মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১০:৩১ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English

বকশীগঞ্জে শিক্ষকদের ইএফটিতে তথ্য সংযোজনে টাকা আদায়

স্টাফ রিপোর্টার, বকশীগঞ্জ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৬৬৬ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ জামালপুরের বকশীগঞ্জে ইলেক্ট্রনিক্স ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) করার জন্য প্রতি শিক্ষকের নিকট হতে ১২০টাকা করে আদায় করারও অভিযৈাগ উঠেছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের  বিরুদ্ধে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বিভাগে অভিযোগ দেওয়ায় এক শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে স্মারক নং ৩৮.০১.০০০০.১৪৫.৯৯.০৬৪.২১.১৮৩ তারিখে অতিরিক্ত মহা পরিচালক সোহেল আহামেমদ স্বাক্ষরিত পরিপত্রে জানানো হয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগনের বেতন ভাতা ইএফটি এর মাধ্যমে প্রদানের জন্য আইবিএএস++ এ তাদের তথ্যসমুহ এন্ট্রির কাজ চলমান আছে। বিভিন্ন সুত্র মারফত জানা যায় যে, কোন কোন উপজেলা শিক্ষা অফিস ও শিক্ষক সমিতির নেতা পরিচয়ে কতিপয় ব্যক্তি তথ্য এন্ট্রির কাজের অনৈতিকভাবে  অর্থ লেনদেন করছেন। এহেন কর্মকান্ডে শিক্ষকদের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে।

এমতাবস্থায় শিক্ষকগণের তথ্য আইবিএএস++ এ এন্ট্রির কাজে কোন প্রকার অর্থ লেনদেন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করা হল।

কিন্তু এসব আদেশের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুল প্রদর্শন করে বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ৫জন শিক্ষক নিয়োগ করেছে।

শিক্ষা বিভাগের পরিপত্র

জানাযায়, বকশীগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষকদের বেতন অনলাইনে প্রদানের নিমিত্তে উপজেলার ৬২৮জন শিক্ষকের ইএফটি করার নির্দেশনা জারি করে শিক্ষা অফিস। এসব কাজ শিক্ষা অফিসের করার কথা থাকলেও উপজেলার বিভিন্ন স্কুলের ৫জন শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। নিয়োগকৃত শিক্ষকরা হলেন, নিয়োগকৃত শিক্ষকরা হলেন দড়িপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল্লাহেল বাকী, চালাকপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাহামুদুল হাসান, মোরাদাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল সাত্তার, বাট্টাজোড় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান ও খেওয়ারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম পলাশ।

নিয়মবহির্ভুতভাবে প্রতিটি শিক্ষকের নিকট থেকে ১২০ টাকা করে আদায় করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এসব শিক্ষককে শিক্ষা অফিসের অতি গোপনীয় পাসওয়ার্ড সরবরাহ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

তবে শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি নিয়োগকৃত শিক্ষকরা স্বীকার করলেও টাকা নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা সহাকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বর্ণজিত জানান, ইএফটির কাজটি দ্রুত সম্পাদন করার জন্য তথ্য প্রযুক্তিতে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। টাকা আদায়ের বিষয়টি তিনি জানেন না।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রশিদা বেগমকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

 

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102