বুধবার, ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কমিটি॥ মানিক-আহ্বায়ক, মতিন- সদস্য সচিব বকশীগঞ্জ পৌর বিএনপি ॥ প্রিন্স-আহ্বায়ক, গামা-সদস্য সচিব বিডিএফডির উদ্যোগে আবুল কালাম আজাদ মেডিসিনের রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল দেওয়ানগঞ্জে ওসি হিসাবে যোগ দিলেন মহব্বত কবির বশেফমুবিপ্রবি হবে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় : উপাচার্য সামসুদ্দিন বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠে আহত একজনের মৃত্যু বকশীগঞ্জে যত্রতত্র মাছ বাজার ॥ শিক্ষার্থী ও পথচারীদের দুর্ভোগ বকশীগঞ্জে মাস্ক না পরায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা বকশীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার পাক-ভারত সীমান্ত গোলাবর্ষণে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু

শেরপুরে স্বামীর বাড়ী থেকে বকশীগঞ্জের মেয়ে কনিকার মৃতদেহ উদ্ধার, দাফন সম্পন্ন

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৯
  • ৪৩৩ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শেরপুরে কনিকা আক্তার (২৪) নামে এক সন্তানের জননী গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২৭ আগস্ট মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।
গৃহবধূ কনিকা স্থানীয় আব্দুর রশিদের ছেলে সুমন মিয়ার স্ত্রী এবং পার্শ্ববর্তী জামালপুরের বকশীগঞ্জ শহরের পশ্চিমপাড়া এলাকার দুদু মিয়ার মেয়ে।
এদিকে ওই ঘটনার পর থেকে স্বামী সুমন মিয়া পলাতক রয়েছে।
গৃহবধূর পরিবারের অভিযোগ, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে গৃহবধূর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়ছে। অন্যদিকে ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা তা নিয়ে চলছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ির সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার ভাতশালা ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামে স্বামীর বসতঘরের ধর্নায় ওড়না পেচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূ কনিকার লাশ দেখতে পায় বাড়ির লোকজন। পরে খবর পেয়ে প্রায় মধ্যরাতে পুলিশ ওই লাশ উদ্ধার করে সদর থানায় নিয়ে যায়। এরপর র‌্যাব-১৪’র একটি দলও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। গৃহবধূর শ্বাশুড়ির দাবি, কনিকা ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে।
অন্যদিকে গৃহবধূর বাবা দুদু মিয়া ও মা সাকিনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, প্রায় ৫ বছর আগে মেয়েকে সুমন মিয়ার সাথে বিয়ে দেন। তাদের সংসারে ৪ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। কিন্তু মাঝে-মধ্যেই সুমন কনিকাকে নানাভাবে নির্যাতন করতো। তাদের ধারণা, কনিকাকে নির্যাতনে হত্যার পর তার লাশ ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে।
এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ছাড়া এখনই বলা যাচ্ছে না। ওই রিপোর্ট মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়নাতদন্ত শেষে মৃতদেহ কনিকার মৃতদেহ তার বাবা ও মার কাছে হস্তন্তর করে পরে রাতে দাফন শেষে বকশীগঞ্জ কেন্দ্রিয় কবরস্থানে কনিকার মৃতদেহ দাফন করা হয়েছে।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102