ’ রয়েছে।

“আর এ মামলাটি খুবই সেনসেটিভ… যেখানে একটি ব্যাংককে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এই ধ্বংসের পেছনে চিশতীর বিরুদ্ধে অর্থপাচারসহ সুষ্পষ্ট অভিযোগ রয়েছে। ফলে তিনি জামিন পেতে পারেন না। আদালত আমাদের যুক্তি বিবেচনায় নিয়েছেন বলেই জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল খারিজ করে রায় দিয়েছেন।”

গত ১০ এপ্রিল রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে বাবুল চিশতীকে গ্রেপ্তার করে দুদক। এর আগে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করে দুদক।




মামলার এজাহারে বলা হয়, ফারমার্স ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে মাধ্যমে ব্যাংকিং নিয়মের তোয়াক্কা না করে বাবুল চিশতী ব্যাংকটির গুলশান শাখায় একটি সঞ্চয়ী হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা ও উত্তোলন করেন।

এরপর বিভিন্ন সময়ে বাবুল চিশতী তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়েদের ও তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন শাখায় থাকা মোট ২৫টি হিসাবে অর্থ নগদ ও পে অর্ডারের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় ১৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪২ টাকার ‘সন্দেহজনক’ লেনদেন করেছেন।

গত ৩ এপ্রিল ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক ও তার স্ত্রীসহ ১৭ জনের বিদেশ যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে দুদক।

ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কামরুল হোসেন মোল্লা গত ২৯ মে বাবুল চিশতির জামিন আবেদনের উপর শুনানি করে তা নাকচ করে দেন। এর বিরুদ্ধে হাই কোর্টে রিট করেন চিশতী।

গত ৬ জুন বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের হাই কোর্ট বেঞ্চ ওই আবেদন শুনে বাবুল চিশতীর জামিন প্রশ্নে রুল জারি করে। কেন তাকে জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল ওই রুলে।

সেই রুলের ওপর শুনানি করে আদালত বৃহস্পতিবার তা খারিজ করে দেওয়ায় ফারমার্স ব্যাংকের অডিট কমিটির সাবেক এই চেয়ারম্যানকে আপাতত কারাগারেই থাকতে হচ্ছে।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102