শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে বাংলাদেশ সেল ফোন রিপেয়ার ট্যাকনেশিয়ান এসোসিয়েশনের পরিচিতি সভা কামালপুর ইউনিয়নে মানবাধিকার কমিশনের কমিটির অনুমোদন বকশীগঞ্জে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ২টি বাল্য বিয়ে পন্ড, কনের বাবার জরিমানা বকশীগঞ্জে ট্রাকের চাপায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের মৃত্যু বকশীগঞ্জে বিট পুলিশিং সচেতনতায় পথসভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে ফেব্রুয়ারীতেই পাচ্ছে করোনার টিকা নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে সবার সহযোগিতা চাই.. মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বকশীগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশ বকশীগঞ্জে মুজিববর্ষকে স্মরণীয় রাখতে বৃক্ষ স্মারক রোপণ বকশীগঞ্জে বাংলাদেশ সেল ফোন রিপেয়ার ট্যাকনেশিয়ান এসোসিয়েশনের আলোচনা সভা

বকশীগঞ্জে গ্রাহকদের আস্থা ও বিশ্বাসের নাম স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ, ২০১৮
  • ১৪১৭ জন সংবাদটি পড়ছেন

গোলাম রাব্বানী নাদিম ঃ সারা দেশের মানুষ যখন বেসরকারী ব্যাংকের উপর আস্থা হারিয়ে এসব ব্যাংকগুলি থেকে টাকা তুলেতে ব্যস্ত ঠিক তখনি গ্রাহক সেবা ও কর্মকর্তা/কর্মচারীদের আচারণে সন্তুষ্ট হয়ে ছুটছে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের দিকে।
অর্থনৈতিক চরম মন্দার মধ্যে থেকেও বিগত ২ মাসে ব্যাংক ২০ লক্ষাধীক টাকা আয় করেছে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, বকশীগঞ্জ শাখা । এভাবে চলতে থাকলে বছর শেষে ১কোটি টাকা লাভ করবে বলে আশা করেন ব্যাংকটির ব্যবস্থাপক আকতার হোসেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক জামালপুরের বকশীগঞ্জ শাখায় গিয়ে দেখা যায় লম্বা লাইন। বেশ কিছুদিন যাবত কোন বেসরকারী ব্যাংকের এ ধরনের লম্বা লাইন একে বারেই বিরল।
পরে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ব্যবস্থাপক আকতার হোসেনের নিকট তথ্য চাইলে মাত্র ৩ মিনিট সময় নিয়ে দিলেন ব্যাংকের সমস্ত তথ্য।
ব্যাংক ব্যবস্থাপক আকতার হোসেন সরবরাহ কৃত তথ্যে জানা যায়, ২০১২ সালে ব্যাংক প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে এই ব্যাংক এখন পর্যন্ত কোন ক্ষতির সম্মুখিন হয়নি। প্রতিবছরই এ শাখা থেকে মোটা অংকের টাকা লাভ হয়েছে।
গত ৩ বছরে ২০১৫ সালে ২০ লক্ষ, ২০১৬ সালে ৪৫ লক্ষ, ২০১৭ সালে ৬৪ লক্ষ টাকা লাভ হয়েছে। ২০১৮ সালের প্রথম দু মাসেই প্রায় ২০ লক্ষ টাকা লাভ হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে বছর শেষে কোটি টাকা ছড়িয়ে যাবে।
ব্যাংকটির বকশীগঞ্জ শাখার বর্তমান গ্রাহক সংখ্যা প্রায় নয় হাজার। এর মধ্যে সঞ্চয়ী গ্রাহক সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ হাজার। সঞ্চয়ী গ্রাহকের জমানতে পরিমান প্রায় ২৮কোটি টাকা। চলতি হিসাবের গ্রাহক সংখ্যা সাড়ে ৩ হাজার। এছাড়া অন্যান্য হিসাবে আরও হাজার খানেক গ্রাহক রয়েছেন।
এ পর্যন্ত ৩ শত জনের মাঝে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণকৃত ঋণের পরিমান সাড়ে ২২ কোটি টাকা।
এর মধ্যে ব্যাবসায়িক ঋণের পরিমান ১৮ কোটি, মৌসুমী কৃষি ঋণ ৫০ লক্ষ, মৎস ঋণ ২০ লক্ষ, পল্টি খামার ২৫ লক্ষ, ক্ষুদ্র ঋণ ১০ লক্ষ, কন্যুজুমার ঋণ ৩০ লক্ষ টাকা।
গ্রাহক হিসাবে খেলাপী ঋণের পরিমান ০.০৩%। আর টাকার অংকে ২% ভাগ। মোট হিসাবে ঋণ খেলাপীর টাকার পরিমান ১ কোটি।
এ পর্যন্ত এ শাখার মাত্র ২জন গ্রাহক ঋণ খেলাপী হয়েছেন। এদের ব্যাপারে ইতিমধ্যই আদালতে মামলাও হয়েছে।
অর্থনৈতির পাশাপাশি ব্যাংকটি সামাজিকভাবে সমাজের অবহেলিত মানুষের সেবা করে আসছে। প্রতিবছরেই কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে উপ-বৃত্তি ও দুঃস্থ অসহায় মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করে থাকে।
১০জন স্টাফ নিয়ে ব্যাংকটি পরিচালিত হয়ে আসছে। এর মধ্যে ব্যবস্থাপক ১জন, সহকারী ব্যাবস্থাপক-১জন, জেনারেল ব্যাংকিং এ -১জন, ক্যাশ কাউন্টারে-২জন, ঋণ বিতরণে-১ জন, নিরাপত্তা প্রহরী-২ জন ও অফিস পিয়ন পদে ১জন কর্মরত রয়েছেন।
এত অল্প পরিশেষে বা আস্থাহীন ব্যাংক খাতে এত সাফল্যের কারণ জানতে চাইলে ব্যাংকের ব্যবস্থাপক বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী ব্যাংক পরিচালনা করলে কোন ব্যাংকই দেওলিয়া হবে না, বরং উত্তরাত্তর প্রতিটি ব্যাংকের উন্নতি হবে।
ব্যাংক খেলাপী বিষয়ে বলেন, ঋণ বিতরণে অনিয়ম, কমিশন খেয়ে অযোগ্যদের ঋণ দিলে এসব ঋণের টাকা উত্তোলনে সমস্যা হয়। ফলে ঋণ খেলাপী হয়।
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের সেবা নিয়েও সাধারন গ্রাহক সন্তুষ্ট। টাকা জমা দিতে আসা সাইফুল ইসলামের কাছে জানাতে চাইলে তিনি জানান, ব্যাংকের ব্যবস্থাপকসহ সকল কর্মকর্তা আচারণ খুবই ভাল। সম্প্রতি অন্যান্য বেসরকারী ব্যাংক কেলেংকারীর কারণে আমি ৮ লক্ষ টাকা তুলে নিজের কাছে রেখে দিয়েছিল কিন্তুস্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের কর্মকর্তার আচারণে খুশি হয়ে আবার রেখে দিচ্ছি।
অপর গ্রহক জানান, যখন এসেছি এই স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক থেকে তখনই টাকা তুলতে পেরেছি। তাই এখন ব্যাংকেই টাকা রেখে দিচ্ছি।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102