বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে অবৈধ ৪ ড্রেজারে আগুন, পাইপ ধ্বংস জামালপুরে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করলেন ৪৫ জন বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবে অতিরিক্ত সচিব শাওলী সুমনের রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল বক‌শীগঞ্জ উপ‌জেলা বিএন‌পি`র আহ্বায়ক ক‌মি‌টির প‌রি‌চি‌তি সভা বকশীগঞ্জ ২ হাজার ভারতীয় জাল রুপিসহ আটক ৭ বকশীগঞ্জে শিশু হত্যা, পিতার মৃত্যুদণ্ড বকশীগঞ্জ বিএনপির সংবাদ সম্মেলন, কমিটির আত্ম প্রকাশ শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে নেয়ার অঙ্গীকারে বশেফমুবিপ্রবি’র বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন দলকে সুসংগঠিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্চ… মানিক সওদাগর আরব সাগরে ভেঙে পড়লো ভারতীয় যুদ্ধবিমান, পাইলটের মৃত্যু

উদ্বোধনের আট মাস পরও চালু হয়নি বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৮ জুন, ২০১৯
  • ৫১০ জন সংবাদটি পড়ছেন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ জামালপুর গণপূর্ত বিভাগের গড়িমসি ও উদাসীনতার কারণে অবকাঠামো, গাড়ি, সরঞ্জাম ও লোকবল থাকা সত্ত্বেও শুধু বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় উদ্বোধনের আট মাস পরও চালু হয়নি বকশীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন। প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডে মানুষের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বিভিন্ন স্থাপনা এবং কলকারখানার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। অন্যদিকে অগ্নিকাণ্ডের শঙ্কায় রয়েছে বকশীগঞ্জ উপজেলার তিন লাখ মানুষ। তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সীমান্তবর্তী এ উপজেলার একমাত্র ফায়ার সার্ভিস স্টেশনটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আট মাস আগে উদ্বোধন করেন। অথচ স্টেশনটি জনগণের কোনো কাজে আসছে না।

জামালপুর জেলা সদর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে দেশের সীমান্ত-লাগোয়া বকশীগঞ্জ উপজেলার অবস্থান। একটি পৌরসভা ও সাতটি ইউনিয়ন নিয়ে এ উপজেলায় প্রায় তিন লাখ লোকের বসবাস। ভারতের সীমান্তবর্তী এ উপজেলায় রয়েছে স্থলবন্দর, বিভিন্ন ভারী শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনা।

এছাড়া এই উপজেলা-লাগোয়া রয়েছে কুড়িগ্রাম থেকে বিচ্ছিন্ন দুটি উপজেলা রাজীবপুর ও রৌমারী। এসব এলাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কারখানায় অগ্নিনির্বাপণের নিজস্ব কোনো ব্যবস্থাপনা নেই। প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর বকশীগঞ্জ পৌর শহরের পাখিমারা এলাকায় এই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনটির কাজ শুরু হয়। এতে ব্যয় হয় প্রায় তিন কোটি টাকা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর স্টেশনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ওইদিন থেকেই স্টেশনটির কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু জামালপুর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর গড়িমসি ও উদাসীনতার কারণে অবকাঠামো, গাড়ি, সরঞ্জাম ও  লোকবল থাকা সত্ত্বেও শুধু বিদ্যুৎ না থাকায় স্টেশনটি এখন পর্যন্ত চালু করা যাচ্ছে না।

জামালপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক কোবাদ আলী সরকার বলেন, ফায়ার স্টেশনটির প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, গাড়ি, সরঞ্জাম ও লোকবল সবই রয়েছে। শুধু বিদ্যুতের অভাবে স্টেশনটি চালু করা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, জামালপুর গণপূর্ত বিভাগের  নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আমীন স্টেশনটির বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পৌনে চার লাখ টাকা চেয়েছিলেন। তিন মাস আগে সেই টাকাও দেওয়া  হয়েছে। এর পরও বিদ্যুৎ সংযোগের ব্যবস্থা করতে গণপূর্ত বিভাগ নানা টালবাহানা করছে।

এ ব্যাপারে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আমীনের অফিসে একাধিক গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। গুরুত্বপূর্ণ এ ফায়ার স্টেশনটি দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102