Blog Image

প্রতীক্ষার অবসান, আগামীকালই বকশীগঞ্জ পৌরসভার শপথ অনুষ্ঠান

স্টাফ রিপোর্টারঃ বহুল আলোচিত বকশীগঞ্জ পৌরসভায় শপথ অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল ২৪ ফেব্রুয়ারী। নির্বাচন হওয়ার পর দীর্ঘ ১ বছর ২ মাস পর এই শপথ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে এ মাসেই গত ১৩ ফেব্রুয়ারী গেজেটে অন্তর্ভুক্ত হন নির্বাচিত মেয়র, ১২ জন কাউন্সিল ও ৩ মহিলা কাউন্সিলর ।
২০১৩ সালে ফেব্রুয়ারী ফেব্রুয়ারী মাসে পৌরসভায় গঠিত হলেও দীর্ঘ ৫ বছর পর গত ২০১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর নজিরবিহীন নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত। নির্বাচনে ১২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১টিতেই অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহন সম্পন্ন হয়। মালিরচর হাজীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রটিতে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ে ঘটনায় ভোটগ্রহন বাতিল করে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার।
১২ কেন্দ্রের মধ্যে স্থগিত হওয়া একটি কেন্দ্রে রোববার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়। এরপর গণনা শেষে দেখা যায়, জগ প্রতীক নিয়ে নজরুল ইসলাম সওদাগর পেয়েছেন নয় হাজার ৩৮৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ফখরুজ্জামান মতিন পেয়েছেন সাত হাজার ৭৬৮ ভোট।


এর আগে ২০১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন বকশীগঞ্জ পৌরসভার ১২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১ কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন হলেও মালিরচর হাজীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এ কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসার। তিন দফা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করার পরেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী শাহিনা বেগমের করা মামলার কারণে ভোট হচ্ছিল না। ওই দিনের নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম সওদাগর আট হাজার ৫৯৯ ভোট পেয়ে এগিয়ে ছিলেন। তারপরেই অবস্থান ছিল বিএনপির মেয়র প্রার্থী ফখরুজ্জামান মতিনের। ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি পেয়েছিলেন সাত হাজার ৫০৫ ভোট। আর আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী শাহীনা বেগম নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছিলেন পাঁচ হাজার ১৬০ ভোট। স্থগিত কেন্দ্রের মোট ভোট সংখ্যা এক হাজার ৫৮৩। নিকটতম দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান স্থগিত কেন্দ্রের ভোটের চেয়ে কম হওয়ায় ফলাফল স্থগিত রাখে নির্বাচন কমিশন।
গত ১০ ফেব্রুয়ারি স্থগিত হওয়া কেন্দ্রে হওয়া নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নজরুল ইসলাম সওদাগর পেয়েছেন ৭৮৭ ভোট। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী শাহিনা বেগম পেয়েছেন ৩১৪ ভোট আর বিএনপির প্রার্থী ফখরুজ্জামান মতিন পেয়েছেন ৬৩ ভোট।
স্থগিত কেন্দ্রে ভোট গ্রহন শেষে জগ প্রতীক নিয়ে নজরুল ইসলাম সওদাগর পেয়েছেন নয় হাজার ৩৮৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির প্রার্থী ফখরুজ্জামান মতিন পেয়েছেন সাত হাজার ৭৬৮ ভোট।
গত ফেব্রুয়ারী নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের গেজট প্রকাশিত হয় এবং আগামী কাল ফেব্রুয়ারী বিভাগীয় কমিশনার নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথের তারিখ ঘোষনা করে।
আগামীকাল রবিবার সকাল সাড়ে নয়টার বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হওয়ার সাথে বহু দিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

[custom_share_link]

এ ধরনের আরও খবর