সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১, ০৪:৪৯ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধির ওষুধ তৈরী ও বিক্রির দায়ে ১ জনের জেল শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর বকশীগঞ্জ পৌর মানবাধিকার কমিশনের কমিটি অনুমোদন বকশীগঞ্জে বাংলাদেশ সেল ফোন রিপেয়ার ট্যাকনেশিয়ান এসোসিয়েশনের পরিচিতি সভা কামালপুর ইউনিয়নে মানবাধিকার কমিশনের কমিটির অনুমোদন বকশীগঞ্জে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ২টি বাল্য বিয়ে পন্ড, কনের বাবার জরিমানা বকশীগঞ্জে ট্রাকের চাপায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের মৃত্যু বকশীগঞ্জে বিট পুলিশিং সচেতনতায় পথসভা অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে ফেব্রুয়ারীতেই পাচ্ছে করোনার টিকা নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়নে সবার সহযোগিতা চাই.. মেয়র নজরুল ইসলাম সওদাগর

বকশীগঞ্জ পৌর নির্বাচনঃ দায়িত্ব শাহিনার, কর্তব্য আওয়ামীলীগের

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৭
  • ৭২২ জন সংবাদটি পড়ছেন

স্টাফ রিপোর্টারঃ বহুল আলোচিত ও প্রতীক্ষিত বকশীগঞ্জ নবগঠিত পৌর সভার মেয়র পদে আওয়ামীলীগের দলীয় প্রার্থী হিসাবে মনোনিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় মহিলালীগের সদস্য শাহিনা বেগম। এই পদের জন্য তিনি ছাড়া আরও ৬জন প্রার্থী মনোনয়ন কিনেছিলেন। বকশীগঞ্জ উপজেলাটি সবসময় নৌকার জয়জয়কার। কিন্তু ভোটের বেলায় বিএনপি প্রার্থীও কম নয়। জাতীয় নির্বাচন ব্যতিত স্থানীয় প্রতিটি নির্বাচনেই আওয়ামীলীগের প্রার্থী সুবিধা আদায় করতে পারেনি। উপজেলা পরিষদ, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আওয়ামীলীগের প্রার্থীকে বড় ব্যাবধানে পরাজয়ের স্বাদ গ্রহন করতে হয়েছে।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সাথে স্থানীয় মহিলালীগ বা শাহীনার দ্বন্দ সাপে-নেউলে। কেউ কাউকে ছাড় দিতে নারাজ। এ অবস্থা চলতে থাকলে আরেকটি নিশ্চিত পরাজয়ের মুখামুখি আওয়ামীলীগের প্রার্থী শাহিনার। এখনই সেই সময়, সকল মতভেদ ভুলে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগসহ সকল অঙ্গসংগঠনকেই নৌকায় তুলতে হবে। আর এই দায়িত্ব কেবল মাত্র শাহিনার।
যেভাবেই হোক লবিং, গ্রুপিং করে নিজের অনুকুলে নৌকা নিয়ে আসার কাজ যতটা সহজ, হিমালয়সম কঠিন হচ্ছেন স্থানীয় আওয়ামীলীগের একত্রিকরণ।
কারণ গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রন করেছিল উপজেলা আওয়ামীলীগ। কিন্তু নির্বাচনের সময় আওয়ামীলীগের একটি গ্রুপ নৌকার প্রার্থী বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে অবস্থান নেয়। ৫টি ইউনিয়নের ৩টিতে পরাজয়ের কিনারা থেকে জয়ী হলেও ২ দুটি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগের প্রার্থী পরাজিত হয়। তখন প্রচার করত হতো এটি নুর মোহাম্মদের নৌকা, এটি ফারুক চৌধুরীর নৌকা।
সেই প্রতিশোধ যদি উপজেলা আওয়ামীলীগ নিয়ে ফেলে তবে নৌকা পানিতে নামার আগেই শুখনাতেই ডুবে যাবে।
২৪ নভেম্বর রাতে বিভিন্ন মাধ্যমে যখন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রার্থীর নাম প্রকাশিত হয়, তখন বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা দেখা দেয়। শাহিনা বেগমের না ঘোষনা হওয়ার সাথে সাথে তারা উল্লাশে ফেটে পরে। কারণ জিজ্ঞাসা করলে নাম প্রকাশ শর্তে জানান, এ ঘোষনার ফলে আমাদের বিএনপির প্রার্থী বিজয় শতভাগ নিশ্চিত।
বঙ্গবন্ধুর দেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা এভাবে কথা সুযোগ পেয়েছে কেবল মাত্র আওয়ামীলীগের অভ্যন্তরিন কোন্দলের কারণে। ঐতিহ্যবাহী মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত বকশীগঞ্জ উপজেলাটি মুলত আওয়ামীলীগ অধ্যুষিত।
কোন্দলবিহীন আওয়ামীলীগ থেকে যে কোন প্রার্থী নির্বাচন করলে আওয়ামীলীগের ধারে কাছেও আসতে পারবে না অন্য কোন প্রার্থী। কিন্তু বারবার পিছিয়ে পরে শুধুমাত্র দলীয় কোন্দলের কারণে । একারণেই কোন্দল নিরসনে দায়িত্ব কেবল মাত্র শাহিনার, আর আওয়ামীলীগের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে কতব্য হল আওয়ামীলীগের।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102