September 19, 2020, 12:34 pm
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
জামালপুর পৌরসভা নির্বাচনঃ প্রার্থী হিসাবে অধ্যাপক সুরুজ্জামানের পরিচিতি ভাষা সৈনিক এডভোকেট আশরাফ হোসেনের ইন্তেকাল বকশীগঞ্জে হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা না থাকায় দুর্ভোগ চরমে বকশীগঞ্জে পেঁয়াজের মূল্য বৃদ্ধি রুখতে বাজার মনিটরিংয়ে ইউএনও জনগনকে থানায় যেতে হবে না, পুলিশ যাবে জনগনের কাছে.. সীমা রানী সরকার জামালপুর জেলা আ’লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা বকশীগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর, জেলা আ’লীগের ৩ সদস্যের তদন্ত টিম গঠনের সিদ্ধান্ত নুর মোহাম্মদের পদত্যাগ পত্র গ্রহন করে নাই জামালপুর জেলা আওয়ামীলীগ বিএনপি নেতা খায়ের তালুকদারের ইন্তেকাল জামালপুর আ’লীগের সভাপতি এডঃ বাকী বিল্লাহর জন্মদিন

প্রচারণায় মন্ত্রী-এমপিদের ছাড়তে হবে সরকারি সুবিধা

Reporter Name
  • Update Time : Wednesday, November 14, 2018
  • 511 Time View
অনলাইন ডেস্কঃ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মন্ত্রী-সংসদ সদস্য (এমপি) ও সরকারি সুবিধাভোগীরা যাতে সরকারি সুবিধা নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে না পারেন তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক তথা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দায়িত্ব-কর্তব্য বুঝিয়ে দিতে নির্বাচন ভবনে মঙ্গলবার (১৩ নভেম্বর) একটি কর্মশালার আয়োজন করে। দিনব্যাপী সেই কর্মশালায় নির্বাচন কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন জেলা প্রশাসকরা। তারা নির্বাচনের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করণীয় জানতে চান। নির্বাচন কর্মকর্তাদের পাশপাশি নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম তাদের নির্দেশনা দেন।

বৈঠকের একাধিক সূত্র বিষয়টি বাংলানিউজকে নিশ্চিত করেন। সূত্রগুলো জানায়, জেলা প্রশাসকদের একটি সাধারণ প্রশ্ন ছিল- ক্ষমতাসীনদের কীভাবে লেবেল প্লেয়িং ফিল্ডের আওতায় আনা হবে। এক্ষেত্রে তাদের নির্বাচনী আচরণবিধিতে উল্লেখিত করণীয় সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।


নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্যে বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তাকেই নির্বাচনকালীন সব ক্ষমতা দিয়েছে আইন। তাই আইনে যা বলা আছে তা প্রতিপালন করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারে যারা রয়েছেন বিশেষ করে মন্ত্রী-এমপি তথা সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি যারা আছেন, তারা যেন প্রটোকল বা সরকারি সুবিধা (গাড়ি বা অন্যান্য) নিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম বা প্রচারণা চালাতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

নির্বাচনী আচরণ বিধি অনুযায়ী, সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি বলতে, প্রধানমন্ত্রী, সংসদের স্পিকার, মন্ত্রী, চিফ হুইপ, ডেপুটি স্পিকার, বিরোধীদলীয় নেতা, সংসদ উপনেতা, বিরোধীদলীয় উপনেতা, প্রতিমন্ত্রী, হুইপ, উপমন্ত্রী বা তাদের সমপদমর্যাদার কোনো ব্যক্তি, সংসদ সদস্য এবং সিটি করপোরেশনের মেয়রকে বোঝানো হয়েছে।

বিধিমালায় বলা হয়েছে- সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নির্বাচনপূর্ব সময়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন না। নির্বাচনপূর্ব সময় বলতে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ফলাফল সরকারি গেজেটে প্রকাশ করার সময় পর‌্যন্ত বোঝানো হয়।


তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তার জন্য তার প্রটোকল নিয়ে প্রচারণা চালাতে পারবেন। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য হিসেবে অন্য একটি আইনে তাকে প্রটোকল দেওয়ার বিধান রয়েছে।

রিটানিং কর্মকর্তাদের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের সহায়তা করার বিষয়টিও ব্যাখা করেন ইসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। তাদের বলা হয়- যেন সাংবাদিকদের যথাযথ সহায়তা করা হয়। এছাড়া ভোটারদের নিরাপত্তা, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও সভায় আলোচনা হয়। ব্যাখা দেওয়া হয় মনোনয়নপত্র দাখিল-বাছাইয়ে তাদের করণীয় কী হবে সে সম্পর্কে।

ইসি ঘোষিত পুনঃতফসিল অনুযায়ী, আগামী ৩০ ডিসেম্বর সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলে শেষ সময় ২৮ নভেম্বর। বাছাই ২ ডিসেম্বর। আর প্রার্থীতা প্রত্যাহার ৯ ডিসেম্বর।

সুত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102