রবিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :

ইসলামপুরে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি॥ ত্রাণের জন্য চলছে হাহাকার, পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই, ২০১৯
  • ৩৯৬ জন সংবাদটি পড়ছেন

রোকনুজ্জামান সবুজ, জামালপুরঃ  বন্যার পানি কমতে শুরু করায় জামালপুরের ইসলামপুরে সার্বিক বন্যার পরিস্থিতি কিছিুটা উন্নিতি হয়েছে । আজ সোমবার যমুনার বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্ট পানি বিপদসীমার ৩৯ সেন্টিমিটার কমে যমুনায় পানি বিপদ সীমার ৬১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ ৯ দিন ব্যাপি পানি বন্দি লাখ লাখ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌছেছে।
গত ২২জুলাই পানিতে ডুবে ২জনের মৃত্যু হয়েছে। মুখ শিমলা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের মেয়ে শারমিন আক্তার(১২) এবং সাপধরী ইউনিয়নের আকন্দপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোফাজ্জল আকন্দের ৩বছরের শিশু কন্যা ময়ছন বেগম(৩) বন্যার পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাবধরী ইউপির চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন বিএসসি।
উপজেলা স্বরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ২লক্ষাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে । বন্যা কবলিত এলাকা মানুষের মাঝে ত্রাণের জন্য চলছে হাহাকার।শুকনো খাবার,বিশুদ্ধ পানি ও গো খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। বাসভাসি মানুষ নৌকা দেখলেই হাত বাড়িয়ে ডাকতে থাকে,আমরা পানি বন্দি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার, আমাদের ত্রান সহায়তা করুন। কারণ যমুনা পশ্চিমঞ্চলের বন্যার্তদের বাড়ী ঘরে এখনো ৩ থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত পানি নীচে। সেখানে রান্না করা খাবারের সংকট ও গবাদি পশু খাদ্যে সংকট।
ইসলামপুরের বন্যা কবলিত এলাকায় নৌকা যোগে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ইসলামপুরের যমুনা তীরবর্র্তী সাপধরী, চিনাডুলি, বেলগাছা, নোয়ারপাড়া, কুলকান্দি, পাথর্শী ইউনিয়নের সবগুলো গ্রামসহ পৌরসভা আংশিক যেন যমুনার পানিতে এখনও ভাসছিল। ওইসব গ্রামের অধিকাংশ বাড়ী ঘরে ৩ ফুট থেকে ৬ ফুট পর্যন্ত বন্যার পানি বইছে। আবার অনেকের বাড়ী ঘরেই টিনের চাল পর্যন্ত বন্যার পানি দেখা গেছে। বাড়ীঘরে পানি থাকায় তারা রান্না করে খেতে পারছে না। বিশেষ করে দিন মজুর,নিম্ন আয়ের মানুষগুলো কাজ কর্ম না থাকায় তারা অলস বসে দিন কাটাচ্ছেন। তাই তারা বাধ্য হয়ে তীব্র খাদ্য সংকটে ভূগছেন।
ইসলামপুর ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা মেহেদি হাসান টিটু জানান, সোমবার বিকাল পর্যন্ত পৌরসভা ও ১২ ইউনিয়নের মধ্যে ২ লাখ মানুষ পানিবন্দি রয়েছে। এসব বন্যার্তদের সাহায্যে এ পর্যন্ত ২৫০ মেট্টিক টন চাল, নগদ ৫ লাখ টাকা,রুটি ৭ হাজার,খিচুরি ৪ হাজার প্যাকেট, ১ হাজার শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102