সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:২১ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English

বাবুল চিশতি দ্বারা নির্যাতনে অসহায় পরিবার গুলোর আর্তনাত এখনো ভেসে বেড়ায়-২

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ৯৯২ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বাবুল চিশতি নির্যাতনে শিকার পরিবারের গুলোর কান্না এখনো আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে। যুগান্তরের সাংবাদিক সরওয়ার জামান রতন দিয়ে শুরু আর বাংলানিউজয়েন্টিফোর.কমের জেলা প্রতিনিধি গোলাম রাব্বানী নাদিমকে দিয়ে শেষ। মাঝখানে রয়েছে দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন এর সম্পাদক মঞ্জরুল বারী নয়ন, একই পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এ,কে ফেরদৌস।
শুধু সাংবাদিকই নয় লেখক ও প্রকাশক রয়েছেও বাবুল চিশতির দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী ও নির্যাতনের তালিকায়। বাবুল চিশতি মিথ্যা মামলার শিকার হন গতিধারা প্রকাশনীর স্বত্বাধীকারী সৈয়দ আবুল বাশার ও লেখক কবি রজব বকশী। শেষ পর্যন্ত উপযুক্ত স্বাক্ষীর অভাবে মামলাটি খারিজ করে দেয় বিজ্ঞ আদালত।

সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশ করায় বকশীগঞ্জের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও সুনামধন্য সাংবাদিক সরওয়ার জামান রতনকে ছাড়েনি বাবুল চিশতি। রতনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে বাবুল চিশতি। পরবর্তীতে মামলাটি আমলে নেওয়ার আগেই খারিজ করে দেয় বিজ্ঞ আদালত।


বাবুল চিশতির মসজিদের টাকার উৎস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোষ্ট দেওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া এক শিক্ষার্থীকে পুলিশ দিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করে বাবুল চিশতি। নির্যাতনে প্রায় ৩মাস স্বাভাবিকভাবে হাটতে পারেনি।

২০১৭ সালে ১২ মে পবিত্র শবে বরাতের রাতে বাবুল চিশতির দায়েরকৃত মামলায় আটক হন প্রবীন সাংবাদিক এইচ এম মুছা আলী। ১০৪দিন কারাগারে থাকার পর মুক্তি পেলেও প্রতিনিয়তই ঢাকা সাইবার ক্রাইম ট্রাইবুনালে হাজিরা দিতে হয় মুছা আলীকে। এই মামলায় এইচ.এম মুছা আলী ছাড়াও আসামী করা হয় দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন এর সম্পাদক মঞ্জরুল বারী নয়ন, একই পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এ,কে ফেরদৌস। পরবর্তী সময়ে দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন এর সম্পাদক মঞ্জরুল বারী নয়ন, একই পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এ,কে ফেরদৌস চার্জশীট থেকে বাদ দিয়ে এইচ.এম মুছা আলীকে আসামীকে চার্জশীট দেয় পুলিশ। এর পর থেকে মুছা আলী নিয়মিত ঢাকায় হাজিরা দিয়ে আসছেন।


একই বছর ১৪ আগষ্ট সকাল ১১টার দিকে বকশীগঞ্জ মধ্যবাজার থেকে বাবুল চিশতি নির্দেশে বাংলাদেশের লিডিং অনলাইন পত্রিকা বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমের জামালপুর জেলা প্রতিনিধি গোলাম রাব্বানী নাদিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পরে সাংবাদিকের মোবাইল নিয়ে পুলিশ ফেসবুকে বির্তকৃত একটি শেয়ার দিয়ে ৫৭ ধারায় একটি মামলা দিয় পরদিন জেলহাজতে প্রেরণ করে।
গ্রেফতারের পর রাতে বাবুল চিশতির নির্দেশে অমানুষিক নির্যাতনে চোখের দৃষ্টি পর্যন্ত কমে যায়। অমানুষিক নির্যাতন দীর্ঘ ২ মাস কারা হাসপাতালে কাটালেও এখনো পরিপুর্ন চোখের দৃষ্টি ফিরে পায়নি সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম। দীর্ঘ ৮৪দিন পর উচ্চ আদালত থেকে মুক্তি পায় সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম।
বাবুল চিশতির নির্যাতনে এসব নির্যাতিত পরিবারের চোখের পানি আর বুক ফাটা আর্তনাথ এখনো আকাশে বাতাসে ভেসে বেড়ায়।

২০১৮ সালে ১০ এপ্রিল দুর্নীতির মামলায় বাবুল চিশতি ও তার ছেলে আটক হওয়ার পর এসব পরিবার অনেকটাই স্বস্থিতে থাকলেও প্রতিনিয়তই মিথ্যা মামলা আসামী হয়েও বিভিন্ন আদালতে হাজিরা দেওয়ার ফলে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
বাবুল চিশতির এসব অপরাধের যথাযথ শাস্তি চায় নির্যাতিত পরিবারগুলো।

চলবে…..

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102