বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ১০:২২ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English

বকশীগঞ্জে ইউএনও-শিক্ষা অফিসারসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৮
  • ১১৮৩ জন সংবাদটি পড়ছেন

জামালপুরের বকশীগঞ্জে জেএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে চারজন শিক্ষকের জেল-জরিমানা ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির ঘটনায় ইউএনও-শিক্ষা অফিসারসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে এ রিটটি করেন চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম।

রিট আবেদনে যাদের বিবাদী করা হয়েছে তারা হলেন, শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের সচিব, মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, ডিসি, ইউএনও, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, কেন্দ্র কমিটির সদস্য উলফাতুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, ধানুয়া কামালপুর কো-অপারেটিভ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী কেন্দ্র সচিব হাসিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

এছাড়া তিনি ইউএনও দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছানোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দফতরের সচিব বরাবর অভিযোগ করেছেন।


চন্দ্রবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, বিগত বছরের মতো চলতি বছর চন্দ্রাবাজ রশিদা বেগম স্কুল অ্যান্ড কলেজে জেএসসি পরীক্ষার কেন্দ্র করা হয়। শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা মোতাবেক ইউএও দেওয়ান মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সভাপতি, অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলামকে কেন্দ্র সচিব ও শিক্ষা কর্মকর্তা ছানোয়ার হোসেনকে সদস্য করে ইউএনও স্বাক্ষরিত ৫ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্র কমিটি গঠন করা হয়।

ওই কেন্দ্রে ১৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৬৭২জন পরীক্ষার্থীর স্থান সংকুলান না হওয়ায় বাট্টাজোড় হাসিনা গাজী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সোনাইতুন্নেছা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চন্দ্রাবাজ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভেন্যু কেন্দ্র করা হয়। কেন্দ্র সচিব হিসেবে মূল কেন্দ্রের দায়িত্বে অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম থাকলেও ওই তিন ভেন্যু কেন্দ্রে ইউএনও স্বাক্ষরিত আলাদা কেন্দ্র কমিটি করা হয়।

কমিটিতে ১জন সহকারী কেন্দ্র সচিব, ১জন হল সুপারসহ অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ এবং সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দেয়া শিক্ষকদের নামের তালিকা থেকে কক্ষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়। কিন্তু গত পহেলা নভেম্বর বৃহস্পতিবার জেএসসির বাংলা পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে ভেন্যু কেন্দ্র হাসিনা গাজী উচ্চ বিদ্যালয়ে থেকে ইঞ্জিনিয়ার অন্তর নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দেয়া তালিকার ৩জন শিক্ষককে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ইউএনও। একই সময় দায়িত্বে অবহেলার কথা জানিয়ে তাকেও ২০ দিনের কারাদন্ড অনাদায়ে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। সেই সাথে তাকে কেন্দ্র সচিবের পদ থেকে অব্যহতি দেয়া হয়। পরে ১ লাখ টাকা জরিমানা দিয়ে মুক্তি পান অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম।

এ ব্যাপারে অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের দেয়া শিক্ষকদের নামের তালিকা থেকে কক্ষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাছাড়া আমি মূল কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলাম। ভেন্যু কেন্দ্র পরিচালনার দায়িত্ব ওই কেন্দ্রের দয়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিবের উপর বত্যায়। কিন্তু মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের যোগসাজসে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে অন্যায়ভাবে এ দণ্ড প্রদান করেছেন ইউএনও ।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ছানোয়ার হোসেন বলেন, তাকে জরিমানা করা হয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে। এখানে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগের কি আছে। তাছাড়া আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে সে বিষয়ে আমি অবগত নই।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102