বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে অবৈধ ৪ ড্রেজারে আগুন, পাইপ ধ্বংস জামালপুরে আ’লীগের দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করলেন ৪৫ জন বকশীগঞ্জ প্রেসক্লাবে অতিরিক্ত সচিব শাওলী সুমনের রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল বক‌শীগঞ্জ উপ‌জেলা বিএন‌পি`র আহ্বায়ক ক‌মি‌টির প‌রি‌চি‌তি সভা বকশীগঞ্জ ২ হাজার ভারতীয় জাল রুপিসহ আটক ৭ বকশীগঞ্জে শিশু হত্যা, পিতার মৃত্যুদণ্ড বকশীগঞ্জ বিএনপির সংবাদ সম্মেলন, কমিটির আত্ম প্রকাশ শিক্ষা ও গবেষণায় এগিয়ে নেয়ার অঙ্গীকারে বশেফমুবিপ্রবি’র বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন দলকে সুসংগঠিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্চ… মানিক সওদাগর আরব সাগরে ভেঙে পড়লো ভারতীয় যুদ্ধবিমান, পাইলটের মৃত্যু

জেলখানায় কারাবন্দিদের ঈদ

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ আগস্ট, ২০১৮
  • ১০২০ জন সংবাদটি পড়ছেন

গোলাম রাব্বানী নাদিমঃ কারাগারে কেমন কাটে ঈদ? এটা নিয়ে অনেকের মনে অনেক কৌতুহল। ঈদ আসার বেশ কয়েকটি আগে থেকে কারাগার পরিস্কার পরিচছন্ন করে রাখা হয়। যদিও দেশের অন্যান্য স্থাপনার তুলনায় কারাগারের অভ্যন্তরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অনেক বেশি। তার পরেও ঈদ উপলক্ষে কারাগারে বিশেষ সাজসজ্জা করা হয়।



ঈদের দিন দেওয়া হয় স্বাভাবিক খাবারের সাথে বিশেষ খাবার, এর সাথে দেওয়া হয় মিষ্টি সেমাই। হিন্দু কারাবন্দিদের আর যারা গরুর মাংস খায় না তাদের জন্যও খাসির মাংসের ব্যবস্থা করা হয়। এর জন্য রাতেই তালিকা করা হয়ে থাকে।
ঈদের আগেই প্রতিটি বন্দি তার আত্মীয়স্বজনদের দেওয়া নতুন কাপড় সরবরাহ করা হয়ে থাকে। ঈদের দিন সকাল বেলার ফাইল শেষে সকালেই নির্ধারিত হাউজে গোছল করে নেয় প্রতিটি বন্দি। গোছল শেষে ৮ থেকে ৯টার মধ্য ঈদের নামাজ সম্পন্ন করা হয়।
এ সময় কারা সরকার প্রধান, মহাপরির্দশক ও স্থানীয় জেলখানার জেলারের বানী প্রতিটি বন্দিকে শোনানো হয়ে থাকে। প্রতিটি বানীই হল শান্তনা সুচক।

কারা অভ্যন্তরে সংগীতানুষ্ঠান (ফাইল ফটো)

সবচেয়ে হৃদয় বিদারক সময় হচ্ছে নামাজ শেষে মোনাজাত। কারাগারের ভিতরে বন্দিদের কান্নার আওয়াজ অনেকদুর পর্যন্ত ভেসে বেড়ায়। আর চোখের পানির স্রােত গড়িয়ে ড্রেন পর্যন্ত গড়ায়।
চোখের পানিতে বন্যায় ভেসে যায় কারাগার মাটি। মুলত ঈদের দিন চোখের পানিতেই কেটে যায় কারাবন্দিদের ঈদ আনন্দ। দুপুরে বিশেষ খাবার সরবরাহ করা হয়ে থাকে। বিশেষ খাবার বলতে প্লালাও ও মাংস। এর আগে সকালে কারাবন্দিদের দেওয়া হয় মিষ্টি। রাতের খাবারের সাথেও থাকে মাংস। ঈদের দিন প্রায় বন্দিই খাবার খেতেই পারেন না।
ঈদের দিন জেলার ও সুবেদার প্রায় প্রতিটি বন্দির সাথে সৌজন্য স্বাক্ষতে মিলিত হন। ঈদের পর তিনদিন পর্যন্ত বাড়ী থেকে নিয়ে যাওয়া খাবারও যথাযথ পরীক্ষা শেষে বন্দিদের কাছে সরবরাহ করা হয়।
কারাগারের ঈদ মুলত হয় ঈদের পরের দিন। সেখানে ছোট ছোট অনেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। স্থানীয় শিল্পীদের দ্বারা বিনোদনের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।
৩১৬ জন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন জামালপুরের কারাগারে এবার ঈদে ৬২৪ জন বন্দি ঈদ উৎযাপন করছে বলে কারাগার সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে। ঈদে প্রতিবারের ন্যায় তাদের জন্য দেওয়া হয়েছে বিশেষ খাবার।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102