রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে ঘর পেল ১৪২জন গৃহহীন জামালপুরে ১৪৭৮ গৃহহীন ও ভূমিহীন পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার বকশীগঞ্জের সাহসের প্রতীক ইউএনও মুনমুন জাহান লিজা প্রধানমন্ত্রী ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে জামালপুরের ডিসির সংবাদ সম্মেলন বকশীগঞ্জে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আপন ভাইদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন বকশীগঞ্জে ধর্ষনের শিকার পোষাক শ্রমিক, ধর্ষক আটক বকশীগঞ্জে যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির ওষুধ তৈরী ও বিক্রির দায়ে ১ জনের জেল শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বকশীগঞ্জ পৌর মানবাধিকার কমিশনের কমিটি অনুমোদন বকশীগঞ্জে বাংলাদেশ সেল ফোন রিপেয়ার ট্যাকনেশিয়ান এসোসিয়েশনের পরিচিতি সভা

বাবুল চিশতি কারাগারে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৮
  • ২০৬৬ জন সংবাদটি পড়ছেন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রায় ১৬০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৬এপ্রিল) ঢাকা মহানগর হাকিম দেলোয়ার হোসাইন জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

দু’দফায় সাত দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার বাবুল চিশতীকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম।

বাবুল চিশতীর পক্ষে মাহফুজ মিয়াসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। দুদকের আইনজীবী মোহাম্মদ আবুল হোসেন জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ১০ এপ্রিল বাবুল চিশতির পাঁচ দিন ও ১৯ এপ্রিল দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

উল্লেখ্য, গত ১০ এপ্রিল দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে বাবুল চিশতীকে গ্রেপ্তার করে দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলমের নেতৃত্বাধীন একটি দল। এর আগে ওইদিনই রাজধানীর গুলশান থানায় ছয়জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করে দুদক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ব্যাংকের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মাহবুবুল হক চিশতী গুলশান শাখায় সঞ্চয়ী হিসাব খুলে বিপুল পরিমাণ অর্থ নগদে ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে জমা ও উত্তোলন করেছেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়েদের ও তাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন শাখার মোট ২৫টি হিসাবে বেশিরভাগ অর্থ নগদ ও পে-অর্ডারের মাধ্যমে মোট ১৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪২ টাকা সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।

হিসাবগুলোতে গ্রাহকদের হিসাব থেকে পাঠানো অর্থ স্থানান্তর, হস্তান্তর ও লেয়ারিং-এর মাধ্যমে গ্রহণ করে এবং নিজেদের নামে ক্রয়কৃত ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন করে মানিল্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। তাই আসামিদের বিরুদ্ধে দুদক মামলা দায়ের করেছেন।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102