শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English

জামালপুরে মূর্তিমান আতঙ্কের নাম ভূমিদস্যু জীবন” শিরোনামে প্রতিবেদনের প্রতিবাদ

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০
  • ৯০৮ জন সংবাদটি পড়ছেন

জামালপুরঃ জামালপুরে মূর্তিমান আতঙ্কের নাম ভূমিদস্যু জীবন” শিরোনামে প্রতিবেদনের প্রতিবাদ করেছেন এমদাদুল হক জীবন।

লিখিত প্রতিবাদে জীবন লেখেন, গত ৩ নভেম্বর ২০২০ ইং তারিখে “সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ” নামীয় পত্রিকার অনলাইন ভার্সনে আমার নামে “জামালপুরে মূর্তিমান আতঙ্কের নাম ভূমিদস্যু জীবন” শিরোনামে প্রতিবেদনসহ “বাংলাদেশ জার্নাল” “পূর্বপশ্চিম বিডি ডটকম” এবং বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকায় ভিন্ন ভিন্ন শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনটি আমার কতিপয় শুভাকাঙ্খীর মাধ্যমে আমার দৃষ্টিগোচর হয়। প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি এধরনের মানহানিকর মিথ্যা প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি দীর্ঘদিন ধরে জামালপুরে সুনামের সাথে বিভিন্ন ব্যবসা পরিচালনা করে আসার পাশাপাশি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। কোন কূচক্রী মহল আমাকে ব্যবসায়ীকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও সামাজিকভাবে আমার সুনামকে নষ্ট করার জন্য উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে এ ধরণের সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। আমার সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ের মিথ্যাচারের জবাব দেয়ার আগে আমার বিরুদ্ধে ভূমি সংক্রান্ত যে অভিযোগ করা হয়েছে তার প্রতিত্তোরে আমার বক্তব্য নিন্মে প্রদান করা হলো-

প্রথমতঃ আমার বিরুদ্ধে জামালপুর শহরের কাচারীপাড়ার অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী সচিব মরহুম খলিলুর রহমানের স্ত্রী শিরিন রহমানের জবানিতে বলা হয়েছে,আমি শহরের মনিরাজপুরে শিরিন রহমানের ৭৬ শতাংশ জমির মধ্যে ২৪ শতাংশ জমি ১০ লাখ টাকা মূল্যে সাব কবলা করে নিয়েছি এবং একই দিনে ৫২ শতাংশ জমি ১০ লাখ টাকা পরিশোধ দেখিয়ে বায়নাপত্রে স্ব^াক্ষর নিয়েছি। এ কথা আদৌ সত্য নয়। প্রকৃত সত্য হচ্ছে – আমি বিগত ০৫.০৩.২০১২ ইং তারিখে শিরিন রহমানের স্বামী খলিলুর রহমানের স্বত্ব দখলীয় সিংহজানী মৌজার বি.আর.এস ৩৫৩২ (সংশোধিত খং -৬৩৬৯) দাগ নং- ১০৭৩৫ এর ৭৬১৯/১০০ শতাংশ জমির দক্ষিনাংশ থেকে ২৪ শতাংশ ভূমি ১০ লক্ষ টাকায় রেজিষ্ট্রি দলিলমূলে ক্রয় করি। একই দিনে উক্ত খলিলুর রহমান আমাকে দাগে তাহার অবশিষ্ট জমি কেনার প্রস্তাব দিলে সেই মুহূর্তে আমার কাছে নগদ টাকা না থাকায় বাকী ৫২ শতাংশ জমির মূল্য ৭২ লাখ টাকা স্থির করে তন্মধ্যে ১০ লাখ টাকা নগদ প্রদান করে এবং ৬২ লাখ টাকা বাকী রেখে ৩৩৩৬ নং রেজিষ্ট্রি বায়না চুক্তি করি। বায়না দলিলের শর্ত অনুসারে পরবর্তী ৩০/১২/২০১২ ইং তারিখের মধ্যে বাকী টাকা পরিশোধ করে জমি রেজিষ্ট্রি করে নেয়ার কথা। তৎপর খলিলুর রহমান সাহেব উক্ত জমির দখল আমার বরাবর হস্তান্তর করলে আমি নিচু জমি মাটি ভরাট করে চারিদিকে ৮ ফুট ইটের বাউন্ডারী ওয়াল দ্বারা বেষ্টন, পানি নিষ্কাশনের জন্য পাকা ড্রেন নির্মাণ ও বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য পিলার স্থাপন করি। এ কাজে আমার ১৭ লাখ টাকা ব্যয় হয়। আমি জমি রেজিষ্ট্রি করে নেয়ার জন্য বাকী টাকা সংগ্রহ করাবস্থায় জানতে পারি উক্ত জমি নিয়ে ৬৭/১০ অন্য প্রকার মেকাদ্দমাসহ একাধিক মামলা আদালতে বিচারাধীণ আছে। আমি খলিলুর রহমান সাহেবকে মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মামলা শেষ হওয়া পর্যন্ত আমাকে অপেক্ষা করতে বলেন। আমি নিজেও ঐ মামলা গুলোতে পক্ষভুক্ত হয়ে মামলা প্রতিদ্বন্ধিতা করাবস্থায় খলিলুর রহমান তার স্ত্রী শিরিন রহমান বরাবর অতি গোপনে বিগত ২০.০১.২০১৪ ইং তারিখে ১৯৪৮ নং আমমোক্তার দলিল রেজিষ্ট্রি করে দেন। শিরিন রহমান উক্ত আমমোক্তার নামা দলিলে ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে বিগত ০৯.০৫.২০১৬ ইং তারিখে ৬৬১৮ নং রেজিষ্ট্রি দলিল মূলে আমার সাথে বায়নাকৃত জমি জনৈক শামীম ও আল-মামুনের নিকট বিক্রি করে দেন। আমি বিভিন্ন ভাবে বিষয়টি জানতে পেরে খলিলুর রহমানের নিকট আমার বায়নার ১০ লাখ টাকা জমি সংস্কারের ১৭ লাখ টাকাসহ মোট ২৭ লাখ টাকা ফেরৎ চাই। কিন্ত তিনি আমার টাকা প্রদানে অস্বীকার করিলে আমি বাদী হয়ে বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ ১ম আদালতে ০২/২০১৬ টাকা মামলা দায়ের করি। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীণ আছে এবং খলিলুর রহমান সাহেব উক্ত মামলায় জবাব প্রদান করে বায়না বাবদ আমার নিকট থেকে ১০ লাখ টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। আমি মামলা করার বেশ কয়েক মাস পর খলিলুর রহমান সাহেব স্বয়ং মামলায় জবাব প্রদান করেছেন। অথচ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে মামলা করার খবর শুনে খলিলুর রহমান ষ্ট্রোক করেন এবং দুই মাসের মধ্যে না-কি মৃত্যুবরণ করেন।
দ্বিতীয়ত: জনৈকা মাসুমা হুসনীর অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে, আমার খপ্পরে পরে হয়রানীর শিকার হয়েছে তার মতো অনেকে। তার এতিম মেয়েদের মানুষ করার জন্য ২০১২ সালে ২৭ শতাংশ জমি বিক্রি করার জন্য আমার সাথে বায়না করে। পরে আমার পিতা ইউসুফ আলীর নামে সাব কবলা রেজিষ্ট্রি করে পুনরায় আমি না-কি ২০১৫ সালে বায়নাপত্র ভঙ্গের উকিল নোটিশ করেছি, ১৮ শতাংশ জমি গ্রাস করার জন্য ২০২০ সালে আমি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছি ইত্যাদি। মাসুমা হুসনীর উল্লেখিত সকল বক্তব্য মিথ্যা, বানোয়াট এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার মাত্র। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে- এই মাসুমা হুসনী তার স্বামী আইয়ুব আলীর মৃত্যুর পর স্বামীর ত্যজ্য সম্পত্তিতে তার নাবালিকা সন্তানদের অংশের সম্পত্তিতে অভিভাবক নিযুক্তির জন্য বিজ্ঞ আদালতে ১২১/০৮ ও ১২২/০৮ নং দুইটি মামলা করে তার সন্তানদের অভিভাবক নিযুক্ত হন। অতঃপর নাবালক সন্তানদের ভরণপোষণের জন্য তার স্বামীর ত্যজ্য ১.০৫১/২ একর ভূমি থেকে ৫৭ শতাংশ জমি ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকা মূল্য স্থির করে তন্মধ্যে ১০ লাখ টাকা নগদ গ্রহণ করে অবশিষ্ট ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা বাকী রেখে গত ১১.০৫.২০০৯ ইং তারিখে ৫৭৬৭ নং রেজিষ্ট্রি বায়না চুক্তি করেন। উক্ত বায়না চুক্তির শর্ত অনুসারে পরবর্তী ১১.০৫.২০১০ ইং তারিখের মধ্যে বাকী ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা গ্রহণ করে বায়নাকৃত ৫৭ শতাংশ জমি আমাকে রেজিষ্ট্রি দলিল করে হস্তান্তর করার কথা। কিন্তু উক্ত জমি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে ১৪০/০৮ অন্য প্রকার মামলা বিচারাধীণ ছিলো, বিষয়টি তিনি আমার কাছে গোপন করে বায়না চুক্তি করেন। আইনগত জটিলতার কারনে নির্দিষ্ট দিন তারিখের মধ্যে অর্থাৎ ১১.০৫.২০১০ ইং তারিখের মধ্যে জমি রেজিষ্ট্রি করে নেয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তিতে ১৪০/০৮ অন্য প্রকার মামলাটি নিষ্পত্তির পর আমাকে না জানিয়ে আমার সহিত বায়নাকৃত জমি অন্যত্র বিক্রয় করার প্রস্তুতি নেন। বিষয়টি আমি অবগত হয়ে মাসুমা হুসনীকে জিজ্ঞাসা করলে আমাকে আগের দামে জমি বিক্রয় করতে অস্বীকার করেন। বাধ্য হয়ে পুনরায় মাসুমা হুসনির সাথে ৫৭ শতাংশের পরিবর্তে ৪৪ শতাংশ জমি ২২ লাখ ৮০ হাজার টাকার পরিবর্তে ৪৮ লাখ ১০ হাজার টাকা অতিরিক্ত মূল্য স্থির করে তন্মধ্যে পূর্বের ১০ লাখ টাকা এবং নগদ ৩৮ লাখ টাকা গ্রহণ করে এবং ১০ হাজার টাকা বাকী রেখে ১৯.০৯.২০১২ ইং তারিখে ১৩১৭১ নং বায়না চুক্তি করি। মাসুমা হুসনি পরের বায়না চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ১৮.০৩.২০১৩ ইং তারিখের মধ্যে বাকী ১০ হাজার টাকা গ্রহণ করে জমি রেজিষ্ট্রি করে দেয়ার কথা। কিন্তু তিনি নানা তালবাহানা করে জমি রেজিষ্ট্রি করে না দেয়ায় তাকে বারবার উকিল নোটিশের মাধ্যমে তাগাদা দেয়া স্বত্বেও অদ্যবাধি তিনি জমি রেজিষ্ট্রি করে দেন নাই। বাধ্য হয়ে আমি বিজ্ঞ যুগ্ম জেলা জজ আদালতে ০১/২০১৮ টাকা মামলা দায়ের করে মাসুমা হুসনীর কাছ থেকে আমার পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
একই ঘটনা জামালপুর শহরের পাঁচরাস্তার মোড়ের রাহেলা খাতুনের। রাহেলা খাতুন, রাহেলা খাতুনের সহোদর বোন মাসুমা হুসনী ও মাসুমা হুসনীর নাবালিকা কণ্যাগণ বাদী হয়ে আমার পিতা ইউসুফ আলীসহ আমাকে এবং জনৈক ময়নাল হককে বিবাদী করে ২১৮/২০১৯ নং মামলা করেছে। মামলায় যে জমি দাবী করেছে সেই দাবীকৃত আরও.আর ৯০৬৮ নং দাগ, বি.আর.এস ১১০৭৮ নং দাগের জমির মধ্যে আমি বিগত ১৬.০৫.২০১১ ইং তারিখে ৬৪৫২ নং রেজিষ্ট্রি দলিল মুলে জমির বি.আর.এস রেকর্ডীয় মালিকের কন্যা আছমা আহম্মদের নিকট থেকে ০৭ শতাংশ জমি ক্রয় করি। রাহেলা খাতুনের সহোদর বোন মাসুমা হুসনীর নিকট থেকে ৩১.১২.২০১৩ ইং তারিখে একই দাগের ২৭ শতাংশ জমি আমার পিতা ইউসুফ আলী ক্রয় করেন। উক্ত দলিলে রাহেলা খাতুন সাক্ষী হিসাবে স্বাক্ষর প্রদান করেছেন। পরবর্তিতে ১৪০/০৮ নং মোকদ্দমায় দাখিলকৃত সোলেনামা মুলে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রির আদেশে ০৯ শতাংশ জমি প্রাপ্ত হয় ময়নাল হক। অতঃপর উক্ত ময়নাল হক বিগত ০১.০৩.২০১৬ ইং তারিখের ৩৪২৬ নং রেজিষ্ট্রি সাবকবলা দলিলমূলে ০৯ শতাংশ জমি আমাকে হস্তান্তর করায় বর্তমানে জমিতে আমি ও আমার পিতা ভোগ দখলে আছি। উল্লেখিত দলিল মূলে রাহেলা খাতুনের মামলার জমি সহ মোট ৪৩ শতাংশ জমি আমি ও আমার পিতা দীর্ঘদিন যাবৎ দখলে আছি। উল্লেøখিত জমিতে রাহেলা খাতুনের কোন প্রকার স্বত্ব স্বার্থ নাই। রাহেলা খাতুনের মামলায় আমরা জবাব দাখিল করে প্রতিদ্বন্ধিতা করছি। বিষয়টি এখন আদালতে বিচারাধীণ।
মাদারগঞ্জের কয়রা গ্রামের জান্নাতুল ফেরদৌস, এনামুল হক, আব্দুল কাইয়ুম পলাশ, মির্জা ফকরুজ্জমান, হেলালুল ইসলাম, মোহাম্মদ শাহজাহানদের নিকট থেকে আমি কোন জমি ক্রয়-বিক্রয় করি নাই, বা তাদের কোন জমি আমার দখলে নাই। তাদের সাথে আমার জমি জমা বা অন্য কোন বিষয়ে কোন প্রকার বিরোধও নাই। তাদের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি তারা কোন সাংবাদিক বা অন্য কারোও নিকট আমার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দেন নাই।
অতএব আমার উল্লেখিত বক্তব্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যারা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন প্রকারন্তে আমি নিজেই তাদের দ্বারা প্রতারণার শিকার হয়ে আদালতে বিচার প্রার্থী হয়েছি।
আমার বিরুদ্ধে কল্পকাহিনী বানিয়ে ভিত্তিহীন প্রতিবেদন পত্রিকায় প্রকাশ করা নিঃসন্দেহে উদ্দেশ্য প্রণোদিত। শুরুতেই প্রতিবেদনে আমাকে জামায়াত- বিএনপি’র লোক এমনকি আমাকে জঙ্গি সন্ত্রাসী বানাতেও প্রতিবেদক পিছপা হন নাই। শামসুল ইসলাম নামে জামায়াতের কোন জেলা আমিরকে আমি চিনি না। তাকে মোটর সাইকেলের পিছনে বসিয়ে ঘোরানোর কাহিনী সম্পূর্ণ মিথ্যা। সর্বোপরি আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, জামায়াত- শিবির বা বিএনপি’র রাজনীতির সাথে আমি কখনো জড়িত ছিলাম না। জঙ্গি সম্পৃক্তার প্রশ্নই উঠে না। আমার বিরুদ্ধে থানায় পূর্বে বা বর্তমানে কোন অভিযোগ আছে তার প্রমাণ দিলে আমি যে কোন শাস্তি মেনে নিতে রাজী আছি। আমি দীর্ঘদিন যাবৎ আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। বর্তমানে আমি জামালপুর জেলা যুবলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য। আমি যে এলাকায় বসবাস করি তা জামালপুর পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ডের অর্ন্তভুক্ত। আসন্ন ১১ নং ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে আমি নিজেকে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছি। আওয়ামী লীগ একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল। কাজেই আমার প্রতিদ্বন্ধি থাকবেই। আমার কতিপয় প্রতিদ্বন্ধি আমার সাথে সুস্থ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্ধিতায় না পেরে আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় করার জন্য যাদের সাথে আমার মামলা মোকদ্দমা আছে তাদের ব্যবহার করে এধরণের একটি মিথ্যা প্রতিবেদন তৈরী করেছে। আমার সাথে যাদের মামলা মোকদ্দমা রযেছে তারাও সুযোগ বুঝে আমাকে হেয় করার জন্য আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে এই মিথ্যা প্রতিবেদন করতে সহায়তা করেছে।
তাই আমি আমাকে নিয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধম্যে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ করছি। সেই সাথে উক্ত উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102