শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ০৭:০১ অপরাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
করোনাকালীন সময় মানুষের পাশে প্রবাসী বাংলাদেশি শারমিন রহমান এবং শেখ আরিফ রাব্বানি জামি বকশীগঞ্জে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের পাঁশে দাড়ালেন মেয়র নজরুল বকশীগঞ্জে অগ্নিকান্ড, ৭ লক্ষ টাকা ক্ষতি শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীকে আর্থিক সহায়তা করলেন পুলিশ সুপার বকশীগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা রশীদ মাষ্টারের মৃত্যু, সর্ব মহলে শোক বকশীগঞ্জে সাংবাদিক পরিবারের উপর হামলাকারী রাসেলের জামিন নামঞ্জুর জামালপুর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে মাস্ক বিতরণ জামালপুরে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের ২৭তম  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত জামালপুরে মুক্তিযোদ্ধার জমি অবৈধ ভাবে দখলের চেষ্টা বকশীগঞ্জে লক ডাউনে দোকানের ছবি তোলায় সাংবাদিকের উপর হামলা, হামলাকারী আটক

৫৭ ধারা বাতিলের দাবি ঢাবি সাংবাদিক সমিতির

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৮ জুলাই, ২০১৭
  • ৮২১ জন সংবাদটি পড়ছেন

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারা বাতিলের দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি। একই সঙ্গে এ আইনে সর্বশেষ যমুনা টেলিভিশনের জৈষ্ঠ্য প্রতিবেদক ও সমিতির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসাইনসহ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানানও হয়। শনিবার সন্ধ্যায় সমিতির সভাপতি ফরহাদ উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক ফররুখ মাহমুদ এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আইন প্রণয়ন করা হয় মানুষের অধিকার সুরক্ষা, নিপীড়িত, নির্যাতিত, নিগৃহীত ও নিষ্পেষিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং শোষকের হাত থেকে শোষিতকে রক্ষার জন্য। অথচ বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই তার উল্টোটা পরিলক্ষিত হচ্ছে। কখনও আইন প্রণয়নে ‘অস্বচ্ছতা’কে কাজে লাগিয়ে আবার কখনও আইনের ‘অপব্যবহার’-এর মাধ্যমে একটি মহল সাধারণ মানুষকে হয়রানি করছে। এ হয়রানি থেকে বাদ যাচ্ছে না দেশের কৃতি গণমাধ্যম কর্মীরাও। নেতৃদ্বয় বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি আইনটি সংশোধন করে ২০১৩ সালে জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর থেকে সমোলাচনা শুরু হয়। কেননা, এ আইনে পুলিশকে সরাসরি মামলা করার ও পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। মানবাধিকারকর্মী ও সংবাদকর্মী ছাড়াও অনলাইন ব্যবহারকারীদের শঙ্কা ছিল-এ আইনের অপব্যবহার হতে পারে। সেই শঙ্কাই সত্য হয়েছে। যার শিকার হয়েছেন মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সন্তান সাংবাদিক প্রবীর সিকদারসহ আরও অনেকে। তারা বলেন, গত ২রা মে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ঘোষণা দিয়েছেন- তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনের ৫৭ ধারা থাকছে না। কিন্তু এখনও এ ঘোষণার বাস্তবায়ন দেখছি না। গণতান্ত্রিক এ দেশে সুশাসন নিশ্চিত করতে এ আইনটি অবশ্যই বাতিল করতে হবে।

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102