শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
মাদার তেরেসা গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন প্যানেল মেয়র সেলিনা আক্তার বকশীগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ধানের শীষের সাথে মিশে আছে যার জীবন, সেইতো আব্দুল্লাহ আল সাফি লিপন বকশীগঞ্জে রাতে চালু থাকা ড্রেজারে বালু উত্তোলন বন্ধ করলেন ওসি বকশীগঞ্জে পুজা মন্ডব প‌রিদর্শন ও নগদ অর্থ সহায়তা দিলেন মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বকশীগঞ্জে মধ্যবয়সী নারী ধর্ষন, আটক-১ বকশীগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বকশীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি বাতিল! দুই মামলায় রাশেদ চিশতির জামিন দেওয়ানগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানালেন অধ্যাপক সুরুজ্জামান

জামালপুরে দখল হয়ে যাচ্ছে বন, ৪ দশকে ৪ হাজার ৫১৯.৫৫ একর জমি দখল

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৭২১ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ পাহাড়ের কোল ঘেঁষে একটি ঘর তুলতে পারলেই পুরো পাহাড়ের নিয়ন্ত্রক হয়ে ওঠে প্রভাবশালীরা। কয়েক বছর পরে চলে দখল বেচাকেনা। গত ৪০ বছরে একে একে দখল হয়ে গেছে জামালপুরের বকশীগঞ্জ বনবিভাগের অনেক পাহাড় ও ভূমি। সূত্র মতে, বর্তমানে বনবিভাগের পাঁচ হাজার একর ভূমি রয়েছে প্রভাবশালীদের দখলে।

বকশীগঞ্জ ডুমুরতলা বিট অফিসের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বন বিভাগের মোট জমির পরিমাণ ৭ হাজার ৯৪.৯২ একর। এরমধ্যে ডুমুরতলা মৌজায় ২১টি দাগে ৫ হাজার ২৫০.৫৩ একর এবং লাউচাপড়া মৌজায় ৫২টি দাগে ১ হাজার ৮৪৪.৬৮ একর।

পরবর্তী সময়ে বনবিভাগের ২ হাজার ৬৬৮.৭৫ একর ভূমি বেহাত হয়ে সিএস/এসএ খতিয়ানভুক্ত ভূমির পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ হাজার ৪২৬.১৭ একর। এ সময়ের মধ্যে ডুমুরতলা মৌজায় ২ হাজার ৬৩৬.৮৩ একর এবং লাউচাপড়া মৌজায় ৩১.৯২ একর ভূমি দখল করে নেয় প্রভাবশালীরা।


১৯৬২ সালে এস/এ রেকর্ডে ভূমির পরিমাণ ৪ হাজার ৪২৬.১৭ একর হলেও সর্বশেষ বিআরএস রেকর্ড মতে বর্তমানে বনবিভাগের ভূমির পরিমাণ ২ হাজার ৩৬৮.৩৮ একর।

২০১৭ সালের ২৯ জুন স্থানীয় কামালপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে ২ হাজার ৫৭৫.৩৭ একর জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করেছে বনবিভাগ। এরমধ্যে ডুমুরতলা ২ হাজার ৫০১ একর ও লাউচাপড়া মৌজায় মাত্র ৭৩.৮৬ একর ভূমির উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে পেরেছে স্থানীয় বনবিভাগ।


বনবিভাগের ৭ হাজার ৯৪.৯২ একর ভূমি থেকে প্রভাবশালীরা দখল করতে করতে এখন মাত্র ২ হাজার ৫৭৫.৩৭ একর ভূমি দখলে রাখতে পেরেছে স্থানীয় বনবিভাগ। আর গত ৪০ বছরে বিভিন্ন সময়ে ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে বনবিভাগের ৪ হাজার ৫১৯.৫৫ একর জমি দখল করে নেয় স্থানীয় বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী।

স্থানীয়রা জানান, বনবিভাগের কর্মকর্তা, ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের যোগসাজশে পাহাড়ে জমি রাতারাতি দখল করে নিচ্ছে প্রভাবশালীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বনবিভাগের আওতাধীন সোমনাথপাড়া, খাড়ামোড়া, রাঙ্গাজান, দিঘলকোনাসহ পাহাড়ের কোল ঘেঁষে একটু সমতাল জায়গা পেলেই গড়ে উঠছে নতুন নতুন বাড়ি।


বন বিভাগের জায়গায় বসতি নিয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় এক ব্যক্তি (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, স্থানীয় কিছু অধিবাসী ও বিট কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে এসব বাড়িঘর। কয়েক বছর পর এগুলো নিজেদের নামেই হয়ে যাবে।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বিট কর্মকর্তা রুহুল আমিন  বলেন, আমার সময়ে এক শতাংশ জমিও দখল হতে দেয়নি। আমার পূর্ববর্তী কে, কি করেছে সেটা আমি বলতে পারবো না।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102