বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ০২:০২ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
মাদার তেরেসা গোল্ডেন এ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন প্যানেল মেয়র সেলিনা আক্তার বকশীগঞ্জে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত ধানের শীষের সাথে মিশে আছে যার জীবন, সেইতো আব্দুল্লাহ আল সাফি লিপন বকশীগঞ্জে রাতে চালু থাকা ড্রেজারে বালু উত্তোলন বন্ধ করলেন ওসি বকশীগঞ্জে পুজা মন্ডব প‌রিদর্শন ও নগদ অর্থ সহায়তা দিলেন মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বকশীগঞ্জে মধ্যবয়সী নারী ধর্ষন, আটক-১ বকশীগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বকশীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের আহবায়ক কমিটি বাতিল! দুই মামলায় রাশেদ চিশতির জামিন দেওয়ানগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানালেন অধ্যাপক সুরুজ্জামান

জামালপুরে ২ লাখ মানুষ পানি বন্দি

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০১৯
  • ৬৭৯ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টি ও যমুনার পানি বাড়তে থাকায় জামালপুরে ভয়াবহ বন্যা রূপ নিয়েছে বন্যা। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন জেলার ছয়টি উপজেলার প্রায় দুই লাখ মানুষ।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে যমুনার পানি বিপদসীমার ১২৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পানি পরিমাপক (গেজ রিডার) আব্দুল মান্নান বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, জামালপুর বাহাদুরাবাদ ঘাট পয়েন্ট এলাকায় যমুনার পানি বর্তমানে ২০ দশমিক ৭৬ সেন্টিমিটারে অবস্থান করছে। এ পয়েন্টে স্বাভাবিক পানির স্তর হচ্ছে ১৯ দশমিক ৫০।

এদিকে, অব্যাহত পানি বাড়তে থাকায় জামালপুরে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। জেলা দুযোর্গ ও ত্রাণ কর্মকর্তা কার্যালয়ের জরিপ অনুযায়ী এবারের বন্যায় পানিবন্দির সংখ্যা প্রায় এক লাখ ৯৪ হাজার। যদিও বাস্তবতায় এর সংখ্যা অনেক বেশি।

বন্যাকবলিত হয়েছে পুরো দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন। ইতোমধ্যেই দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় ও বাসভবনে পানি ঢুকে পড়েছে। সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ও বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে।

বন্যার পানিতে জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পৌরসভা এলাকাতেও ঢুকে পড়েছে পানি। এছাড়া দেওয়ানগঞ্জ সদর ইউনিয়নসহ ডাংধরা, চরআমখাওয়া, বাহাদুরাবাদ, চিকাজানী, চুকাইবাড়ী ও হাতিভাঙ্গা ইউনিয়নের প্রায় ৯০ ভাগ পানির নিচে রয়েছে।

সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা, পিংনা, আওনা, ভাটারা ও কামরাবাদ ইউনিয়নে বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার প্রায় শতভাগ পানির নিচে রয়েছে।

বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালপুর ও বাট্টাজোড় ইউনিয়নে পাহাড়ি ঢলে প্রায় ১০ কোটি টাকার মাছ ভেসে গেছে। এছাড়া মেরুরচর, সাধুরপাড়া, নিলক্ষিয়া ও বগারচর ইউনিয়নের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি, বেলগাছা, চিনাডুলী, সাপধরী, নোয়ারপাড়া, পাথর্শী ইউনিয়ন শতভাগ পানি নিচে রয়েছে। মাদারগঞ্জ উপজেলার জোরখালী, চরপাকেরদহ ও বালিজুড়ি ইউনিয়নে বন্যার পানি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এছাড়া মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ও নাংলা ইউনিয়নে ঢুকতে শুরু করেছে বন্যার পানি।

জেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ কর্মকর্তা নায়েব আলী  জানান, জামালপুরের ছয়টি উপজেলায় এ পর্যন্ত পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এক লাখ ৯৪ হাজার মানুষ। এসব পানিবন্দি মানুষের মধ্যে ২৯০ মেট্রিক টন চাল, নগদ তিন লাখ টাকা ও ২০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102