বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১, ০২:৫১ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আপন ভাইদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন বকশীগঞ্জে ধর্ষনের শিকার পোষাক শ্রমিক, ধর্ষক আটক বকশীগঞ্জে যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির ওষুধ তৈরী ও বিক্রির দায়ে ১ জনের জেল শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বকশীগঞ্জ পৌর মানবাধিকার কমিশনের কমিটি অনুমোদন বকশীগঞ্জে বাংলাদেশ সেল ফোন রিপেয়ার ট্যাকনেশিয়ান এসোসিয়েশনের পরিচিতি সভা কামালপুর ইউনিয়নে মানবাধিকার কমিশনের কমিটির অনুমোদন বকশীগঞ্জে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ২টি বাল্য বিয়ে পন্ড, কনের বাবার জরিমানা বকশীগঞ্জে ট্রাকের চাপায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের মৃত্যু বকশীগঞ্জে বিট পুলিশিং সচেতনতায় পথসভা অনুষ্ঠিত

অসহায় হাতি। প্রশাসনের সাহায্য দরকার

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৭ জুলাই, ২০১৭
  • ৯৯৬ জন সংবাদটি পড়ছেন

এডভোকেট আনিসুজ্জামান আনিসঃ

আচ্ছা বলুন তো হাতি বিচরন করে কোথায় ?জানি সবাই বলবেন বনে।
তাহলে বন্য প্রানী হাতির পাল গ্রামে কেন?
বন্ধুরা,সপ্তাহ হল বেশ তোলপার।হাতি এসেছে।বকশীগঞ্জ উপজেলা,পার্শ্ববর্তী উপজেলা শ্রীবরদি,দেওয়ানগঞ্জ। জামালপুর ও শেরপুর জেলা হতে প্রতিদিন শতশত মানুষ বিনাপয়সায় হাতি দেখতে আসে। ইউ এন ও সাহেব আসে, চেয়ারম্যানের পরিষদ বর্গ, বনবিভাগের সাধু অসাধু কর্তাব্যক্তি গন আসে। হাতির দ্বারা ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সামান্য কিছু অর্থ বিতরন। কেউ পেয়ে হাসে কেউ না পেয়ে কাঁদে।
হাতিরা বেশীর ভাগ আমার গ্রাম সাতানীপারা, যদুর চর ও লাউচাপরা বেশী আসে।
গত শুক্রবার দিন শেষে নিজ গ্রামে গেলাম হাতি দেখার জন্য।
দার্জিলিং এ টাইগারহিলে উঠে কানচনজংঘা দেখার জন্য সূর্য উঠার প্রতিক্ষায় যেমন থাকে পর্যটকের চোখ, তেমনি আমি ও কয়েকজন সংগি।রাত নামার সাথে সাথেই হাতির আগমন আমার গ্রামের এক পাশে।
হাতি আক্রমণের আগেই শুরু হল শতশত মানুষের আক্রমন। বর্ষা, বাঁশের ফলা, তীর,আগুনে গরম করা লোহার ফলা নিক্ষেপ করে করে হাতি গুলোকে একের পর এক আহত করছে দু পা ওয়ালারা।
মশালের আলোতে খুব কাছ থেকে দেখলাম।
এত অত্যাচারের পরও গেল না। আমার কাছে মনে হল খুব ক্ষুধার্ত হাতি গুলো।
কাছেই ক্ষুধার্ত হাতিরা বিঘা ক্ষানি জমির ধান ক্ষেয়ে ফিরে গেল। এরই মাঝে সময় পেরিয়ে গেল তিন ঘন্টার মত। আগের দিন অবশ্য পাহাড়ের কাছে ৪/৫টি ঘরের ক্ষতি করেছে।
আমার লেখার শুরুটা অসহায় হাতির শিরোনামে।
এ বন আমার কিশোর বেলার
এ বন আমার শিশু কালের
এ বন আমার শেষ বেলার।
এক সময় এ বনে ছিল বাঘ.বন বিড়াল,হরিন,বন মোরগ,বুনো শুয়োর,বানর,
হনুমান এ সব ছিল ঝাঁকে ঝাঁকে।
নানা রকম পাহাড়ী ফল ছিল।যা বিক্রি করত পাহাড়ীরা। আজ এর একটিও নাই।
পাহাড়,বন আজ মানুষের দখলে।বনে শত শত মানুষের ঘর। পাহাড় কেটে বসতি গরছে মানুষ।পাচার হচ্ছে পাহাড়ী গাছ।
উপরের পিচিচ প্রানী গুলো প্রতিবাদ করতে পারনি,পারেনি যুদ্ধ করে বাঁচতে তাই তারা শেষ।
হাতি গুলো বাঁচতে চায়।তাদের জায়গায় তাদের থাকতে দিন।তাদের বেদখল বন কে তাদের ফিরিয়ে দিন। দু পায়া মানুষের কাছ থেকে পাহাড় /বন কে রক্ষা করুন।
প্রশাসনের কর্তা গন একবার বনে গিয়ে দেখুন
হাতি গ্রামে আগে এল না মানুষ বনে আগে গেল।
বিবেক হীন মানুষ গুলোর কথাও ভাবুন,
আল্লাহর সৃষ্টি অসহায় হাতির কথাও একবার
ভাবুন।
এ দায়িত্যও আপনাদের।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102