সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English

বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন, মনোনয়ন যুদ্ধে ওরা চার জন

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৯
  • ১০৪৮ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শুরু হয়েছে মনোনয়ন যুদ্ধ। এ পর্যন্ত পাচ জন দলীয় মনোনয়নপত্র কেনার খবর পাওয়া গেছে।
তবে মুলে যুদ্ধে রয়েছেন মুলত চার জনই রয়েছেন বলে মনে করেন সাধারন ভোটারসহ তৃনমুলের আওয়ামীলীগ। এদের মধ্যে রয়েছেন বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রজন্মলীগের সভাপতি মন্ডলীর প্রভাবশালী সদস্য আবু জাফর, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও বকশীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠিতা সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বীর মুক্তিযোদ্ধ আব্দুল হামিদের ছেলে সাইফুল ইসলাম বিজয় ও এলাকাদরদি খ্যাত আওয়ামীলীগ নেতা এমদাদুদুল হক এমদাদ, ময়মনসিংহ বিভাগীয় স্বেচ্ছালীগের আহ্বায়ক ও আওয়ামীলীগ থেকে প্রথম মনোনিত এমপি এডভোকেট আশরাফ হোসেনের পুত্র মোফাখখার হোসেন খোকন। এর বাইরে রয়েছেন চলচিত্র প্রযোজক আবুল কালাম আজাদ ফড়িং।
তবে কে পাচ্ছেন দলীয় মনোনয়ন তা নির্ধারিত হবে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই।


আবু জাফর: মনোনয়ন দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন আবু জাফরই। কারন আবু জাফর গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে রানার্স আপ হয়েছিলেন। নেতাকর্মী বান্ধব আবু জাফর গত বছরের তুলনায় এবারের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি আওয়ামীলীগের জোয়ার এখন সবত্রই। গত দশ বছরে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডে গত নির্বাচনের তুলনায় এবার আবু জাফরের জনপ্রিয়তা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করেন তার সমর্থকরা।

সাইফুল ইসলাম বিজয়: সংকটময় কোন্দলে জর্জড়িত আওয়ামীলীগের একমাত্র কান্ডারী হচ্ছেন এই বিজয়। দলীয় কোন্দলে তার কৌশলী ভুমিকায় বকশীগঞ্জে অনেক রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। পরপর দুই বার তিনি তৃনমুল নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ ভোটে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক আব্দুল হামিদ পুত্র সুদর্শণ সাইফুল ইসলাম বিজয়ের রয়েছে বর্ণাঢ্যময় রাজনৈতিক ইতিহাস। শুধু আওয়ামীলীগ রাজনীতি সাথে জড়িত থাকার কারণে মুক্তিযুদ্ধকালীন তার সমস্ত বাড়ী ঘরে অগ্নি সংযোগ করে পাক বাহিনী ও রাজাকাররা। গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচন ও পৌর নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়েও ব্যর্থ বিজয়। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্তে তিনি দলের প্রার্র্থীর পক্ষে নিবেদিত হয়ে কাজ করেন।
ক্লাশ থ্রি থেকে জয় বাংলা আর নৌকা নৌকা করা বিজয় এখন পরিপুর্ন রাজনীতিবিদ। অতীত ইতিহাসে দলীয় মুল্যায়নে বিজয়ের হাতেই উঠবে নৌকার বৈঠা এটাই মনে করেন তার সমর্থকরা।

এমদাদুল হক এমদাদ: এলাকার উন্নয়ন, বেকার সমস্যার কথা চিন্তা করে শত প্রতিকুলতার মাঝে তিনি এলাকায় বৃহত শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে সাধারন মানুষের হিরো বনে গেছেন এমদাদুল হক এমদাদ। গত নির্বাচন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে নির্বাচন করে আওয়ামীলীগের মনোনিত প্রার্থীর প্রায় সমান সমান ভোট পেয়ে চমক সৃষ্টি করেন। ব্যক্তিগতভাবে সামাজিক, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তিনি সহযোগিতা করার পাশাপাশি দুস্থ, গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে দাড়ান। জন্মগতভাবে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও গত বছর ডিসেম্বরে আওয়ামীলীগে সক্রিয়ভাবে যোগদান করেন। এ সময়ের মধ্যেই সকল নেতাকর্মীদের মনজয় করে নিয়েছেন এমদাদ। অত্যন্ত জনপ্রিয় কেবল এমদাদকে দিয়ে আজন্ম অধরা চেয়ারম্যান পদটি উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে মনে করে তার সমর্থিত নেতাকর্মীরা।

মোফাখখার হোসেন খোকন: উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হচ্ছেন মোফাখখার হোসেন খোকন পাশাপাশি তিনি ময়মনসিংহ বিভাগীয় স্বেচ্ছ সেবক লীগের আহ্বায়ক। বাবা অ্যাডভোকেট আশরাফ হোসেন ছিলেন আওয়ামীলীগের সমর্থিত জনপ্রতিনিধি ও মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক। কর্মবান্ধব তরুণ এ জননেতা লবিং এ সবার চেয়ে এগিয়ে। সবাইকে ছাপিয়ে তার হাতে নৌকার বৈঠা উঠলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102