Blog Image

ফারমার্স ব্যাংকের বকশীগঞ্জ শাখার ব্যাবস্থাপক মাসুদের জামিন

অনলাইন ডেস্কঃ ফারমার্স ব্যাংকের অর্থপাচার মামলায় ব্যাংকটির জামালপুরের বকশীগঞ্জ থানা শাখার ফার্স্ট প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান খানকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি একই মামলার অন্য আসামি ব্যাংকটির গুলশান শাখার ব্যবস্থাপক জিয়া উদ্দিন আহমেদের পক্ষে করে রুল খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। পৃথক দুটি রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে রবিবার (১৪ অক্টোবর) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।


আদালতে আসামি মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান খানের পক্ষে জামিন শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু। অন্য আসামি জিয়া উদ্দিন আহমেদের পক্ষে জামিন শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মো. আহসান উল্লাহ। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম এ আজিজ খান।


এর আগে মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে ১৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪২ টাকা স্থানান্তর, হস্তান্তর ও লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করে ব্যাংকটির সাবেক পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতিকে অর্থপাচারে সহায়তা করার অভিযোগ ওঠে। একইসঙ্গে আসামিদের নিজেদের নামে কেনা ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন করায় তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের অধীনে মামলা হয়।
সবশেষে ২০১৮ সালের ১০ এপ্রিল দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম বাদী হয়ে গুলশান থানায় ৬ জনকে আসামি করে এ মামলা করেন। এরপর একইদিনে মামলার দুই আসামি মাসুদুর রহমান খান ও জিয়া উদ্দিন আহমেদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
পরে আসামিরা বিচারিক আদালতে জামিন চাইলে তা নামঞ্জুর হয়। এরপর পৃথক পৃথক আবেদনের মাধ্যমে তারা হাইকোর্টে জামিন চাইলে আদালত তাদের জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন। সে রুলের শুনানি শেষে রবিবার (১৪ অক্টোবর) মামলার আসামি জামালপুরের বকশীগঞ্জ থানা শাখার ফার্স্ট প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মাসুদুর রহমান খানকে জামিন দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি মামলার আরেক আসামি ব্যাংকটির গুলশান শাখার ব্যবস্থাপক জিয়া উদ্দিন আহমেদের রিটের ওপর জারি করা রুল খারিজ করে দেন আদালত।

নিউজটি শেয়ার করুন..

[custom_share_link]

এ ধরনের আরও খবর