বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২০, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English

একজন ময়েজ উদ্দিন ও নিরাপদ খাদ্য আন্দোলন

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ জুন, ২০১৯
  • ৬১৯ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ ময়েজ উদ্দিন, বকশীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তার আনাগোনা। তিনি বকশীগঞ্জে সুনাম ধন্য সওদাগর বাড়ীর জামাতা। মরহুম আব্দুর রশীদ (ভুলু সওদাগর) এর মেয়ে জামাই।
বয়স প্রায় ৬০ ছুই ছুই । তাকে দেখলেই অনেকেই তাকে এড়িয়ে চলতে চায়। কারণ কারণ কয়েকজন লোক একজায়গায় সমবেত হওয়া দেখলেই সেখানেই ছুটে যায় ময়েজ উদ্দিন।
আলোচনায় মত্ত হয়ে উঠেন ভেজাল খাদ্য নিয়ে। আলোচনা মুল বিষয় বিশেষ করে চিনি ও গুড় নিয়ে। গুড়ে ভেজাল, ( হাইড্রোজ মিশিয়ে গুড়া সাদা করণ) বিষয়টি কোনভাবেই মানতে নারাজ চান না ময়েজ উদ্দিন।
এটাকে হারাম আখ্যা দিয়ে পুর্বের ন্যায় আখ মাড়াই পক্ষে তিনি।
এর কারণ হিসাবে তিনি জানান, পুর্বে নিভের্জালভাবে গুড় তৈরী হত। কিন্তু এখন দাম বেশি পাওয়ার জন্য গুড়ের মধ্যে রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রণ করা হয়। এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি।
জানাযায়, পুর্বে কলকুঠি মাধ্যমে গরু দিয়ে আখ মাড়াই হত। এই কলকুঠির এজেন্ট ছিল ময়েজ উদ্দিনের বাবা শেখ আজির উদ্দিন। বংশ পরম্পরায় সেই কলকুঠির এজেন্টশীপ পায় ময়েজ উদ্দিন।
বাবার সাথে কলকুঠির ব্যবসা করতে সুর্য্যনগর আসেন ময়েজ উদ্দিন। ব্যবসার জমজমাট অবস্থায় তৎকালীন সুনামধন্য ভুলু সওদাগরের মেয়ের সাথে বিয়েও হয়। ব্যস্ততা ও ব্যাবাসীয়ক কারণে বকশীগঞ্জই থাকতে হয় ময়েজ উদ্দিনকে। কিন্তু প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে কলকুঠির মাধ্যমে আখ মাড়াইও বিলুপ্ত হয়।

সোনালী সেই দিনের কথা ভুলতেই পারেন না ময়েজ উদ্দিন।
প্রতিদিন তার রুটিন কাজ হল, বকশীগঞ্জ বাসস্ট্যন্ড এলাকায় গিয়ে পত্রিকা সংগ্রহ করা। ভেজাল খাদ্য সংক্রান্ত সংবাদ দেখলেই খুশির অন্ত থাকে না ময়েজ উদ্দিনের।
বকশীগঞ্জ মানুষকে সুস্থ্য রাখতে ভেজাল খাদ্যের বিরুদ্ধে একাই সংগ্রাম করে যাচ্ছেন ময়েজ উদ্দিন। যদিও এ নিয়ে অনেকেরই কুটু কথাও হজম করতে হয় ময়েজ উদ্দিনকে। তার পরেও থেমে নেই ময়েজ উদ্দিন।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102