রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English

করোনায় বকশীগঞ্জে বেসরকারী ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক বন্ধ-১

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২০
  • ৪০৩ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ বকশীগঞ্জে করোনায় বিভিন্ন চিকিৎসালয়ে মাইকে প্রচার-প্রচারণা নেই। নেই কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের লিফলেট বিতরণ।
বিশেষ করে শুক্রবারে প্রায় ডজন খানেক বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মেলা বসতো এই বকশীগঞ্জে।

দেশে করোনা ধরার পর থেকেই বকশীগঞ্জে বন্ধ হয়ে আছে বিভিন্ন বেসরকারী ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ক্লিনিক গুলো। যদিও গত ১ সপ্তাহ যাবত খুলছে তবুও সীমিত আকারে। বেসরকারী ক্লিনিক গুলো বন্ধ হওয়ায় এখন কেবল সরকারী হাসপাতালই ভরসা।

সরজমিনে দেখা যায়, সরকারী অনুমতি ব্যতিরিকেই বকশীগঞ্জে প্রায় ৫টি ক্লিনিক ও ৯/১০টি ব্যক্তিগত ডাক্তারদের রোগী দেখার চেম্বার ছিল। এসব ক্লিনিকের নিজস্ব কোন চিকিৎসক না থাকলেও বিভিন্ন জায়গা থেকে চিকিৎসক এনে এরা সেবা দিত কিন্তু করোনার ভয়ে এসব ক্লিনিক চেম্বার গুলো গত ২৪ মার্চ থেকেই বন্ধ রয়েছে। তবে গত সপ্তাহ থেকে সীমিত আকারে কিছু কিছু ক্লিনিক খুললেও সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

বকশীগঞ্জে একবারে নিজস্ব জায়গা স্থাপিত ও আলোচিত দারুস সালাম হাসপাতাল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত। এই হাসপাতালের একমাত্র নারী চিকিৎসক শেরপুর জেনারেল হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যস্ত থাকায় চিকিৎসক সংকটে বাধ্য হয়েই চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান হাসপাতালের ব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী। তবে  চলমান করোনায় সংকটে হাসপাতালটি যে কোন ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।
বকশীগঞ্জ মধ্য বাজারে অবস্থিত মনির জেনারেল হাসপাতালে ডজন খানেক ডাক্তারের তালিকা থাকলেও কোন ডাক্তারই খোঁজে পাওয়া যায়নি। পুরো ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।
আবির ডায়াগনষ্টিক সেণ্টারে ৪ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলেও পাওয়া যায়নি একজনকেও।

বকশীগঞ্জে এক চিকিৎসক নির্ভর নূর ডায়াগনষ্টিক সেণ্টারে এর একমাত্র চিকিৎসক ডাঃ রেজাউল করিম লকডাউন ও সরকারী সিদ্ধান্ত মোতাবেক কর্মস্থল ত্যাগ না করায় দীর্ঘদিন যাবত বকশীগঞ্জে আসেন না ।
বকশীগঞ্জের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ডাঃ আব্দুল হাই স্মৃতি ডায়াগনষ্টিক সেণ্টারে গত সপ্তাহ থেকে সীমিত আকারে চিকিৎসাসেবা চালু রয়েছে। ডাক্তার আব্দুল গণি হেলথ কমপ্লেক্স এ ৮ জন ডাক্তারের স্থলে ২ জন চিকিৎসক দিয়ে জোড়াতালি দিয়ে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে।
মডার্ণ ডায়াগনষ্টিক সেণ্টারে ৫ জন চিকিৎসক থাকার কথা থাকলেও সেখানেও ২ চিকিৎসক দিয়ে সেবা করে আসছে।
এছাড়াও অন্যান্য চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত চেম্বারগুলো দীর্ঘদিন যাবত বন্ধ রয়েছে। বকশীগঞ্জে ইসলামী মিশন হাসপাতালের ডাক্তার সিদ্দিক উল্লাহ ঈদের আগে ফিরবেন না বলে তার ব্যক্তিগত চেম্বার বন্ধ রয়েছে।
এ তালিকায় রয়েছেন সাবেক সিভিল সার্জন সিদ্ধেশ্বর সাহা। করোনার আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় দীর্ঘদিন যাবত চেম্বার বন্ধ রেখে লোকচুক্ষুর আড়ালে চলে গেছেন।
দেশের স্মারণ কালের ভয়াবহ মহাদুর্যোগের সময় এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ থাকা বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আ.স.ম জামশেদ খোন্দকার জানান, দুর্যোগকালীন এসব বন্ধ ক্লিনিক গুলো ইত্যিমধ্যেই তালিকা করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ি বিধি মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চলবে..

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102