সোমবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২১, ০৩:৫২ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে ঘর পেল ১৪২জন গৃহহীন জামালপুরে ১৪৭৮ গৃহহীন ও ভূমিহীন পেলেন প্রধানমন্ত্রীর উপহার বকশীগঞ্জের সাহসের প্রতীক ইউএনও মুনমুন জাহান লিজা প্রধানমন্ত্রী ঘর উদ্বোধন উপলক্ষে জামালপুরের ডিসির সংবাদ সম্মেলন বকশীগঞ্জে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আপন ভাইদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন বকশীগঞ্জে ধর্ষনের শিকার পোষাক শ্রমিক, ধর্ষক আটক বকশীগঞ্জে যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির ওষুধ তৈরী ও বিক্রির দায়ে ১ জনের জেল শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বকশীগঞ্জ পৌর মানবাধিকার কমিশনের কমিটি অনুমোদন বকশীগঞ্জে বাংলাদেশ সেল ফোন রিপেয়ার ট্যাকনেশিয়ান এসোসিয়েশনের পরিচিতি সভা

বিশ্বের সর্ববৃহৎ টানেল জামালপুরে!

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ১০৪২ জন সংবাদটি পড়ছেন
বিশ্বের সর্ববৃহৎ টানেল জামালপুরে!

একসময় ঢাকা বিভাগ,ময়মনসিংহ এবং জামালপুরের সাথে রংপুর বিভাগের যোগাযোগ ছিল বাহাদুরাবাদ ঘাট থেকে ফুলছরি ঘাটের ফেরি সার্ভিস।কিন্তু নদীর নাব্যতা সমস্যা সহ বিভিন্ন কারনে গুরুত্বহীন হয়ে যায় এই রুট।


যমুনা সেতু চালু হবার পর থেকে এই রুট প্রায় বন্ধ।কিন্তু যাতায়াতের দুরত্ব বেড়ে  গিয়েছিলো ময়মনসিংহ এবং জামালপুরের মানুষের। এই সমস্যা দুর হতে চলেছে।’মাল্টি মডেল টানেল আন্ডার দ্য রিভার যমুনা’ প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবিত টানেল চালুর মাধ্যমে এবার যমুনা নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে দীর্ঘ ১৩ কিলোমিটার টানেল। এ টানেলের মাধ্যমেই ফের চালু হবে রেল ফেরি সার্ভিসও।

প্রস্তাবিত টানেলটিতে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে ট্রেন ও যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা থাকছে। ফলে রংপুর বিভাগের সঙ্গে ঢাকা বিভাগের জামালপুর ও বৃহত্তর ময়মনসিংহসহ দেশের অন্য অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে বলে জানিয়েছে বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ।

সেতু বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা জেলার বালাশীঘাট ও জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জঘাট নৌ-রুট বরাবর টানেলটি নির্মিত হবে।১৩ কিলোমিটার প্রশস্ত যমুনা নদী দিয়ে গড়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় সাড়ে উনিশ হাজার ঘনমিটার পানি প্রবাহিত হয়। একই সময়ে প্রায় ছয়শ’ টন পলিও বহন করে থাকে যমুনা, যা বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। পলি জমার বিষয়টি বিবেচনায় সেতুর পরিবর্তে টানেল নির্মাণ সুবিধাজনক।

এটি অনেক টাকার ব্যাপার। আশা করা হচ্ছে, বড় বড় দেশ অর্থায়ন করবে। এমনভাবে টানেল নির্মিত হবে, যেন সড়ক ও রেলপথ তৈরি হয়। কারণ, যমুনার উভয় পাশেই এক সময় সড়ক ও রেলঘাট ছিলো।জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ঋণ পাওয়ারও আশা করছে সেতু বিভাগ।

টানেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, বগুড়া, নীলফামারী ও ঠাকুরগাঁওসহ ১৩ জেলা এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের জামালপুর, শেরপুর ও ময়মনসিংহ সদরসহ পাঁচ জেলার সঙ্গে ঢাকার সরাসরি সড়ক-রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। টানেলের মাধ্যমে যাত্রীবাহী যানবাহন ও রেল সার্ভিস চালু করা যাবে। দুই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষ (রেলযাত্রী) এবং লাখ লাখ মেট্রিক টন মালামাল পারাপার করা যাবে।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102