রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২০, ১২:৪৯ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
শ্রীবরদী উপজেলা আ`লীগের সাধারণ সম্পাদকের উপর হামলা, হামলাকারী আটক সরিষাবাড়ীতে ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ জামালপুরে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সাধারণ সভা বকশীগঞ্জে বিভিন্ন মামলায় ১০ আসামি গ্রেপ্তার ডিজিটাল সেন্টারের নারী উদ্যোক্তাকে তাড়িয়ে দিয়েছেন নরুন্দি ইউপি চেয়ারম্যান মাদার তেরেসা গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন প্যানেল মেয়র সেলিনা আক্তার বকশীগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ধানের শীষের সাথে মিশে আছে যার জীবন, সেইতো আব্দুল্লাহ আল সাফি লিপন বকশীগঞ্জে রাতে চালু থাকা ড্রেজারে বালু উত্তোলন বন্ধ করলেন ওসি

জামালপুরে যমুনার পানি বিপদ সীমার ১৫২ সেন্টিমিটার উপর, লন্ডভন্ড গ্রামীন জনপথ

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ জুলাই, ২০১৯
  • ৪২১ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ জামালপুরের সর্ব কালের রেকর্ড ভঙ্গ করে যমুনার পানি বিপদসীমার ১৫২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাত ৮টায় জামালপুর বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্ট এলাকায় এ পানির স্তর রের্কড করা হয়।  এর আগে ২০১৭ সালে এই পয়েন্টে পানির সর্বোচ্চ স্তর ছিল ১৩৪ সেন্টিমিটার।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পানি পরিমাপক  (গেজ রিডার) এ তথ্য দিয়ে নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারন করেছে। ইত্যিমধ্যেই দেওয়ারগঞ্জের সাথে সারা দেশের রেল ও  সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে।

এবারের বন্যায় জামালপুরের ৭টি উপজেলায় প্রায় ৫ শত কিলোমিটার গ্রামীন রাস্তা পানির নিচে রয়েছে।

এবারের বন্যায় দেওয়ানগঞ্জ-খোলাবাড়ী, বকশীগঞ্জ-সাধুরপাড়া, ইসলামপুর-উলিয়া এবং ইসলামপুর-গুঠাইল ও ইসলামপুর-কুলকান্দি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

ইসলামপুর উপজেলার ৯০ শতাংশ, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ৮০ভাগ রাস্তা, সরিষাবাড়ী উপজেলার ৭০ভাগ, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার প্রায় ৫০ভাগ গ্রামীন রাস্তা এখন পানির নিচে।

বেশিরভাগ কালর্ভাট বন্যার পানির তোড়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে।ছোট ছোট অনেক সেতু পানির তোড়ে দেবে গিয়ে সেগুলো ইত্যিমধ্যেই ব্যবহারের উপযোগী হয়ে পড়েছে।

ইত্যিমধ্যে আঞ্চলিক সড়কগুলোতে পানি ওঠায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭টি ইউনিয়নের প্রায় লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়েছে । উপজেলা সদর থেকে গুঠাইল বাজার, উলিয়া বাজার, শিংভাঙ্গা, কুলকান্দি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

উপজেলার চিনাডুলি ইউনিয়নের দক্ষিণ চিনাডুলি, দেওয়ানপাড়া, ডেবরাইপেচ, বলিয়াদহ, সিংভাঙ্গা, পশ্চিম বামনা, পূর্ববামনা, গিলাবাড়ী, সাপধরী ইউনিয়নের আকন্দ পাড়া, পশ্চিম চেঙ্গানিয়া, পূর্ব চেঙ্গানিয়া, ওকাশাড়ীডোবার, কুলকান্দি ইউনিনের বেরকুসা, টিনেরচর, সেন্দুরতলী, মিয়াপাড়া, বেলাগাছা ইউনিয়নের কাছিমারচর, দেলীপাড়, গুঠাইল, পাথর্শী ইউনিয়নের শশারিয়াবাড়ী, মোরাদাবাদ, মুকশিমলা, হাড়িয়াবাড়ীপশ্চিম মুজাআটা, নোয়ারপাড়া ইউনিয়নের ওলিয়া, রামভদ্রা, কাজলার অঞ্চলগুলোর বিস্তীর্ণ জনপদে বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।

গত চারদিনে পানির তীব্র স্রোতে বেলগাছা ইউনিয়নের মন্নিয়ার চর, বরুল, চিনাডুলী ইউনিয়নের দেওয়ানপাড়া, নোয়াপাড়ার বৌশেরগড়সহ প্রায় শতাধিক বসতভিটা ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা আশপাশের উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পশ্চিমাঞ্চলে ৮২টি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পানি ওঠায় সেগুলো বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও পৌর শহরের নতুন নতুন এলাকা চাড়িয়া, মোজাজাল্লা, বেপারীপাড়া প্লাবিত হয়েছে বলে কাউন্সিলর অঙ্কন কর্মকার ও মহন মিয়া জানিয়েছেন।

দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন কার্যত পানির নিচে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়, বাসভবন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয়সহ সব দাপ্তরিক কার্যালয় এখন বন্যা কবলিত।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102