বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জের, থানায় চাঁদাবাজীর অভিযোগ করল আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য বকশীগঞ্জে রহস্য উদঘাটন করলেন ওসি, জিজ্ঞাসাবাদে জানালো সে বাংলাদেশী বকশীগঞ্জে এসডিজি নীতিমালা বাস্তবায়ন ও প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে জনতার হাতে আটক ভারতীয় নাগরিককে উদ্ধার করল পুলিশ বকশীগঞ্জে কর্মরত পুলিশ কনেস্টবল নিজামের অর্থে ১ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার বকশীগঞ্জে দিনমজুর সেজে গণধর্ষন মামলার আসামী গ্রেফতার করল পুলিশ বকশীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই ইউনিটের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত বকশীগঞ্জে শ্বশুর ও দেবরের নির্যাতনে মৃত্যু শয্যায় গৃহবধু বকশীগঞ্জে নারীসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক ৬ দফা দিবসে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জামালপুরে কালোবাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে ট্রেনের টিকিট!

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ জুন, ২০১৭
  • ৮২৪ জন সংবাদটি পড়ছেন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ জামালপুর রেলস্টেশনে ট্রেনের টিকিট বিক্রিতে ব্যাপক কালোবাজারির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন স্টেশনের অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) অসাধু সদস্যরাও।
যাত্রীরা বলেন, জামালপুরে আসন বরাদ্দ কম থাকায় টিকিট কালোবাজারি চক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। তারা চড়া দামে প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ্যে টিকিট বিক্রি করছেন। রেল-সংশ্লিষ্টদের টিকিটের প্রকারভেদে চক্রটি প্রতিটি টিকিটে ৫০ থেকে ৫০০ টাকা করে বেশি দাম নেন।
কয়েকজন যাত্রী বলেন, স্টেশনের কাউন্টারে গেলে বেশির ভাগ সময়ই আন্তনগর ট্রেনের টিকিট পাওয়া যায় না। সাধারণ মানুষ শোভন ছাড়া কোনো শ্রেণির টিকিট পায় না। প্রথম শ্রেণি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) ও শোভন চেয়ারের অধিকাংশ টিকিট কালোবাজারিদের হাতে চলে যায়। স্টেশন মাস্টারসহ সব শ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও জিআরপির সদস্যদের যোগসাজশে কালোবাজারিরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। প্ল্যাটফর্মের একাধিক পানের দোকান ও হোটেলেও মিলছে টিকিট। এসির টিকিট ৩৬৮ টাকার স্থলে কালোবাজারিরা ৮০০ থেকে ১ হাজার, শোভন চেয়ার ১৯০ টাকার স্থলে ৩৫০, প্রথম শ্রেণির টিকিট ২৫৫ টাকার স্থলে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন চারটি আন্তনগর ট্রেনের ৬১২ টিকিটের মধ্যে প্রায় ২০০ টিকিট কালোবাজারিদের হাতে যাচ্ছে।
গত শনিবার ঢাকার ব্যবসায়ী ও জামালপুর শহরের মুকুন্দবাড়ী এলাকার মামুন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রতিটি ট্রেনের টিকিট দশ দিন আগে দেওয়া হয়। এ সুযোগে স্টেশনের অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কালোবাজারিদের হাতে টিকিট তুলে দিচ্ছেন। কালোবাজারিদের হাতে ট্রেন ছাড়ার এক ঘণ্টা আগেও টিকিট পাওয়া যায়। আজ সকালে আন্তনগর তিস্তা এক্সপ্রেসের একটি এসি টিকিট একজন কালোবাজারির কাছ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হলো।’
এ বিষয়ে স্টেশনমাস্টার মির্জা মো. শামছুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্টেশনের কেউ টিকিট কালোবাজারিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন। কালোবাজারিরা লোকজনকে লাইনে দাঁড় করিয়ে টিকিট কেটে নেন। এসব টিকিট তাঁরা বেশি দামে বিক্রি করে থাকতে পারেন। বিষয়টি জিআরপি পুলিশ দেখার কথা। টিকিট কালোবাজারি বন্ধ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব। তবে স্টেশনের কেউ জড়িত থাকার বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
জামালপুর জিআরপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসিরুল ইসলাম বলেন, ‘টিকিট কালোবাজারি চক্রের সঙ্গে আমাদের যোগসূত্র নেই।’ প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ্যে টিকিট বিক্রি করলেও পুলিশ ধরে না কেন—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘রমজান মাসের জন্য স্টেশনে অভিযান চালানো হচ্ছে না। তবে এখন অভিযান হবে।’

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102