বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English

১ বছরে ১৪১জন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০১৭
  • ৭০০ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টার। গত এক বছরে নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন ১৪১ জন সাংবাদিক। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রকাশনা কর্মীসহ ১৪৭টি ইস্যুতে মোট ৩২০টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় আইন বহির্ভূত গ্রেফতার, মানহানি, হয়রানিমূলক মামলা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন ৩৯ শতাংশ।  বুধবার (৩ মে) আর্টিকেল ১৯ বাংলাদেশে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০১৭’ উপলক্ষে ‘সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকর্মীদের পেশাগত ঝুঁকি’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত এক বছরে (২০১৬) সাংবাদিক ও সামাজিক মাধ্যমকর্মীদের ওপর উগ্রপন্থীদের আক্রমণের হার আগের বছরের (২০১৫) তুলনায় বেশি ছিল।
নির্যাতনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, শারীরিক আঘাতজনিত ঘটনা ছিল ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ। পেশাসংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ক্ষতি হয়েছিল ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ। এসব ঘটনার মধ্যে হুমকি ও অপহরণ সংক্রান্ত ঘটনা ছিল ১৫ শতাংশ এবং গ্রেফতার ও পুলিশ রিমান্ডজনিত ঘটনা ছিল ৭ দশমিক ২ শতাংশ। এছাড়া গত বছর মোট ৪টি নারী ইস্যু সংক্রান্ত ঘটনা ঘটে। যা মোট হিসাবের ১ দশমিক ৩ শতাংশ।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত বছর মত প্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল আইন বহির্ভূত হয়রানি ও গ্রেফতার। এ বছর বিভিন্ন  আইন সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকর্মীদের পেশাগত অবদমনের ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে কাজ করছে।

বিগত তিন বছরের তুলনায় ফৌজদারি মানহানি সংক্রান্ত মামলা গত বছরে এসে সাতগুণ বেড়ে যায়। ২০১৬ সালে এ সংক্রান্ত ঘটনা ছিল মোট ৭৮টি। যা ২০১৪ সালে ছিল মাত্র ১০টি।

কর্মরত সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকর্মীদের ক্যামেরা,  ল্যাপটপ, মোবাইল ভাঙচুরের প্রবণতা ও হার বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ছিল। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ, দুর্নীতি, বাল্যবিবাহ ও স্পর্শকাতর রাজনৈতিক বিষয়ের ছবি ও ফুটেজ সংগ্রহে সাংবাদিকরা নিরুৎসাহিত হয়েছেন।

আর্টিকেল ১৯ এর পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ঢাকার তুলনায় মফস্বলে সংবাদ মাধ্যমকর্মীদের পেশাগত ঝুঁকি বেশি। সংবাদ মাধ্যম প্রতিষ্ঠানে নারী সাংবাদিকদের প্রতি নির্যাতন ও বৈষম্য ২০১৬ সালেও অব্যাহত ছিল উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদনে কোনও পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়।

আর্টিকেল ১৯-এর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক তাহমিনা রহমান সংবাদ মাধ্যম সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয়ে জোরালো উদ্যোগ নিতে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102