বুধবার, ১৬ জুন ২০২১, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন
Bengali Bengali English English
সদ্য পাওয়া :
বকশীগঞ্জে সংবাদ প্রকাশের জের, থানায় চাঁদাবাজীর অভিযোগ করল আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য বকশীগঞ্জে রহস্য উদঘাটন করলেন ওসি, জিজ্ঞাসাবাদে জানালো সে বাংলাদেশী বকশীগঞ্জে এসডিজি নীতিমালা বাস্তবায়ন ও প্রত্যাশা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জে জনতার হাতে আটক ভারতীয় নাগরিককে উদ্ধার করল পুলিশ বকশীগঞ্জে কর্মরত পুলিশ কনেস্টবল নিজামের অর্থে ১ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার বকশীগঞ্জে দিনমজুর সেজে গণধর্ষন মামলার আসামী গ্রেফতার করল পুলিশ বকশীগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই ইউনিটের আহ্বায়ক কমিটি গঠিত বকশীগঞ্জে শ্বশুর ও দেবরের নির্যাতনে মৃত্যু শয্যায় গৃহবধু বকশীগঞ্জে নারীসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী আটক ৬ দফা দিবসে জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জেই দ্রুত নির্মিত হচ্ছে জামালপুরের সবচেয়ে বড় সেতু

সংবাদদাতার নামঃ
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৯ জুন, ২০১৭
  • ৯৫৯ জন সংবাদটি পড়ছেন

মাদারেরচর থেকে ঘুরে এসে গোলাম রাব্বানী নাদিম ঃ জামালপুরের নির্মিত হচ্ছে ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর সবচেয়ে বড় সেতু মাদারেরচর সেতু। যাহার দৈর্ঘ ৫৮৫ মিটার।
মাদারেরচর সেতুটি নির্মান কাজ শেষ হলে বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এবং সংসদীয় আসনের জামালপুর-১,(দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) দুই উপজেলার মধ্যে দুরুত্ব ২০ কিলোমিটার কমে যাবে।
বর্তমানে বকশীগঞ্জ থেকে দেওয়ানগঞ্জ যেতে প্রায় ৪০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। সেতুটি নির্মান কাজ শেষ হলে দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জের মধ্যে দুরুত্ব দাড়াবে মাত্র ১১ কিলোমিটার। এই সেতু নির্মান কাজ শেষ হলে এটাই হবে জামালপুরের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও দীর্ঘ সেতু। এর আগে সবচেয়ে বড় সেতু হচ্ছে শেরপুর-জামালপুর সেতু । যাহার দৈর্ঘ ৫৭০ মিটার। এছাড়া ইসলামপুর উপজেলায় ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর নির্মিত সেতু দৈর্ঘ ৫৬০ মিটার।

ইতিমধ্যেই সেতুটির নির্মানকাজ ইতিমধ্যেই ৬০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

কাজটির নির্মান করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ। যার মালিক ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী । তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও।

রাজশাহীর চাপাইনওয়াবগঞ্জ সোনা মসজিদ দিয়ে আমদানীকৃত ভারতীয় উচ্চ মানের পাথর ব্ল্যাক স্টোন দিয়েই নির্মিত হচ্ছে এই সেতু।
৫৮৫ মিটার সেতুটির ব্যাস সংখ্যা ১৪টি। যাহা ইত্যিমধ্যেই স্থাপন করা হয়েছে। এর স্পেন সংখ্যা ১৩টি যা প্রতিটিই ৪৫ মিটার।
৬৪টি গার্ডারের মাধ্যে ২৪টির নির্মান ও স্থাপন কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
সেতুটি নির্মাণে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস চৌধুরী এন্টারপ্রাইজের প্রকৌশলী এ.কে.এম মনসুর আহাম্মেদ, সাখাওয়াত হোসেন সবুজ ও শিমুল সর্বক্ষণিক নিয়োজিত রয়েছেন।
সেতুটি নির্মান কালে প্রতিদিন ১৩০জন শ্রমিক প্রতিদিন দৈনিক হিসাবে কাজ করছেন। এছাড়া নিয়মিতভাবে ৫৪ জন শ্রমিক ও প্রকৌশলীরা কাজ যাচ্ছেন ।

এভাবে কাজ চলতে থাকলে নির্দিষ্ট সময় জুন/২০১৮ সালের মধ্যেই শেষ হবে বলে ঠিকাদার ফারুক আহাম্মদ চৌধুরী জানিয়েছেন।

৭৪ কোটি টাকা ব্যায়ে সেতুটি নির্মাণে স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) আর্থায়ন ও তদরকি করছে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মের্সাস চৌধুরী এন্টারপ্রাইজের চেয়ারম্যান ফারুক আহাম্মেদ চৌধুরী জানান, প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এটিই সবচেয়ে বড় কাজ। দেশে স্বার্থ চিন্তা করেই লাভ ক্ষতির হিসাব বাদ দিয়েই এই সেতুটি নির্মাণ করা হচ্ছে।

এলজিইডির প্রকৌশলী মোঃ রমজান হোসেন, এই সেতুর কাজের মান সন্তোষজনক। কাজের গতি দেখে মনে হচ্ছে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এর নির্মান কাজ শেষ হবে।

 

পছন্দ হলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ ধরনের আরও সংবাদ
সাপ্তাহিক বকশীগঞ্জ
        Develop By CodeXive Software Inc.
themesba-lates1749691102