সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
যে কারণে স্থগিত হল বকশীগঞ্জে আ’লীগের বর্ধিতসভা জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনঃ প্রার্থী হিসাবে অধ্যাপক সুরুজ্জামানের পরিচিতি ভাষা সৈনিক এডভোকেট আশরাফ হোসেনের ইন্তেকাল বকশীগঞ্জে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা না থাকায় দুর্ভোগ চরমে বকশীগঞ্জে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি রুখতে বাজার মনিটরিংয়ে ইউএনও জনগনকে থানায় যেতে হবে না, পুলিশ যাবে জনগনের কাছে.. সীমা রানী সরকার জামালপুর জেলা আ’লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা বকশীগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর, জেলা আ’লীগের ৩ সদস্যের তদন্ত টিম গঠনের সিদ্ধান্ত নুর মোহাম্মদের পদত্যাগ পত্র গ্রহন করে নাই জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগ বিএনপি নেতা খায়ের তালুকদারের ইন্তেকাল

শিক্ষকদের চাপে নিম্ন মানের গাইড বই কিনতে বাধ্য হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা-২

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৬৬১ জন সংবাদটি পড়ছেন

সুমন সওদাগরঃ প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কোম্পানির গাইড বই কিনতে বাধ্য করছেন শিক্ষকরা। সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষকরা প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও নিম্মমানের গাইড বই সহায়ক পাঠ্যপুস্তুকের একটি তালিকা করে শিক্ষার্থীদের হাতে ধরিয়ে দিচ্ছেন। আর অভিভাবকরা কষ্ট হলেও ওইসব গাইড বই তাদের ছেলে-মেয়েদের কিনে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। বুধবার ও বৃহস্পতিবার জামালপুরের বকশীগঞ্জে বেশ কয়েকটি স্কুলে ঘুরে এমন চিত্রই দেখা যায়।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে,বকশীগঞ্জে ১১০টি স্কুল রয়েছে।এতে প্রায় অর্ধালক্ষাধীক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে আসছে। সম্প্রতি জামালপুরের জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যালয়ের খেতাব অর্জনকারী গোয়ালগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেনীর প্রতিটি ছাত্রের কাছে মৃত্তিকা প্রকাশনির সংকলন গাইড বই পাওয়া যায়। এই সময় শিক্ষার্থীরা জানান বিদ্যালয় শিক্ষকরা তাদের বই কিনতে বাধ্য করেছেন।

অভিভাবকরা জানান, সরকার বিনামূল্যে বাংলা ইংরেজী গণিত ব্যাকারণ ও বিজ্ঞাণসহ পাঠ্যসূচী অনুয়ারী সকল ধরনের বই জানুয়ারী মাসের প্রথমেই সকল শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দিলেও বিদ্যালয় শিক্ষকদের চাপে সহায়ক বই হিসেবে তা কিনতে বাধ্য হন শিক্ষার্থীরা। আর এসব গাইড বইগুলো কেনার জন্য শিক্ষকরাই লাইব্রেরীরর নাম পর্যন্ত বলে দিচ্ছে। সরকারের নিষিদ্ধ গাইড বইগুলো কিনে অভিভাবকরা হচ্ছেন সর্বশান্ত।

নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক অভিভাবক জানান, এক মণ ধান বিক্রি করেও ছেলের গাইড বই কিনার টাকা হলো না। এখন সরকার বিনা মূল্যে বই দিলেও ছেলের চাপের মুখে কিনতে হচ্ছে গাইড বই। দ্রুত এ গাইড বই বিক্রির বন্ধের দাবি জানান তিনি।

প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) স্বর্ণজিৎ দেব জানান, সরকারি ভাবে গাইড বই নিষিদ্ধ, তাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক যদি কোন শিক্ষার্থীকে গাইড বই কেনার চাপ প্রয়োগ করেন তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102