বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে মডেল মসজিদের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন যে কারণে স্থগিত হল বকশীগঞ্জে আ’লীগের বর্ধিতসভা জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনঃ প্রার্থী হিসাবে অধ্যাপক সুরুজ্জামানের পরিচিতি ভাষা সৈনিক এডভোকেট আশরাফ হোসেনের ইন্তেকাল বকশীগঞ্জে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা না থাকায় দুর্ভোগ চরমে বকশীগঞ্জে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি রুখতে বাজার মনিটরিংয়ে ইউএনও জনগনকে থানায় যেতে হবে না, পুলিশ যাবে জনগনের কাছে.. সীমা রানী সরকার জামালপুর জেলা আ’লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা বকশীগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর, জেলা আ’লীগের ৩ সদস্যের তদন্ত টিম গঠনের সিদ্ধান্ত নুর মোহাম্মদের পদত্যাগ পত্র গ্রহন করে নাই জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগ

দুর্নীতি আর অনিয়মের চক্রে বন্দি বকশীগঞ্জে খাদ্য বিভাগ – ১

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০১৯
  • ১০১৪ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ দুর্নীতি আর অনিয়মের চক্রে বন্দি বকশীগঞ্জে খাদ্য বিভাগ। ২০১৬ সালে বকশীগঞ্জে খাদ্য কর্মকর্তা সাহিনা আক্তার যোগদানের পর থেকেই বকশীগঞ্জ উপজেলায় খাদ্য বিভাগের দুর্নীতি এখন ওপেন সিক্রেট। ২০১৮ সালে মেলান্দহে বদলী হলেও বর্তমানে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসাবে বকশীগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসাবে কর্মরত থাকায় দুর্নীতি এখন সীমাহীন।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাহিনা আক্তারের এই দুর্নীতি ও অনিয়মের কথা স্বীকারও করেছেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহাবুবুর রহমান খান। তিনি জানান, খুব কম সময়ের মধ্যেই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যহিত দেওয়া হবে।
তার অনিময়ন নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্ব– আজ দেখুন পিসি (পারসেনটেন্স)
গত মৌসুমে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক হিসাবে এই অর্থ বছরেই ৩৩ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সাহিনা আক্তার।


মিল মালিকদের অভিযোগে জানা যায়, বোরো মৌসুমে/২০১৮ বকশীগঞ্জ উপজেলা জন্য ১০৫১ মেঃ টন চাউল বরাদ্দ পাওয়া যায়। তান্মধ্যে অজ্ঞাত কারণে ৯৮০ টন চাউল সংগ্রহ করে বকশীগঞ্জ খাদ্য বিভাগ। অবশিষ্ট চাল বিভাজন করে কর্তনকৃত চাউল পরবর্তীতে প্রতিটন তিন হাজার টাকা উৎকোচের বিনিময়ে বিক্রি করে সাহিনা আক্তার। সর্বমোট চাউল সংগ্রহের পিসি বাবদ ১১ লক্ষ ৪ হাজার ও বিল পরিশোধ বাবদ আর ২২ লক্ষ ৬৩ হাজারসহ সর্বমোটমোট ৩৩ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে হাতিয়ে নেন বকশীগঞ্জ উপজেলায় অতিরিক্ত দায়িত্ব থাকায় খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাহিনা আক্তার ।
অভিযোগে আরও জানা যায়, তার এই দুর্নীতির বিষয়ে একাধিকবার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বরাবর মৌখিকভাবে অভিযোগ দেওয়ার পরেও তিনি কোন কার্যকরী ব্যবস্থা না নেওয়ায় সাহিনা আক্তার দুর্নীতি এখন ওপেন সিক্রেটে পরিণত হয়েছে।
মিল মালিকদের পক্ষে অভিযোগ দায়ের করেন মিল মালিক আবুল কালাম। প্রতিকারের আশায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পরিচালক প্রশাসন, পরিচালক সংগ্রহ বিভাগ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, দুর্নীতি দমন কমিশন, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন জায়গায় লিখিত আবেদন করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাহিনা আক্তার জানান, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মাহাবুবুর রহমান খান জানান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সাহিনা বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জানা রয়েছে। আগামী মৌসুম শুরু হওয়া আগেই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেওয়া হবে।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102