বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English

জামালপুর শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষসহ তিন জনের এমপিও স্থগিত

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৮ জুন, ২০১৯
  • ৪১০ জন সংবাদটি পড়ছেন

জামালপুর প্রতিনিধিঃ জামালপুরঃ জামালপুরের শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ ও একজন প্রভাষকের এমপিও স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর আগে অধ্যক্ষ নিয়োগের বৈধতা, অনিয়ম ও দূর্নীতি এবং প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে জামালপুর শহীদ জিয়াউর রহমান ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রী, শিক্ষা সচিব ও শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর পৃথক তিনটি আবেদনের প্রেক্ষিতে উক্ত অভিযোগের তদন্ত হয়।

তদন্তে অবৈধ নিয়োগ, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় গত ১৮ জুন’২০১৯ তারিখে জামালপুর সদর উপজেলার জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এ,কেএম তফিকুল ইসলামের এমপিও সাময়িক স্থগিত করা হয়।

একই সাথে সহকারী অধ্যাপক ও উপাধ্যক্ষ পদে বহাল থেকে এবং সহকারী অধ্যাপক পদের বিপরীতে বেতন ভাতা গ্রহন করায় উপাধ্যক্ষের সহকারী অধ্যাপক পদের এমপিও এবং দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে প্রভাষক এস এম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদেরও এমপিও সমায়িক স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছে় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

তদন্ত প্রতিবেদনের আলোকে মন্ত্রনালয়ের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, এমপিও নীতিমালা ও জনবল কাঠামো’ ২০১৮ অনুযায়ী জামালপুর সদর উপজেলার জিয়েউর রহমান ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম তফিকুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ মো. সুরুজ্জামান এবং প্রভাষক এস এম আব্দুল্লাহ আল ফুয়াদের এমপিও সাময়িক স্থগিত করতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

এছাড়া ‘কেন এই তিন শিক্ষকের এমপিও স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে না’ সে মর্মে তিন শিক্ষককে শোকজ করতে বলা হয়েছে শিক্ষা অধিদপ্তরকে।

কলেজ সুত্রে জানা যায়, মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, অধ্যক্ষ এ কে এম তফিকুল ইসলাম বিধি বহির্ভূতভাবে এমপিওভুক্ত হয়েছেন। প্রভাব খাটিয়ে সিনিয়র শিক্ষকদের বাদ দিয়ে নীতিমালা ভঙ্গ করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তিনি। এমনকি ভুয়া নিবন্ধন সনদধারীকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন অধ্যক্ষ। তদন্তে কলেজের অভ্যন্তরীণ ও বোর্ড পরীক্ষা বিধি বহির্ভূতভাবে গ্রহণের সত্যতা পাওয়া গেছে। এরও আগে তার বিরুদ্ধে বিগত ১৪ নভেম্বর’২০১৮  তারিখে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা বিভাগ বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন কমিটির সিদ্ধান্তের আলোকে  স্মারক নং ৩৭.০০.০০০০০৮৭.১৭.০০১.১৮-২১, তারিখ ১৪/১১/১৮ মূলে কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম তফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৩,৬০,৪০০/ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৩০দিনের মধ্যে উক্ত টাকা সরকারি কোষাগারে জমাদানের নির্দেশনা দেয়া হয়। ধার্যকৃত সময়ের মধ্য উক্ত টাকা জমাদান না করা হলে, তার বিরুদ্ধে সরকারি বকেয়া পাওনা আইন ১৯১৩ (PDR ACT) ব্যবস্থা গ্রহন করার সিদ্ধান্ত তাকে জানিয়ে দেয়া হয়। কিন্তু তিনি তা পালন না করে আদালতের আশ্রয় নেন। আদালত ঐ পত্রের কার্যকারিতার উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছেন ছয় মাসের জন্য। সেটির মেয়াদ শেষ হয়েছে।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102