মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০, ১২:০১ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
দুই মামলায় রাশেদ চিশতির জামিন দেওয়ানগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানালেন অধ্যাপক সুরুজ্জামান বকশীগঞ্জে পৌর আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের সংর্ঘষ ।। আহত অর্ধশতাধিক বকশীগঞ্জে নারী ও শিশু ধর্ষণ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত দেওয়ানগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর বকশীগঞ্জে এসডিজি অর্জনে জেলা নেটওয়ার্কের ষান্মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে পুকুরে ডুবে ভাই বোনের মৃত্যু বকশীগঞ্জে ইলিশ রক্ষায় নিজেই মাঠে নামলেন ইউএনও মুনমুন জাহান লিজা জামালপুরে সাত দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ শুরু বকশীগঞ্জে উপজেলা পরিষেদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

জামালপুরের আওয়ামী রাজনীতির অঙ্গণে সতর্ক হওয়ার এখনই সময়!!!

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ৮৫৮ জন সংবাদটি পড়ছেন
[quote]”বেড়ায় ক্ষেত খেলে” আফসোসের শেষ থাকবে কি? থাকবে না।কাজেই, “বেড়া থেকে ” সাবধান!!! কে কখন? কোন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য? কোন ভাষা প্রয়োগ করছে? আওয়ামী তৃণমূলের কর্মিরা সবই বুঝে। জামালপুর আওয়ামী পরিবারের নেতা কর্মিরা সন্দেহাতীত ভাবে রাজনৈতিক সচেতন ও চৌকষ এবং রাজনীতির কষ্টিপাথরে পরীক্ষিত এঁরা। এঁদের চোখে ধুলো ছিঁটিয়ে,ঘোলা পানিত মাছ শিকারের কোন অপচেষ্টাই হালে পানি পাবেনা। আসুন, সচেতন ও সক্রিয় হই দলের প্রয়োজনে।[/quote]
অধ্যাপক সুরুজ্জামান, অতিথি লেখক, সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জঃ
দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশী সময় পরে জামালপুরের আওয়ামী রাজনীতির অঙ্গনে অশান্তি দেখা যাচ্ছে। আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীতা নিয়ে এই অশান্তির সূচনা।


এই সময়ে এটিা কোন ভাবেই কাম্য হতে পারে না।
আগামী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে জামালপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই দলীয় প্রার্থীতা নিয়ে একাধিক প্রার্থীর মধ্যে কেন্দ্রীয় সমর্থন লাভের প্রচেষ্টার দৌড়ঝাপের ফলেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
আসন্ন এই নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন লাভের প্রত্যাশায় ঐ চারটি আসনেই একাধিক প্রার্থী এখন মাঠে বিচরণ করছেন।এখানে সকল প্রার্থীই যেহেতু দলের এবং মনোনয়ন দিবেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। কাজেই জনপ্রিয়তার পরীক্ষা দিয়েই মনোনয়ন পেতে হবে। সেই ক্ষেত্র প্রার্থীদের জনপ্রিয়তার এসিড টেস্ট হবে প্রার্থীদের প্রত্যাশিত আসনটির মাটিতেই। সেই লক্ষে প্রার্থীগণ নিজেদের জনপ্রিয়তা যাচাইয়ের জন্য প্রচার করবেন সেটিই স্বাভাবিক। তবে প্রচারণাটি হতে হবে সাংগঠনিক নীতিমালার সীমাবদ্ধতার মধ্যে।
ইতিমধ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা সে নির্দেশনা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের দায়িত্ব হলো প্রিয় নেত্রীর সে নির্দেশনা যাতে বাস্তবায়িত হয়। কিন্তু বাস্তবতা এখন ভিন্ন।
জেলার চারটি আসনে এখন পরস্পর বিরোধী মহড়া চলছে। ওমুক ছাড়া নৌকা চাই শ্লোগান হচ্ছে কোন কোন আসনে। পত্র-পত্রিকার খবরেও তাই দেখেছি। দলবিরোধী অপপ্রচার ও মিথ্যাচার দিয়ে, দলের নেতা ও কর্মিদের বিভ্রান্ত না করে, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নির্বাচনের প্রচারণা করলে দলের মাঝে এই বিভেদের দেয়াল সম্প্রসারিত হবে না। এই উপলব্ধিটাই এখন সবার জন্য জরুরী।
অথচ এই সহজ উপলদ্ধির জলাঞ্জলী দিয়ে আমরা পরস্পরের বিরুদ্ধে আমরা বিষোধাগারে ব্যস্ত। দলের সার্বিক সংহতির জন্য নিঃসন্দেহে এটি খুবই ক্ষতিকর।
জামালপুরের আওয়ামী রাজনীতিতেও এখন দলবিধংসী তৎপরতা চলছে। দলের সার্বিক সংহতি বিনষ্টের অপতৎপরতা এখানে সক্রিয়। দলের কিছু নেতা আসন্ন নির্বাচন কে ঘিরে ব্লেইম গেইমে মত্ত হয়েছেন। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ফ্রি-স্টাইল প্রচারণাকে উৎসাহিত করা হচ্ছে দায়িত্বশীলদের পক্ষ থেকে কিছু না বলে। তাদের দায়িত্ব ছিল মনোনয়ন প্রত্যাশী সকলকেই ইতিবাচকধারায় নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর জন্য সীমারেখা দিয়ে দেওয়া। কিন্তু তাঁরা সেটি করেননি। তাঁদের এই দায়িত্ব অবহেলার সুযোগে জেলার চারটি আসনেই প্রচারণা চলছে এখন ফ্রি স্টাইলে!
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সৃষ্টি হয়েছিল জামালপুর-১ এর বিরোধ। যা এখনও চলমান।
জামালপুর-২ এ বিভিন্নমুখি সমীকরণে হঠাৎ সৃষ্ট বিরোধের জেরে এই জনপদ এখন উত্তপ্ত ও দলের মাঝে বিভাজন সুস্পষ্ট।
জামালপুর-৪ এ সখি তুমি আমার নাকি ওর?
জামালপুর -৫ এ চলছে বিগত জেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থীেদর প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগে দলের মাঝে সৃষ্ট অশান্তির আগুন। সেই সময়ে দলের বিভাজিত মতের ফাঁটল দিয়ে সদর উপজেলার আওয়ামী রাজনীতির পরিমন্ডলে খুবই সুকৌশলে যে অশান্তির আগুন ছড়িয়েছিল তা আজ সময়ের ফেরে অনেকটাই আরো বেশী জ্বল জ্বল করছে। এটি নিভাতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে সন্দেহে নেই। কাজেই আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার পাঁচটি আসনেই বিজয় অর্জনের পথকে সুগম করার জন্য চোখকান খোলা রাখতে হবে দিবারাত্রি। অতন্দ্র প্রহরীর মতো।
“বেড়ায় ক্ষেত খেলে” আফসোসের শেষ থাকবে কি? থাকবে না।কাজেই, “বেড়া থেকে ” সাবধান!!! কে কখন? কোন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য? কোন ভাষা প্রয়োগ করছে? আওয়ামী তৃণমূলের কর্মিরা সবই বুঝে। জামালপুর আওয়ামী পরিবারের নেতা কর্মিরা সন্দেহাতীত ভাবে রাজনৈতিক সচেতন ও চৌকষ এবং রাজনীতির কষ্টিপাথরে পরীক্ষিত এঁরা। এঁদের চোখে ধুলো ছিঁটিয়ে,ঘোলা পানিত মাছ শিকারের কোন অপচেষ্টাই হালে পানি পাবেনা। আসুন, সচেতন ও সক্রিয় হই দলের প্রয়োজনে। এটিই আজকের প্রত্যাশা ।

 

অধ্যাপক সুরুজ্জামান, অতিথি লেখক, সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, জামালপুর জেলা আওয়ামীগ।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102