বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৬:৪৮ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে অবৈধ ৪ ড্রেজারে আগুন, পাইপ ধ্বংস জামালপুরে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করলেন ৪৫ জন বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবে অতিরিক্ত সচিব শাওলী সুমনের রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল বক‌শীগঞ্জ উপ‌জেলা বিএন‌পি`র আহ্বায়ক ক‌মি‌টির প‌রি‌চি‌তি সভা বকশীগঞ্জ ২ হাজার ভারতীয় জাল রুপিসহ আটক ৭ বকশীগঞ্জে শিশু হত্যা, পিতার মৃত্যুদণ্ড বকশীগঞ্জ বিএনপির সংবাদ সম্মেলন, কমিটির আত্ম প্রকাশ শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে নেয়ার অঙ্গীকারে বশেফমুবিপ্রবি’র বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন দলকে সুসংগঠিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্চ… মানিক সওদাগর আরব সাগরে ভেঙে পড়লো ভারতীয় যুদ্ধবিমান, পাইলটের মৃত্যু

কুড়ি বিলের পুরি জীবন সংগ্রামী হুনুফা..

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৯
  • ৮১৭ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ  জামালপুরের বকশীগঞ্জে সুস্বাদু মাছের জন্য বিখ্যাত কুড়ি বিল। বিলটির অবস্থান ভারতীয় সীমান্তবর্তী বাট্টাজোড় ইউনিয়নের পলাশতলা গ্রামে দক্ষিণে।

কুড়ি বিলের নামকরণঃ শাপলা ফুলের কুড়ি থেকেই এই বিলের নামের উৎপত্তি। যদিও আগের সেই নানান রঙ্গের শাপলা নেই তবুই রয়েছে নাম করণ। সেই শাপলা ফুলের কুড়ি থেকেই কুড়ি বিলের নামের উৎপত্তি এটা কেউই দ্বিমত করেনি।

সেই কুড়ি বিলের একমাত্র পুরি(মেয়ে)হচ্ছে হুনুফা।অভাবের তাড়নায় নারী হয়েও হাতে তুলে নিয়েছেন নৌকার বৈঠা। বর্যাকালে প্রায় ৪মাস পানিতে টুইটুম্বর থাকে এই কড়ি বিল। সেখানে মানুষকে পারাপারের হুনুফার ছোট নৌকাই একমাত্র অবলম্বন।বর্ষা শেষে মানুষের বাড়ীতে ঝি এর কাজ। কখনো পুরুষের সাথে দিনমজুরীরও কাজ করতে হয়।

২৭ বছর আগে হুনুফার স্বামী দিন মুজুর হাছেন আলী ৫টি সন্তান রেখে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন।১টি ছেলে ও ৪টি মেয়ে নিয়ে সংসার।যখন স্বামী মারা যায় তখন ছেলে বয়স মাত্র ৬মাস। ৬ মাসের ছেলে ও ১জন প্রতিবন্দি কন্যা সন্তানসহ ৪টি কন্যা সন্তান নিয়ে কুড়ি বিলে মাছ ধরে, নৌকা বেয়ে চলছেন ২৭ বছর যাবত।

নিজবাড়ী কুড়ি বিলের ঠিক মাঝ খানে, সেখানে জমির কম মুল্য বলেই সেখানে কিনতে পেরেছে।

জীবন সংগ্রামী পাঞ্চাশোর্ধ হুনুফার বয়স বাড়ার সাথে সাথে এখন আর আগের মত পরিশ্রম করতে পারেন না হুনুফা।বছরের ৮মাসই অনাহারের অর্ধহারে কাটাতে হয় হুনুফার।এমন রাত যায় সেখানে কেবল এক গ্লাস পানিই হয়ে উঠে রাতের খাবার।

সরকারী সাহায্য বলেতে বিধবা ও প্রতিবন্দি ভাতার কথা শোনলেও তাদের কপালে জুটেনি।স্থানীয় ইউপি সদস্য ও চেয়ারম্যান দ্বারে দ্বারে ঘুরেও দেখা মেলেনি সরকারী এসব ভাতা।

হুনুফা জানান, কত রাত না খেয়ে থাকি সেটা আর কিভাবে বলব। মেম্বারদের কাছে গেলে টাকা চায়, আমি টাকা জোগারও করতে পারিনা আমার কপালে সরকারী কার্ডও জুটে না।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102