বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ধানের শীষের সাথে মিশে আছে যার জীবন, সেইতো আব্দুল্লাহ আল সাফি লিপন বকশীগঞ্জে রাতে চালু থাকা ড্রেজারে বালু উত্তোলন বন্ধ করলেন ওসি বকশীগঞ্জে পুজা মন্ডব প‌রিদর্শন ও নগদ অর্থ সহায়তা দিলেন মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বকশীগঞ্জে মধ্যবয়সী নারী ধর্ষন, আটক-১ বকশীগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বকশীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি বাতিল! দুই মামলায় রাশেদ চিশতির জামিন দেওয়ানগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানালেন অধ্যাপক সুরুজ্জামান বকশীগঞ্জে পৌর আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের সংর্ঘষ ।। আহত অর্ধশতাধিক

বকশীগঞ্জে বন্যায় মৎসচাষে ব্যাপক ক্ষতি ॥ চাষীদের মাথায় হাত

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৩১ জুলাই, ২০১৯
  • ৮১১ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টার॥ স্মরনকালের ভয়াবহ বন্যায় জামালপুরের বকশীগঞ্জে মৎসচাষে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ৩ দফা বন্যায় বকশীগঞ্জের মৎসচাষীদের মাথায় হাত পড়েছে। পাহাড়ী ঢল, অতিবৃষ্টি ও বন্যায় পুকুরের চারিপার্শ্ব ডুবে যাওয়ায় প্রতিটি পুকুর এখন মাছ শুন্য।
জামালপুরের সিংহভাগ মাছ চাষ হয় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বাট্টাজোড় ইউনিয়নে। বাট্টাজোড় ইউনিয়নের দক্ষিণ পলাশতলা এলাকায় ছোট বড় প্রায় ১১৩টি পুকুরে বানিজ্যিকভাবে মাছ চাষ হয়। উপজেলার চাহিদা পুরণ করে এসব মাছ জেলার বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি হয়।
বাট্টাজোড় পলাশতলা এলাকায় বকশীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর ২৭ একর জমির উপর মাছের প্রকল্প গড়ে তোলেন। মাছের রেনু, পুকুর ভাড়া, কর্মচারীদের বেতনসহ প্রায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। প্রতিবছর এই প্রকল্পে প্রায় ১ কোটি টাকার মাছও বিক্রি হয়। কিন্তু এবারের বন্যায় তার প্রকল্পের সমস্ত মাছ ভেসে যাওয়ায় তার প্রকল্প এখন মাছ শুন্য।
পুকুর মালিক শহিদুল্লাহ এ এলাকায় ৪টি পুকুরে মাছ চাষ করেন। একমাত্র মৎস চাষই তার পেশা। এবারের তিন দফায় তার পুকুর থেকে সমস্ত চলে গেছে। এতে তার ক্ষতির পরিমান প্রায় ১০ লক্ষ টাকা।
এলাকার মাছ চাষী আব্দুল্লাহ সওদাগর বিপ্লব, তিনি স্থানীয় একজনের নিকট থেকে বাৎসরিক ২ লক্ষ টাকা দিয়ে ৪টি পুকুর ভাড়া নিয়ে মাছ চাষ করেন। মাছ চাষ বাবদ এ পর্যন্ত প্রায় ৮ লক্ষ বিনিয়োগ করেছেন। এখন তার পুকুরে মাছ শুন্য।
এলাকার ছাত্র পাশাপাশি মাছ চাষী মিজু মিয়া জানান, একমাত্র পুকুর মাছ চাষ করেই সংসারের পাশাপাশি পড়াশোনার খরচ চলে । এবারের বন্যায় পুকুরের সকল মাছ বের হয়ে গেছে। এখন দুচোখে শুধু অন্ধকার।
মাছ চাষী জাহিদুল জানান, বিভিন্ন জায়াগায় ঋণ করে মাছ চাষ করা হয়। এবারেও তিনি ঋণ করে মাছে রেনু কিনেছেন। এবারের বন্যায় তার সমস্ত মাছ বের হয়ে গেছে। এখন ঋণ পরিশোধে তার কোন উপায় নেই।
একই অবস্থা কালাচান, খোরশেদ, রফিকুল, মোস্তুফা, মাহি বেগম, হুনুফা, বিল্লালসহ প্রায় শতাধিক মাছ চাষীদের চোখে-মুখে এখন শুধু হতাশা আর হতাশা।
এদিকে উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম রিয়েল জানান, এবারের বন্যায় প্রায় ২ হাজার ৫৬০টি পুকুর বন্যায় ক্ষতি হয়েছে। এসব পুকুরের প্রায় ৯ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকার মাছ ভেসে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ পুকুর মালিকদের তালিকা করার কাজ চলছে । সরকারের সিদ্ধান্তনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্থদের অবশ্যই একটা ব্যবস্থা করা হবে।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102