বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জের, থানায় চাঁদাবাজীর অভিযোগ করল আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য বকশীগঞ্জে রহস্য উদঘাটন করলেন ওসি, জিজ্ঞাসাবাদে জানালো সে বাংলাদেশী বকশীগঞ্জে এসডিজি নীতিমালা বাস্তবায়ন ও প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে জনতার হাতে আটক ভারতীয় নাগরিককে উদ্ধার করল পুলিশ বকশীগঞ্জে কর্মরত পুলিশ কনেস্টবল নিজামের অর্থে ১ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার বকশীগঞ্জে দিনমজুর সেজে গণধর্ষন মামলার আসামী গ্রেফতার করল পুলিশ বকশীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই ইউনিটের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত বকশীগঞ্জে শ্বশুর ও দেবরের নির্যাতনে মৃত্যু শয্যায় গৃহবধু বকশীগঞ্জে নারীসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক ৬ দফা দিবসে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জেলখানায় কারাবন্দিদের ঈদ

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২২ আগস্ট, ২০১৮
  • ১২২০ জন সংবাদটি পড়ছেন

গোলাম রাব্বানী নাদিমঃ কারাগারে কেমন কাটে ঈদ? এটা নিয়ে অনেকের মনে অনেক কৌতুহল। ঈদ আসার বেশ কয়েকটি আগে থেকে কারাগার পরিস্কার পরিচছন্ন করে রাখা হয়। যদিও দেশের অন্যান্য স্থাপনার তুলনায় কারাগারের অভ্যন্তরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অনেক বেশি। তার পরেও ঈদ উপলক্ষে কারাগারে বিশেষ সাজসজ্জা করা হয়।



ঈদের দিন দেওয়া হয় স্বাভাবিক খাবারের সাথে বিশেষ খাবার, এর সাথে দেওয়া হয় মিষ্টি সেমাই। হিন্দু কারাবন্দিদের আর যারা গরুর মাংস খায় না তাদের জন্যও খাসির মাংসের ব্যবস্থা করা হয়। এর জন্য রাতেই তালিকা করা হয়ে থাকে।
ঈদের আগেই প্রতিটি বন্দি তার আত্মীয়স্বজনদের দেওয়া নতুন কাপড় সরবরাহ করা হয়ে থাকে। ঈদের দিন সকাল বেলার ফাইল শেষে সকালেই নির্ধারিত হাউজে গোছল করে নেয় প্রতিটি বন্দি। গোছল শেষে ৮ থেকে ৯টার মধ্য ঈদের নামাজ সম্পন্ন করা হয়।
এ সময় কারা সরকার প্রধান, মহাপরির্দশক ও স্থানীয় জেলখানার জেলারের বানী প্রতিটি বন্দিকে শোনানো হয়ে থাকে। প্রতিটি বানীই হল শান্তনা সুচক।

কারা অভ্যন্তরে সংগীতানুষ্ঠান (ফাইল ফটো)

সবচেয়ে হৃদয় বিদারক সময় হচ্ছে নামাজ শেষে মোনাজাত। কারাগারের ভিতরে বন্দিদের কান্নার আওয়াজ অনেকদুর পর্যন্ত ভেসে বেড়ায়। আর চোখের পানির স্রােত গড়িয়ে ড্রেন পর্যন্ত গড়ায়।
চোখের পানিতে বন্যায় ভেসে যায় কারাগার মাটি। মুলত ঈদের দিন চোখের পানিতেই কেটে যায় কারাবন্দিদের ঈদ আনন্দ। দুপুরে বিশেষ খাবার সরবরাহ করা হয়ে থাকে। বিশেষ খাবার বলতে প্লালাও ও মাংস। এর আগে সকালে কারাবন্দিদের দেওয়া হয় মিষ্টি। রাতের খাবারের সাথেও থাকে মাংস। ঈদের দিন প্রায় বন্দিই খাবার খেতেই পারেন না।
ঈদের দিন জেলার ও সুবেদার প্রায় প্রতিটি বন্দির সাথে সৌজন্য স্বাক্ষতে মিলিত হন। ঈদের পর তিনদিন পর্যন্ত বাড়ী থেকে নিয়ে যাওয়া খাবারও যথাযথ পরীক্ষা শেষে বন্দিদের কাছে সরবরাহ করা হয়।
কারাগারের ঈদ মুলত হয় ঈদের পরের দিন। সেখানে ছোট ছোট অনেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। স্থানীয় শিল্পীদের দ্বারা বিনোদনের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।
৩১৬ জন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন জামালপুরের কারাগারে এবার ঈদে ৬২৪ জন বন্দি ঈদ উৎযাপন করছে বলে কারাগার সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে। ঈদে প্রতিবারের ন্যায় তাদের জন্য দেওয়া হয়েছে বিশেষ খাবার।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102