রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০২:২২ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে ঘর পেল ১৪২জন গৃহহীন জামালপুরে ১৪৭৮ গৃহহীন ও ভূমিহীন পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার বকশীগঞ্জের সাহসের প্রতীক ইউএনও মুনমুন জাহান লিজা প্রধানমন্ত্রী ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে জামালপুরের ডিসির সংবাদ সম্মেলন বকশীগঞ্জে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আপন ভাইদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন বকশীগঞ্জে ধর্ষনের শিকার পোষাক শ্রমিক, ধর্ষক আটক বকশীগঞ্জে যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির ওষুধ তৈরী ও বিক্রির দায়ে ১ জনের জেল শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বকশীগঞ্জ পৌর মানবাধিকার কমিশনের কমিটি অনুমোদন বকশীগঞ্জে বাংলাদেশ সেল ফোন রিপেয়ার ট্যাকনেশিয়ান এসোসিয়েশনের পরিচিতি সভা

১ বছরে ১৪১জন সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০১৭
  • ৫৯১ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টার। গত এক বছরে নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন ১৪১ জন সাংবাদিক। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও প্রকাশনা কর্মীসহ ১৪৭টি ইস্যুতে মোট ৩২০টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় আইন বহির্ভূত গ্রেফতার, মানহানি, হয়রানিমূলক মামলা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন ৩৯ শতাংশ।  বুধবার (৩ মে) আর্টিকেল ১৯ বাংলাদেশে ‘বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০১৭’ উপলক্ষে ‘সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকর্মীদের পেশাগত ঝুঁকি’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত এক বছরে (২০১৬) সাংবাদিক ও সামাজিক মাধ্যমকর্মীদের ওপর উগ্রপন্থীদের আক্রমণের হার আগের বছরের (২০১৫) তুলনায় বেশি ছিল।
নির্যাতনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রতিবেদনে বলা হয়, শারীরিক আঘাতজনিত ঘটনা ছিল ১৯ দশমিক ৪ শতাংশ। পেশাসংশ্লিষ্ট সরঞ্জামের ক্ষতি হয়েছিল ১৮ দশমিক ৪ শতাংশ। এসব ঘটনার মধ্যে হুমকি ও অপহরণ সংক্রান্ত ঘটনা ছিল ১৫ শতাংশ এবং গ্রেফতার ও পুলিশ রিমান্ডজনিত ঘটনা ছিল ৭ দশমিক ২ শতাংশ। এছাড়া গত বছর মোট ৪টি নারী ইস্যু সংক্রান্ত ঘটনা ঘটে। যা মোট হিসাবের ১ দশমিক ৩ শতাংশ।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, গত বছর মত প্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল আইন বহির্ভূত হয়রানি ও গ্রেফতার। এ বছর বিভিন্ন  আইন সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকর্মীদের পেশাগত অবদমনের ক্ষেত্রে বাধা হিসেবে কাজ করছে।

বিগত তিন বছরের তুলনায় ফৌজদারি মানহানি সংক্রান্ত মামলা গত বছরে এসে সাতগুণ বেড়ে যায়। ২০১৬ সালে এ সংক্রান্ত ঘটনা ছিল মোট ৭৮টি। যা ২০১৪ সালে ছিল মাত্র ১০টি।

কর্মরত সাংবাদিক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকর্মীদের ক্যামেরা,  ল্যাপটপ, মোবাইল ভাঙচুরের প্রবণতা ও হার বিগত বছরগুলোর তুলনায় অনেক বেশি ছিল। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ, দুর্নীতি, বাল্যবিবাহ ও স্পর্শকাতর রাজনৈতিক বিষয়ের ছবি ও ফুটেজ সংগ্রহে সাংবাদিকরা নিরুৎসাহিত হয়েছেন।

আর্টিকেল ১৯ এর পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ঢাকার তুলনায় মফস্বলে সংবাদ মাধ্যমকর্মীদের পেশাগত ঝুঁকি বেশি। সংবাদ মাধ্যম প্রতিষ্ঠানে নারী সাংবাদিকদের প্রতি নির্যাতন ও বৈষম্য ২০১৬ সালেও অব্যাহত ছিল উল্লেখ করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদনে কোনও পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়।

আর্টিকেল ১৯-এর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক তাহমিনা রহমান সংবাদ মাধ্যম সংশ্লিষ্ট কয়েকটি বিষয়ে জোরালো উদ্যোগ নিতে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102