শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English

দেওয়ানগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানালেন অধ্যাপক সুরুজ্জামান

স্টাফ রিপোর্টার, বকশীগঞ্জ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২০
  • ২২৬ জন সংবাদটি পড়ছেন
জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাররামরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের শুধুমাত্র চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন ২৯ অক্টোবর’২০২০ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উক্ত উপনির্বাচনের প্রচার মিছিলে দুইপ্রার্থীর সমর্থকদের মাঝে ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী ও পাররামরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারন সম্পাদ আসাদুজ্জামান আল লেমনের নির্বাচনী অফিস ও অফিসে টাঙ্গানো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে ।
সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ গত বুধবার রাতে সংঘটিত ঐ ভাঙ্গচুরের ঘটনা সংশ্লিষ্ট দুইপক্ষই আওয়ামী লীগের লোক। কাজেই ছবি ভাংচুরের দায় তৃতীয় কোন পক্ষের উপর গড়িয়ে দেয়ার কোনই সুযোগ নেই। এই বিষয়ে লেমনের অভিযোগ তার প্রতিপক্ষ ফজলে রাব্বী জুয়েলের বিরুদ্ধে। কিন্তু অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলে রাব্বী জুয়েল সংবাদ মাধ্যমকে জানান, তাকে ফাঁসাতেই নিজের নির্বাচনী অফিস নিজে ভেঙ্গে ও অফিসে টাঙ্গানো ছবি নিজেরাই ভেঙ্গে অন্যের ঘাড়ে দোষ চাপাতে চাইছে লেমন। যদিও এই ছবি ভাঙ্গচুর নিয়ে কোন পক্ষই এখন পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের করেনি।
জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাংচুর নিয়ে আমার বক্তব্য খুবই সুস্পষ্ট। ঘটনার সাথে জড়িত পক্ষ দ্বয়ের উভয়ই আওয়ামী লীগের পদধারী নেতা। উভয়ের অভিযোগও পরস্পর বিরোধী। এতে খুবই সুস্পষ্ট যে,
এই ঘটনার সাথে তৃতীয় কোন পক্ষই জড়িত নেই। কাজেই ছবি ভাঙ্গচুরের ঘটনায় উভয় পক্ষের কেউই সন্দেহের উর্ধে নন। নিজেদের হীন স্বার্থ হাসিলের অসৎ উদ্দেশ্যে জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রী’র ছবি ভাঙ্গচুরের বিষয়টি কোন মতেই মেনে নেয়ার সুযোগ নেই। জাতির পিতা ও প্রধানমন্ত্রী’র ছবি ভাঙ্গচুরের পর আওয়ামী লীগের পরিচয় বহনকারী কারোরই আর দলে থাকার সুযোগ নেই। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একজন মাঠকর্মীর হিসাবে আমি ছবি ভাংচুরের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ঘটনা সংশ্লিষ্ট প্রকৃত দোষীদের শাস্স্তি দাবী করছি। একই সাথে দেওয়ানগন্জ উপজেলা আওয়ামী পরিবারের প্রতি আহবান উক্ত ঘটনার দলীয় তদন্তপূর্বক ঘটনা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নিন। এটি আপনাদের সাংগঠনিক দায়িত্বেরই অংশ। এই দায়িত্ব পালনে যে কোন রকম শিথিলতা কিন্তু নি:সন্দেহে জবাবদিহিতার মধ্যে পড়ে। এবং নি:সন্দেহে জবাবদিহি করতেও হবে।#
অধ্যাপক মো: সুরুজ্জামান
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
জামালপুর জেলা শাখা।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102