বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English

নারী সম্মান রক্ষার্থেই মামলা করেছি… ফারজানা ইয়াসমিন লিটা

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৮
  • ৬৩৮ জন সংবাদটি পড়ছেন
সাংবাদিকদের সাথে কথা বলছেন ফারজানা ইয়াসমিন লিটা

জামালপুর কোর্ট প্রঙ্গণ থেকে ফিরে গোলাম রাব্বানী নাদিম ঃ  বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, বিশিষ্ট্য একজন আইনজীবি হয়েও একজন নারীর সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় তিনি জানেন না, এদের মত মানুষ দেশের নেতৃত্বে আসলে কিভাবে দেশ চালাবে? এমনটাই প্রশ্ন করে বসলেন সম্প্রতি সময় বহুল আলোচিত জামালপুর জেলা যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক ফারজানা ইয়াসমিন লিটা।


গতকাল ২১ অক্টোবর জামালপুর চীপ জুডিশিয়ার ম্যাজিস্ট্রেট আদলাতের জামালপুর সদর কোর্টে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে নারী সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে নিয়ে একটি বেসরকারী টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে কুটক্তি করায় ২০ হাজার কোটি টাকার মানহানি মামলা করেন তিনি।এই মামলা দায়ের পরই দেশ জুড়ে আলোচনা কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন লিটা।

মামলা দায়েরের পর কোর্ট প্রাঙ্গণে নেতাকর্মীরা

তিনি সাংবাদিকদের জানান, প্রকাশ্যে একজন নারীকে চরিত্রহীনা বলায় দেশের প্রতিটি নারীর সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তিনি মাসুদা ভাট্টিকে চরিত্রহীনা বলে শুধু তাকেই অপমান করেননি দেশের প্রতিটি নারীকেই তিনি অপমান করেছেন। একজন নারী হিসাবে অন্য একজন নারীর অপমান কোনভাবেই মেনে নিতে পারি না তাই বাধ্য হয়েই ব্যারিস্টার মইনুল হেসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।
মামলা দায়ের কালে প্রায় অর্ধশত যুব মহিলা লীগের নেতাকর্মীরা লিটার সাথে এসেছেন। তার মধ্যে কথা হয় যুগ্ম আহ্বায়ক নাজনীন আক্তার রুমি এবং ফারজানা সোমার সাথে। তারাও লিটার কথা সাথে সম্পূর্ন একমত পোষন করেন।


প্রসঙ্গত, রবিবার (২১ অক্টোবর) সকালে জেলার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যুব মহিলা লীগের জামালপুর শাখার আহ্বায়ক ফারজানা ইয়াসমীন লিটা বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে ২০ হাজার কোটি টাকার মানহানির মামলাটি করেন।

মামলায় বলা হয়, গত ১৬ অক্টোবর একাত্তর টিভির ‘একাত্তর জার্নাল’  টকশোতে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে লক্ষ্য করে অবমাননাকর বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, যা সমগ্র নারীর মর্যাদাকে হেয় করা হয়েছে। তার বক্তব্য মানহানিকর। মামলায় ২০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে। ফারজানা ইয়াসমীন লিটার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট বাকী বিল্লাহ।
আদালতের বিজ্ঞ বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোলায়মান কবির মামলাটি গ্রহণ করে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102