শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English

” তৃণমূলই শেখ হাসিনা’র মনোবল, দলবাঁজদের জন্য অশনি সংকেত”!!

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ১০৪৯ জন সংবাদটি পড়ছেন

তৃণমূলই আওয়ামী লীগের অমূল্য সম্পদ। আওয়ামী লীগের প্রয়োজনে এঁরাই বারবার রক্ত দিয়েছে। দলকে টিকিয়ে রেখেছে এঁরাই। এঁদের চাহিদা মূল্যায়ন করেই আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীক দেয়া হবে।

অধ্যাপক মোঃ সুরুজ্জামান, অতিথি লেখক, সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ

বড় কোন নেতা যে অঞ্চলে বসবাস করেন, সেই অঞ্চলে ঐ নেতার কারণেই তাঁর সমর্থিত রাজনৈতিক দলের সার্বিক সাংগঠনিক অবস্থাও ভাল থাকবে এটাই বাস্তব সম্মত। পাশাপাশি দলটি যদি ক্ষমতাসীন হয়, তবে ঐ নেতার ভাল কাজের কারণে দলের গ্রহন যোগ্যতাও ক্রমশই উর্ধমুখি হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিষয়টা যখন উল্টা হয় অর্থাৎ নেতার কারণে দলের অবস্থান সাধারণের কাছে যখন অগ্রহনযোগ্য হয়, তখন অনেক নেতাই এই বিষয়টাকে ক্ষমতাসীন দলের কর্মিদের উপর দোষ চাপিয়ে নিজেকে সাধু প্রমান করতে চান। এটিই এখন বাস্তবতা।


এই বাস্তবতার পথ ধরেই এগিয়ে চলছি আমরা। সারাদেশে ক্ষমতাসীন দলের যতটুক সমালোচনা তার সবটুকুই দলের মন্ত্রী, এমপি, বড় নেতা, জেলা নেতা, উপজেলা নেতা, ইউনিয়ন নেতাসহ দলের মাঝে অাশ্রয় প্রাপ্ত বিজাতীয় সুবিধাবাদীদের কারণে। এটিকে অস্বীকার করার সুযোগ নেই। দেশের মানুষের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নে সরকার ইতিবাচক অনেক কিছুই করেছে। এরপরও দেশে বিরাজমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় সরকারের বহুমুখি সমালোচনা বিদ্যমান। আর এই সমালোচনার অধিকাংশই দলের নেতাদের কারনেই। নেতাদের নিজস্ব পরিপুষ্টতা অর্জনে অবৈধ কাজের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার জেরই এই সমালোচনা। একটি দল কখনও জনবিদ্বেষী কাজ করতে পারে না। সেটি করে দলের কতিপয় স্বার্থান্বেষী নেতা বা কর্মি। আওয়ামী লীগ সরকারে দীর্ঘদিন। এই দীর্ঘ সময়ে দলের ক্ষমতাকে পূঁজিকরে যারা দলের ভাবমূর্তিকে বিনষ্ট করেছে। যারা দলকে সাধারণ মানুষের কাছে, বিরোধী দলের কাছে, সমালোচনার বিষয়ে পরিণত করেছে। তাদেরই অপকর্মের দায়ভার এখন দলের বোঝা হয়েছে। এই বোঝা কাঁদে নিয়েই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বৈতরণী পাড়ি দিতে হবে।

উচ্চাভিলাষী কতিপয় নেতার অপকর্মের বোঝা এখন বহন করতে হবে মাঠ কর্মিদেরই। দায় এখন এঁদেরই। কারণ দলের কাছে এঁদের কোনই চাওয়া নেই। এঁরা দল করে নিজের যা আছে তা বিকিয়ে। এঁরা দলবাজিতে নেই। নেই কোন অনৈতিক সুবিধাবাজিতেও নেই। এঁরাই দল কানা।

সেই জন্যে প্রিয়নেত্রী বারবার উচ্চারণ করেছেন ——- “তৃণমূলই আওয়ামী লীগের অমূল্য সম্পদ। আওয়ামী লীগের প্রয়োজনে এঁরাই বারবার রক্ত দিয়েছে। দলকে টিকিয়ে রেখেছে এঁরাই। এঁদের চাহিদা মূল্যায়ন করেই আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীক দেয়া হবে।” দলবাঁজ, তেলবাজ, হাইব্রিড, কাউয়া অপকর্মবাজ ও অনুপ্রবেশকারীদের কারণে দলের মাঝে সৃষ্ট অসংগতি মোকাবেলা করেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করার একামাত্র হাতিয়ার আওয়ামী লীগের এই তৃণমূলই । এঁরাই জননেত্রী শেখ হাসিনা’র মনোবল। এঁদের কারণেই জননেত্রী শেখ হাসিনা সোনার বাংলা বির্নিমাণের শেষ ধাপে দাড়িয়ে আজ। এঁরাই জননেত্রী শেখ হাসিনা’র সে স্বপ্নের বাস্তবায়ন করবেই। আর দলবাঁজ, তেলবাজ, হাইব্রিড, কাউয়া অপকর্মবাজ ও অনুপ্রবেশকারীদের তিনি চিহ্নিত করেছেন এবার । এদের জন্য সমানে অপেক্ষা করছে অশনি সংকেত।

অধ্যাপক মোঃ সুরুজ্জামান, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, জামালপুর জেলা শাখা।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2019 LatestNews
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesba-lates1749691102