বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English

বকশীগঞ্জে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় স্বামী জেল হাজতে ॥ চক্রের মুলহোতাকে শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৯
  • ১৩৪০ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ নোটারী পাবলিক থেকে এফিডেভিট, সরকার অনুমোদিত রেজিষ্ট্র কাজী দ্বারা বিয়ের পরেও নব বিবাহিত স্ত্রীর দায়েরকৃত ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় স্বামী এখন জেল হাজতে।
ঘটনাটি ঘটেছে মেরুরচর ইউনিয়নের চিনারচর গ্রামে।
জানাযায়, চিনারচর গ্রামের আব্দুর কুদ্দুসের ছেলে মোস্তাইন বিল্লাহ রনি পাশ্ববর্তী মেরুরচর উত্তরপাড়া গ্রামের মন্টু মিয়ার মেয়ে ও লাউচাপড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নবম শ্রেনীতে পড়া মঞ্জুরানীর সাথে প্রেমের সর্ম্পক হয়। গত ১৭ সেপ্টম্বর রনিকে মোবাইল ফোনে নিজে বাড়ীতে আমন্ত্রন জানায় মঞ্জুরানী। আমন্ত্রনে সাড়া দিয়ে সেই বাড়ীতে ২ বন্ধুসহ রনি গেলে তাদেরকে আটক করে। এ সময় রনির সাথে থাকা দুই বন্ধুকে ছেড়ে দিয়ে রণিকে বেঁধে রাখে।
এ সময় রনিকে মুক্তির জন্য ৪ লক্ষ টাকা দাবী করে একটি দালাল চক্র। রনির অভিভাবকের পক্ষ থেকে টাকা দেওয়ার কথা অস্বীকার করলে রণির উপর চলানো হয় অমানুষিক নির্যাতন।


পরে ১৮ সেপ্টম্বর জামালপুর কোর্টে নিয়ে গিয়ে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর করে রণির বয়স গোপন করে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত রেজিষ্ট্রি কাবিন মুলে মঞ্জুরানী ও রণির মধ্যে বিয়ে সম্পন্ন করে।
দাবিকৃত এই টাকা না পাওয়ায় বিয়ের বিষয়টি পুরাপুরি গোপন করে স্বামী মোস্তাইন বিল্লাহ রণির বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ এনে স্ত্রী মঞ্জুরানী বকশীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।
অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি তাৎক্ষনিক এফআইআর করে রণিকে গ্রেফতার করে জামালপুর জেল হাজতে প্রেরণ করে পুলিশ। এরপর থেকে রণি গাজীপুর কিশোর সংশোধন কারাগারের জেলের ঘানি টানছে।

রনির বড় ভাই ফুরকান আলী জানান, দালাল চক্রের মুলহোত শাহিন সাংবাদিকের দাবীকৃত ৪ লক্ষ টাকা না দেওয়ায় আমার ভাইকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটাচ্ছে।
এদিকে বিয়ের পরেও স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় এলাকা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই নিয়ে ফেসবুকে চলছে নানা সমালোচনা।
মঞ্জুরানীর দায়েরকৃত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শরিফ জানান, মামলা দায়ের সময় বিয়ের বিষয়টি সম্পুর্ণ গোপন রেখে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্তকালে বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ পায়। এর চেয়ে বেশি কথা বলতে রাজী হননি তদন্তকারী কর্মকর্তা।
এদিকে বিয়ের পরেও স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা প্রসঙ্গে মেরুরচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম জেহাদ জানান, বিয়ের পরেও স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা এটি একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা। দ্রুত তদন্তপুর্বক ঘটনা সত্যতা অনুসন্ধানের জন্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি আহ্বান জানান।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102