শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৪৬ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
জুমের মাধ্যমে কামালপুর মুক্ত দিবস পালিত শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় চির বিদায় নিলেন আবুল কালাম আজাদ মেডিসিন আবুল কালাম আজাদ মেডিসিনের মৃত্যু ॥ নুর মোহাম্মদের শোক আবুল কালাম মেডিসিনের মৃত্যুতে এমপি আবুল কালাম আজাদের শোক কামালপুর মুক্ত দিবসের সকল অনুষ্ঠান বাতিল জামালপুরে জেলা আ’লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের মৃত্যু বকশীগঞ্জে অবৈধ ৪ ড্রেজারে আগুন, পাইপ ধ্বংস জামালপুরে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করলেন ৪৫ জন বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবে অতিরিক্ত সচিব শাওলী সুমনের রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল বক‌শীগঞ্জ উপ‌জেলা বিএন‌পি`র আহ্বায়ক ক‌মি‌টির প‌রি‌চি‌তি সভা

আর কত বয়স হলে ভাতা পামু?

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ১০৫৫ জন সংবাদটি পড়ছেন

হারুন অর রশীদঃ বয়স ৮০ ছুই ছুই। স্বামী ইহকাল ত্যাগ করেছেন ২ দুই যুগ আগে। শেষ সম্বল একটি ছেলে ১০ বছর বয়সে মারা গেছে ১২ বছর আগে।
দিন চলে পেটে ক্ষুধা নিয়ে আর রাত চলে না খেয়ে। চারিদিকে এত উন্নয়ন পেটের ক্ষুধার জ্বালায় সবই ধুয়াসা মনে হয় সামিরণের। বিধাবা ভাতা আর বয়স্কভাতা কোনটাই ভাগ্যে জুটেনি সামিরণের।


কত বয়স হলে বয়স্ক ভাতা পাওয়া যায়, আর কত বয়স হলে বয়স্কভাতা পাওয়া যায়? সেটাও জানেন না তিনি।
সাংবাদিক দেখেই সোজা সাপ্টা প্রশ্ন, বাপু আর কত বয়স হলে বয়স্কভাতা পামু?
দেওয়ানগঞ্জ চর আমখাওয়া ইউনিয়নের নবীনাবাদ গ্রামে বৃদ্ধা সামিরনের বাড়ী গিয়ে দেখা যায়, ছোট্ট একটা দো-চালা এক ঘর। সেখানে রয়েছে ভাঙ্গা একটা চৌকি। তাতেই সমিরনের বসবাস।
রোগে শোকে নুইয়ে পরা ছামিরন বেওয়াকে দেখার কেউ নাই। স্থানীয় প্রতিনিধিদের পিছে ঘুরে বয়সের ভার আরও দিগুন হয়েছে বলে তার অভিমত। ভাতার জন্য সুবিধা ফি দিতে না পারায় তার ভাগ্যে জোটেনি বিধবা ভাতা বা বয়স্ক ভাতার মত শেষ অবলম্বনটিও।
তার প্রতিদিনের খাবার জোগার হয় প্রতিবেশিদের দয়ায়। যেদিন দেয় সেদিন জুটে খাবার, না দিলে না খেয়ে থাকতে হয়।
কষ্ট হলেও ভিক্ষা করেন না সামিরন। যতদিন গায়ে শক্তি আছে ততদিন কাজ করে খাবে। তবে বর্তমানে বয়সের ভারে এখন অনেকটাই অচল পয়সার মত। কেউ আর আগের মত ডাকেও না আর দামও দেয় না।


জনবান্ধব বাংলাদেশ সরকার ক্ষুধা ও দারিদ্র শুন্যের কোটায় আনতে বিধবা ও অসহায় বয়স্ক ভাতা সুবিধা চালু করেছে তা থেকে কোন অদৃশ্য বলে গরীব অসহায় মানুষ গুলো বঞ্চিত হয় সে তথ্য জানেনা ছামিরন বেওয়া। গত ২০১৫ সালে ইকো সোশাল ডেপলোপমেন্ট ওরগানাইজেশন (ইএসডিও) চর জীবিকায়ন কর্মসূচি (সিএলপি) এর সহযোগিতায় একটা ছোট দো-চালা ঘরের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানে ক্ষুধার সাথে অবিরাম সংগ্রাম করে চলছে সামিরণের জীবন।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102