বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ১২:৫১ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
দুই মামলায় রাশেদ চিশতির জামিন দেওয়ানগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানালেন অধ্যাপক সুরুজ্জামান বকশীগঞ্জে পৌর আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের সংর্ঘষ ।। আহত অর্ধশতাধিক বকশীগঞ্জে নারী ও শিশু ধর্ষণ প্রতিরোধে বিট পুলিশিং সমাবেশ অনুষ্ঠিত দেওয়ানগঞ্জে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ভাঙচুর বকশীগঞ্জে এসডিজি অর্জনে জেলা নেটওয়ার্কের ষান্মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে পুকুরে ডুবে ভাই বোনের মৃত্যু বকশীগঞ্জে ইলিশ রক্ষায় নিজেই মাঠে নামলেন ইউএনও মুনমুন জাহান লিজা জামালপুরে সাত দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ শুরু বকশীগঞ্জে উপজেলা পরিষেদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জে পৌরসভা নির্বাচনে উৎকন্ঠায় ভোটাররা ॥ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০১৮
  • ১৪৮৭ জন সংবাদটি পড়ছেন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ জামালপুরের বকশীগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে সাধারন ভোটারদের মাঝে উৎকণ্ঠা বেড়েই চলছে। সম্প্রতি আওয়ামীলীগের প্রার্থী শাহিনা বেগম ও বিএনপির প্রার্থী ফখরুজ্জামান মতিন একত্রে মিলে উচ্চ আদালতে পৃথক দুটি রিট দায়ের করে।

এতে নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ আনা হয়।
এর আগে গত ২৫ মার্চ বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ.কে.এম জহিরুল হকের সম্বন্বয়ে গঠিত ব্রেঞ্চে পৃথক দুটি রিট করলে উচ্চ আদালত আদালত তা খারিজ করে দেয়।
পরে ২৭ মার্চ একই পিটিশন দুটি বিচারপতি মোঃ আশফাকুল আলম ও কে এম কামরুল কাদেরের সম্বন্বয়ের ব্রেঞ্চে রিট পিটিশন দায়ের করলে আদালত কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই আদালতে কাজ শেষ করে।
আগামী কাল ২৮ মার্চ একই ব্রেঞ্চে রিট দুটি নিস্পত্তি হওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে পরাজিত দুই প্রার্থী সুষ্ঠু ও নিরেপেক্ষ নির্বাচনকে কারচুপির অভিযোগ এনে উচ্চ আদালতে রিট করায় বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার ভোটাররা ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতেও সমালোচনা ঝড় উঠেছে।
বকশীগঞ্জ পৌর এলাকার ভোটার এডভোকেট আনিসুজ্জামান এ নিয়ে একটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন
ষড়যন্ত্রঃ
স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম সওদাগর সাহেব কে বকশীগঞ্জ পৌরসভার প্রথম পৌর পিতা হতে না দেওয়ার অংগীকার ঘোষনা করে আজও (মঙ্গল বার) আপাতত পরাজিত দুই প্রার্থী হাই কোর্ট এর দ্বারস্থ হওন। দুই জন আলাদা আলাদা দরখাস্ত করেন এবং নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ভোট গ্রহনের সিদ্ধান্ত কে স্থগিত চেয়ে প্রার্থনা করেন। আজও আশানুরুপ কোন আদেশ পান নাই। স্থগিত হওয়া কেন্দ্রের ২৯/৩/২০১৮ ইং তারিখে অর্থাৎ বৃহস্পতি বার ভোট গ্রহন হবে। ঐ কেন্দের সমুহ ভোট নৌকার প্রার্থী কে দিলেও তার জয় হবে না। আর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী (ধানের শীষের) নির্বাচনী এলাকা নৌকা মার্কা প্রার্থীর সাথে হাত মিলিয়ে আদালতের বারান্দায় সময় নষ্ট করছেন।
তার এই স্ট্যাটাসের পর
ফিরোজ আলম নামে এক শিক্ষক তার ফেসবুক মন্তব্যে লেখন- প্রতিহিংসা কখনো সুস্থ রাজনৈতিক ধারা হতে পারেনা। প্রতিহিংসুক ব্যাক্তিও কখনো রাজনিতিবিদ হতে পারেনা । এই ধরনের রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব কখনো দেশ বা জনগনের বন্ধু হতে পারেনা। তারা জনগনের শত্রু। তাদের কাছে জনগনের মতামতের কোন মূল্য নেই।

 

Aminul Islam Amin লেখেন- জনগনেৱ ৱায়কে সহজে মেনে নিতে পাৱাটাই প্ৰকৃত নেত্ৰীত্বেৱ পৱিচায়ক!

 

Mohammed Barkat Ali লেখেন- কুকুরের লেজ থাকলেও ,লেজ উচা করে মান ইজ্জত যেমন দেখাইয়া বেড়ায় , তেমনি এরা মানুষ হলেও এদের মান ইজ্জত, কুকুরের ন্যায়।

মতিন রহমান  লেখেণ-বকশীগঞ্জ পৈৗরবাসী অ‌নেক ধৈর্য ধারন ক‌রে‌ছেন আবার য‌দি ষড়যন্ত্র করা হয় এবার দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া স‌ত্যের জয় নি‌শ্চিত

মুহাম্মদ মাসুম লেখেন- পরাজিত হয়েও শিক্ষা হয়নি এদের, এবার পাবলিকের গণধোলাই খাওয়ার বাকি আছে,,,,,

Harun Islam লেখেন- এরা জনগনের ভালো চাই না,আমার মনে হয় এরা আর কোন দিন জনপ্রতিনিধি হতে পারবেনা।

Touhiduz Zaman লেখেন- আসলে ভাই এরা এলাকার জনগণের ভাল চায় না , এদের বয়কট করা উচিত।

Md Mazed Sarker  লেখেন- বকশীগঞ্জের (সদর) রাজনীতি অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত কর্দমাযুক্ত পচনশীল অতি দুর্গন্ধযুক্ত। এর ভবিষ্যত মঙ্গল কামনা করছি।

Haroon UR Rashid  লেখেন Ader k jonogon Chine Rakhbe… ami ashakori

Akter Uzzaman জুতা মারার দরকার?

গত ২৮ ডিসেম্বর বকশীগঞ্জ পৌর নির্বাচনে ১২টি কেন্দ্রের মধ্যে ১১টি কেন্দ্রে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হয়।নির্বাচনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে জগ প্রতীক নিয়ে নজরুল ইসলাম সওদাগর ৮৯৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ফখরুজ্জামান মতিন।
নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী শাহিনা বেগম প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা ৫ হাজার ১৬০। আর নির্বাচনের এগিয়ে থাকা নজরুল ইসলাম সওদাগরের ভোট সংখ্যা ৮ হাজার ৫৯৯ টি। এদের দুজনের মধ্যে ভোটের পার্থক্য হচ্ছে ৩ হাজার ৪৩৯টি।
নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী ফখরুজ্জামান মতিনের ভোটের সংখ্যা ৭ হাজার ৭০৫টি। ভোটের হিসাবে নির্বাচনে সমস্ত ভোট আওয়ামীলীগের প্রার্থী পেলেও ৩য় স্থানের হেরফের হচ্ছে না এই নির্বাচনে।
মালিরচর হাজীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রেটি আওয়ামীলীগ প্রার্থীর নিজস্ব কেন্দ্র। এই কেন্দ্রেই নিজের ভোট দিয়ে থাকেন আওয়ামীলীগ প্রার্থী শাহিনা বেগম। এ কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৫২৮জন।

 

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102