শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৫:৪৬ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
করোনাকালীন সময় মানুষের পাশে প্রবাসী বাংলাদেশি শারমিন রহমান এবং শেখ আরিফ রাব্বানি জামি বকশীগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের পাঁশে দাড়ালেন মেয়র নজরুল বকশীগঞ্জে অগ্নিকান্ড, ৭ লক্ষ টাকা ক্ষতি শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীকে আর্থিক সহায়তা করলেন পুলিশ সুপার বকশীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা রশীদ মাষ্টারের মৃত্যু, সর্ব মহলে শোক বকশীগঞ্জে সাংবাদিক পরিবারের উপর হামলাকারী রাসেলের জামিন নামঞ্জুর জামালপুর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ জামালপুরে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের ২৭তম  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত জামালপুরে মুক্তিযোদ্ধার জমি অবৈধ ভাবে দখলের চেষ্টা বকশীগঞ্জে লক ডাউনে দোকানের ছবি তোলায় সাংবাদিকের উপর হামলা, হামলাকারী আটক

বিশ্বের সর্ববৃহৎ টানেল জামালপুরে!

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ১২৬৮ জন সংবাদটি পড়ছেন
বিশ্বের সর্ববৃহৎ টানেল জামালপুরে!

একসময় ঢাকা বিভাগ,ময়মনসিংহ এবং জামালপুরের সাথে রংপুর বিভাগের যোগাযোগ ছিল বাহাদুরাবাদ ঘাট থেকে ফুলছরি ঘাটের ফেরি সার্ভিস।কিন্তু নদীর নাব্যতা সমস্যা সহ বিভিন্ন কারনে গুরুত্বহীন হয়ে যায় এই রুট।


যমুনা সেতু চালু হবার পর থেকে এই রুট প্রায় বন্ধ।কিন্তু যাতায়াতের দুরত্ব বেড়ে  গিয়েছিলো ময়মনসিংহ এবং জামালপুরের মানুষের। এই সমস্যা দুর হতে চলেছে।’মাল্টি মডেল টানেল আন্ডার দ্য রিভার যমুনা’ প্রকল্পের আওতায় প্রস্তাবিত টানেল চালুর মাধ্যমে এবার যমুনা নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে দীর্ঘ ১৩ কিলোমিটার টানেল। এ টানেলের মাধ্যমেই ফের চালু হবে রেল ফেরি সার্ভিসও।

প্রস্তাবিত টানেলটিতে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে ট্রেন ও যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা থাকছে। ফলে রংপুর বিভাগের সঙ্গে ঢাকা বিভাগের জামালপুর ও বৃহত্তর ময়মনসিংহসহ দেশের অন্য অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে বলে জানিয়েছে বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ।

সেতু বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা জেলার বালাশীঘাট ও জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জঘাট নৌ-রুট বরাবর টানেলটি নির্মিত হবে।১৩ কিলোমিটার প্রশস্ত যমুনা নদী দিয়ে গড়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় সাড়ে উনিশ হাজার ঘনমিটার পানি প্রবাহিত হয়। একই সময়ে প্রায় ছয়শ’ টন পলিও বহন করে থাকে যমুনা, যা বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। পলি জমার বিষয়টি বিবেচনায় সেতুর পরিবর্তে টানেল নির্মাণ সুবিধাজনক।

এটি অনেক টাকার ব্যাপার। আশা করা হচ্ছে, বড় বড় দেশ অর্থায়ন করবে। এমনভাবে টানেল নির্মিত হবে, যেন সড়ক ও রেলপথ তৈরি হয়। কারণ, যমুনার উভয় পাশেই এক সময় সড়ক ও রেলঘাট ছিলো।জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) ঋণ পাওয়ারও আশা করছে সেতু বিভাগ।

টানেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে উত্তরবঙ্গের রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, বগুড়া, নীলফামারী ও ঠাকুরগাঁওসহ ১৩ জেলা এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহের জামালপুর, শেরপুর ও ময়মনসিংহ সদরসহ পাঁচ জেলার সঙ্গে ঢাকার সরাসরি সড়ক-রেল যোগাযোগ স্থাপিত হবে। টানেলের মাধ্যমে যাত্রীবাহী যানবাহন ও রেল সার্ভিস চালু করা যাবে। দুই ঘাট দিয়ে প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষ (রেলযাত্রী) এবং লাখ লাখ মেট্রিক টন মালামাল পারাপার করা যাবে।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102